
টোকিওতে বিশ্ব অ্যাথলেটিকসে বাংলাদেশের একমাত্র অ্যাথলেট নাজিমুল হক রনি। ৪০০ মিটার হার্ডলসে আজ ট্র্যাকে নেমেছেন। হিটে ৯ জনের মধ্যে সবার শেষে দৌড় শেষ করেন জাতীয় রেকর্ডধারী এই অ্যাথলেট। ৫২.৪৭ সেকেন্ড টাইমিংয়ে শেষ থেকে প্রথম হয়েছেন তিনি। সেই হিটে ৪৮.৩৭ সেকেন্ড টাইমিংয়ে প্রথম হন নাইজেরিয়ার এজেকিয়েল ন্যাথানিয়েল।
দুই নম্বর লেন থেকে শুরু করলেও দৌড়ে সবসময় পিছিয়ে ছিলেন রনি। ১০০ মিটার অতিক্রম করেন ১২.৫২ সেকেন্ডে। ২০০ মিটার ২৪.৪০ সেকেন্ড ও ৩০০ মিটার পেরোন ৩৭.৮৩ সেকেন্ড নিয়ে। সবমিলিয়ে ৪৪ জন অ্যাথলেটের মধ্যে ৪০০ মিটার হার্ডলসে ৪২তম হয়েছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই হিট থেকে ছিটকে পড়তে হয় তাঁকে।
অথচ গত মাসে সামার অ্যাথলেটিকসের ৪০০ মিটার হার্ডলসে ৫২.৩০ সেকেন্ড সময় নিয়ে সোনা জিতেছিলেন রনি। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে হওয়া ৪৮তম জাতীয় অ্যাথলেটিকসের একই ইভেন্টে ৫০.৮৪ সেকেন্ড সময় নেন তিনি। ভাঙেন ৩১ বছরের পুরোনো রেকর্ড। কিন্তু আন্তর্জাতিক ইভেন্টে তাঁর টাইমিং সবসময় পড়তির দিকে।
মে মাসে দক্ষিণ কোরিয়ায় ২৬তম এশিয়ান অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপে রনি দৌড় শেষ করতে সময় নেন ৫২.৩৬ সেকেন্ডে। গত বছরের জুনে মালয়েশিয়ান ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপে তাঁর টাইমিং ছিল ৫৪.১৬ সেকেন্ড।

শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২০ মিনিট আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে