
সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে দাপট ধরে রেখে আগেই ফাইনালে পৌঁছেছে বাংলাদেশ। এবার রাউন্ড রবিন লিগের শেষ ম্যাচে আজ নেপালকে উড়িয়ে দিয়েছে ৪-০ গোলে। হ্যাটট্রিক করেন আলপি আক্তার। শনিবার তাই অপরাজিত থেকেই ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে পিটার বাটলারের দল।
পোখারা রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই নেপালি রক্ষণভাগের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে বাংলাদেশ। সাফল্য আসে মাত্র তৃতীয় মিনিটে মিনিটেই। মিডফিল্ডার মামনি চাকমার নেওয়া মাপা কর্নারে দূরের পোস্টে থাকা প্রতিমা মুন্দা নিখুঁত হেডে বল জালে জড়ান। ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ আক্রমণের ধার আরও বাড়ায়। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া ভাসানো ফ্রি-কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আলপি আক্তার। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয়ার্ধেও বলের দখল এবং আক্রমণে একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখে বাটলারের দল। ৬১ মিনিটে শান্তি মার্ডির চিপ শট নেপালি ডিফেন্ডার গোললাইন থেকে ফিরিয়ে না দিলে ব্যবধান তখনই বাড়তে পারত। তবে এর কিছুক্ষণ পরই শুরু হয় ‘আলপি ম্যাজিক’। মাঝমাঠ থেকে সতীর্থের বাড়ানো থ্রু পাস ধরে অফসাইড ফাঁদ ভেঙে দারুণ ক্ষিপ্রতায় গোলরক্ষককে পরাস্ত করে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। ৮২ মিনিটে নেপালি ডিফেন্ডারের একটি ভুল পাসের সুযোগ নিয়ে বক্সে ঢুকে বল জালে জড়ান আলপি, পূরণ করেন হ্যাটট্রিক। টুর্নামেন্টে যা তাঁর দ্বিতীয়।
এই জয়ের ফলে ৩ ম্যাচে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে থেকে ফাইনাল নিশ্চিত করল বাংলাদেশ। দিনের অপর ম্যাচে ভুটানকে ৮-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে পা রাখে ভারত। রাউন্ড রবিন লিগে বাংলাদেশের কাছে ২-০ গোলে হেরেছে তারা।

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে কত নতুন কিছুই তো এনেছে ফিফা। হাইড্রেশন ব্রেকের পাশাপাশি ভিএআর ক্ষমতার সম্প্রসারণ যে নতুন সংযোজনেরই অংশ। ফাইনালে থাকছে আরও চমক। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বিশেষ আংটি দিচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা।
৩৬ মিনিট আগে
আর মাত্র দুই দিন। নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল দিয়ে শেষ ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ। যে বিশ্বকাপে পুরো বিশ্ব বুঁদ হয়ে থাকে, চার বছরের জন্য ফুটবলপ্রেমীরা অপেক্ষা করেন, সেটার ইতি ঘটতে যাচ্ছে। তবে শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালের আগে আলোচনায় স্পেনের দুই তারকা ফুটবলার লামিনে ইয়ামাল এবং পেদ্র
১ ঘণ্টা আগে
৮১ মিনিটে যখন তিনি সাইডলাইন পেরিয়ে মাঠে নামলেন, আটলান্টার আকাশ তখন আলবিসেলেস্তেদের জন্য এক চরম উৎকণ্ঠার চাদরে ঢাকা। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া এক সেমিফাইনালে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা ইংল্যান্ড তখন ফাইনালে যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর।
৬ ঘণ্টা আগে
এক গোলে পিছিয়ে থাকা আর্জেন্টিনার সামনে তখন সময়ই যেন সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ। ইংল্যান্ডের রক্ষণ ভাঙার পথও মিলছিল না। একজনের ওপরেই তাকিয়ে থাকতে হয়েছে তখন। তিনিও চেষ্টার কমতি রাখেননি।
৭ ঘণ্টা আগে