ক্রীড়া ডেস্ক

লিওনেল মেসি যে আজ থাকবেন না, সেটা দুই দিন আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন ইন্টার মায়ামি প্রধান কোচ হ্যাভিয়ের মাশচেরানো। তবু মেসির অভাব কিছুতেই টের পায়নি মায়ামি। লিগস কাপে আজ হেসেখেলে জিতেছে মায়ামি।
আতলেতিকো মাদ্রিদ থেকে এবারই ইন্টার মায়ামিতে এসেছেন রদ্রিগো দি পল। মেসির ‘দেহরক্ষী’ তকমা পাওয়া দি পল মায়ামির জার্সিতে প্রথম দুই ম্যাচে গোল না পেলেও দুটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন। আজ ক্লাবটির হয়ে করলেন প্রথম গোল। চেজ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় ভোরে লিগস কাপে তাঁর (দি পল) ও সুয়ারেজের নৈপুণ্যে মেসিবিহীন মায়ামি ৩-১ গোলের জয় পেয়েছে পুমাস উনামের বিপক্ষে।
লিগস কাপে আজ মায়ামির রক্ষণভাগে বারবার হানা দিতে থাকে পুমাস উনাম। ২ ও ৬ মিনিটে পুমাসের দুই ফুটবলার আদালবার্তো কারাসকুইলা ও পেদ্রো ভিতে মায়ামির রক্ষণদুর্গ ভেদ করে গোল প্রায় করেই ফেলেছিলেন। কিন্তু মায়ামির গোলরক্ষক রোকো রিওস নোভো দুইবারই নিশ্চিত আক্রমণ প্রতিহত করেছেন। ১৬ মিনিটে সুয়ারেজও গোলের সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পারেননি। এরই মধ্যে ১৮ মিনিটে পুমাসের আলভালো অ্যাঙ্গুলো দেখেন হলুদ কার্ড।
আক্রমণ-প্রতি আক্রমণের খেলায় ম্যাচে প্রথম গোল করে পুমাস। ৩৪ মিনিটে ডান পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন দলটির মিডফিল্ডার হোর্হে রুবালকাভা। তাঁকে অ্যাসিস্ট করেন ভিতে। সমতায় ফিরতে মায়ামির লেগেছে ১১ মিনিট। সুয়ারেজের অ্যাসিস্টে ৪৫ মিনিটে সমতাসূচক গোল করেন দি পল। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ গোলে।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতে না হতেই এগিয়ে গিয়েছিল মায়ামি। কিন্তু ৪৯ মিনিটে সুয়ারেজের করা গোল ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) মাধ্যমে দেখে বাতিল করা হয়। দুই মিনিট পর (৫১ মিনিটে) হলুদ কার্ড দেখেন সুয়ারেজ। হলুদ কার্ডের পরের গল্পটা শুধুই সুয়ারেজ আর মায়ামি গোলরক্ষক রিওস নোভোর। যেখানে পুমাস একের পর এক আক্রমণ করে মায়ামির লক্ষ্য বরাবর। সেই আক্রমণগুলো দারুণ প্রতিহত করেছেন নোভো।
সুয়ারেজ যেমন একাধিক গোলের সুযোগ মিস করেছেন, তেমনি মায়ামির শেষ দুটি গোলে তাঁরই অবদান। ৫৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোলে মায়ামিকে এগিয়ে নেন উরুগুয়ের এই ফরোয়ার্ড। ১০ মিনিট পর মায়ামিকে আরও একটু এগিয়ে নেন সুয়ারেজ। ৬৯ মিনিটে তাঁর অ্যাসিস্টে লক্ষ্যভেদ করেছেন তাদিও আলেন্দে। শেষের দিকে পুমাস গোল করতে আরও মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু মায়ামি গোলরক্ষক নোভো যখন ‘সুপারম্যান’ হয়ে ওঠেন, তখন আর কী করার থাকে! শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মায়ামি।
লিগস কাপের নিয়ম অনুযায়ী ৯০ মিনিটে জিতলে সেই দল পায় ৩ পয়েন্ট। যদি মূল ম্যাচ সমতায় থাকার পর ট্রাইব্রেকারে কোনো দল জেতে, তাহলে দলটি পাবে ২ পয়েন্ট। এবারের লিগস কাপে এখন পর্যন্ত ৩ ম্যাচে মায়ামির পয়েন্ট ৮। কারণ, অ্যাটলাসের বিপক্ষে মায়ামি ৯০ মিনিটেই জেতে ২-১ গোলে। পরের ম্যাচে নেকাক্সাকে টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে হারালেও মায়ামি-নেকাক্সার মূল ম্যাচ ছিল ২-২ গোলে ড্র। আজ তো মেসিবিহীন মায়ামি মূল ম্যাচই জিতল হেসেখেলে।

লিওনেল মেসি যে আজ থাকবেন না, সেটা দুই দিন আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন ইন্টার মায়ামি প্রধান কোচ হ্যাভিয়ের মাশচেরানো। তবু মেসির অভাব কিছুতেই টের পায়নি মায়ামি। লিগস কাপে আজ হেসেখেলে জিতেছে মায়ামি।
আতলেতিকো মাদ্রিদ থেকে এবারই ইন্টার মায়ামিতে এসেছেন রদ্রিগো দি পল। মেসির ‘দেহরক্ষী’ তকমা পাওয়া দি পল মায়ামির জার্সিতে প্রথম দুই ম্যাচে গোল না পেলেও দুটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন। আজ ক্লাবটির হয়ে করলেন প্রথম গোল। চেজ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় ভোরে লিগস কাপে তাঁর (দি পল) ও সুয়ারেজের নৈপুণ্যে মেসিবিহীন মায়ামি ৩-১ গোলের জয় পেয়েছে পুমাস উনামের বিপক্ষে।
লিগস কাপে আজ মায়ামির রক্ষণভাগে বারবার হানা দিতে থাকে পুমাস উনাম। ২ ও ৬ মিনিটে পুমাসের দুই ফুটবলার আদালবার্তো কারাসকুইলা ও পেদ্রো ভিতে মায়ামির রক্ষণদুর্গ ভেদ করে গোল প্রায় করেই ফেলেছিলেন। কিন্তু মায়ামির গোলরক্ষক রোকো রিওস নোভো দুইবারই নিশ্চিত আক্রমণ প্রতিহত করেছেন। ১৬ মিনিটে সুয়ারেজও গোলের সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পারেননি। এরই মধ্যে ১৮ মিনিটে পুমাসের আলভালো অ্যাঙ্গুলো দেখেন হলুদ কার্ড।
আক্রমণ-প্রতি আক্রমণের খেলায় ম্যাচে প্রথম গোল করে পুমাস। ৩৪ মিনিটে ডান পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন দলটির মিডফিল্ডার হোর্হে রুবালকাভা। তাঁকে অ্যাসিস্ট করেন ভিতে। সমতায় ফিরতে মায়ামির লেগেছে ১১ মিনিট। সুয়ারেজের অ্যাসিস্টে ৪৫ মিনিটে সমতাসূচক গোল করেন দি পল। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ গোলে।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতে না হতেই এগিয়ে গিয়েছিল মায়ামি। কিন্তু ৪৯ মিনিটে সুয়ারেজের করা গোল ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) মাধ্যমে দেখে বাতিল করা হয়। দুই মিনিট পর (৫১ মিনিটে) হলুদ কার্ড দেখেন সুয়ারেজ। হলুদ কার্ডের পরের গল্পটা শুধুই সুয়ারেজ আর মায়ামি গোলরক্ষক রিওস নোভোর। যেখানে পুমাস একের পর এক আক্রমণ করে মায়ামির লক্ষ্য বরাবর। সেই আক্রমণগুলো দারুণ প্রতিহত করেছেন নোভো।
সুয়ারেজ যেমন একাধিক গোলের সুযোগ মিস করেছেন, তেমনি মায়ামির শেষ দুটি গোলে তাঁরই অবদান। ৫৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোলে মায়ামিকে এগিয়ে নেন উরুগুয়ের এই ফরোয়ার্ড। ১০ মিনিট পর মায়ামিকে আরও একটু এগিয়ে নেন সুয়ারেজ। ৬৯ মিনিটে তাঁর অ্যাসিস্টে লক্ষ্যভেদ করেছেন তাদিও আলেন্দে। শেষের দিকে পুমাস গোল করতে আরও মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু মায়ামি গোলরক্ষক নোভো যখন ‘সুপারম্যান’ হয়ে ওঠেন, তখন আর কী করার থাকে! শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মায়ামি।
লিগস কাপের নিয়ম অনুযায়ী ৯০ মিনিটে জিতলে সেই দল পায় ৩ পয়েন্ট। যদি মূল ম্যাচ সমতায় থাকার পর ট্রাইব্রেকারে কোনো দল জেতে, তাহলে দলটি পাবে ২ পয়েন্ট। এবারের লিগস কাপে এখন পর্যন্ত ৩ ম্যাচে মায়ামির পয়েন্ট ৮। কারণ, অ্যাটলাসের বিপক্ষে মায়ামি ৯০ মিনিটেই জেতে ২-১ গোলে। পরের ম্যাচে নেকাক্সাকে টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে হারালেও মায়ামি-নেকাক্সার মূল ম্যাচ ছিল ২-২ গোলে ড্র। আজ তো মেসিবিহীন মায়ামি মূল ম্যাচই জিতল হেসেখেলে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২৯ মিনিট আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
১ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ বাকি থাকলেও এখনো বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন তানজিদ হাসান তামিম। এই বাঁ হাতি ব্যাটারের বিশ্বাস, বিষয়টি ভালোভাবেই দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি।
২ ঘণ্টা আগে