বাছাই পর্বের বাধা পার করেছিলেন টেনেটুনে। নকআউট পর্বে গিয়েই ঘুরে দাঁড়ালেন রোমান সানারা। আর্চারি বিশ্বকাপ স্টেজ ওয়ানের এলিমিনেশন রাউন্ডে নিজ নিজ ম্যাচ জিতেছেন রোমান সানা, সাগর ইসলাম ও হাকিম আহমেদ রুবেল।
ছেলেদের রিকার্ভ ইভেন্টের বাছাইপর্বে বাংলাদেশের মধ্যে সেরা পারফর্ম করেছেন সাগর। ১১০ তিরন্দাজের মধ্যে ৬৫৭ স্কোর গড়ে ২৯ তম হয়েছেন সাগর। তাঁর কাছে পাত্তাই পাননি মরক্কোর ওমর বুসোনি। বাংলাদেশি তিরন্দাজ জিতেছেন ৭-১ সেটে।
বাছাইয়ে ৫৯ তম হয়েছিলেন হাকিম, রোমানের অবস্থান ছিল ৮৬ তম। ক্রোয়েশিয়ার লোভরো সেরনির বিপক্ষে ৬-২ সেটে জয়ে পেয়েছেন রুবেল। ব্রিটিশ জেমস উডগেটের বিপক্ষে রোমানের জয় ৬-০ সেটে। বাছাই পর্ব শেষে বাংলাদেশের নারী তিরন্দাজদের অবস্থান মাঝামাঝি।
৬২৮ স্কোরে ৮৮ জনের মধ্যে ৪০ তম হয়েছেন দিয়া সিদ্দিকী। ৬২০ স্কোরে ফামিদা নিশা হয়েছেন ৫২ তম। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন এশিয়া কাপে সোনাজয়ী নাসরিন আক্তার।
পুরুষ দলীয় ইভেন্টে ১৬ তম হওয়া রোমানদের প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া। নারী দলীয় ইভেন্টে ১২ তম হওয়া দিয়ারা সেরা আটে ওঠার লড়াইয়ে খেলবেন ইতালির বিপক্ষে। মিশ্র দ্বৈতে দিয়া-সাগরের প্রতিপক্ষ রোমানিয়া।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে