আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া ফাইনালে যেন কোনো রকম ঝামেলার সৃষ্টি না হয়, গতকাল সংবাদ সম্মেলনে সেই আকুতি করেছিলেন লিওনেল স্কালোনি। তবে বাস্তবে ঘটেছে উল্টো। মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া ফাইনাল শুরু হয়েছে ৮০ মিনিট দেরিতে।
বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল কোপা আমেরিকার আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া ফাইনাল। ম্যাচ শুরু হতে যখন ঘণ্টাখানেক বাকি, তখনই শুরু হয় দর্শকদের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। ইতালিয়ান ফুটবল সাংবাদিক ফাব্রিজিও রোমানোর পোস্ট করা এক ভিডিওতে বিশৃঙ্খলার চিত্র ফুটে উঠেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ভক্ত-সমর্থকেরা মাঠের দক্ষিণ পশ্চিম অংশ দিয়ে নিরাপত্তাবেষ্টনী টপকে ঢোকার চেষ্টা করছেন। পুলিশের বাধা অতিক্রম করতে গিয়ে ঢুকতে গিয়ে অনেক দর্শক আহত হয়েছেন। মাঠে ঢোকার পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয় সঙ্গে সঙ্গে। বেশিরভাগই ছিলেন কলম্বিয়ার জার্সিধারী। যদিও টিকিট নিয়ে অনেক ভক্ত-সমর্থক আগেই গ্যালারির সিটে বসে পড়েন।
প্রথমে যখন সময়মতো খেলা শুরু করা গেল না, তখন বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে ঝামেলা মিটতে দেরি হওয়ায় শুরুর সময় আরও পিছিয়ে দেওয়া হয়। বাংলাদেশ সময় ৭টা ২০ মিনিটে খেলা শুরু হয়েছে। ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিট পর্যন্ত আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া কোনো দলই গোল করতে পারেনি।

এক ক্লাবে দীর্ঘ ১৫-২০ বছর খেলার উদাহরণ বর্তমানে দেখা যায় না বললেই চলে। কখনো ক্লাবগুলোর সঙ্গে ফুটবলারদের চুক্তি ফুরিয়ে যায়। অনেক সময় নানান ঘটনায় খেলোয়াড়েরা স্বেচ্ছায় ক্লাব বদলান। থিয়াগো আলমাদা যে ক্ষণে ক্ষণে ক্লাব পরিবর্তন করা ফুটবলারদের এক জন। সাত বছরের ক্যারিয়ারে পাঁচটি ভিন্ন ক্লাবের হয়ে খেলছেন তিন
২ মিনিট আগে
থ্রিলার মুভির গল্পও যেন হার মানতে বাধ্য। অনেকেই হয়তো বুঝতে পেরেছেন এখানে আলজেরিয়া-অস্ট্রিয়া ম্যাচের কথা বলা হচ্ছে। কানসাস সিটিতে বাংলাদেশ সময় আজ সকালে যে ম্যাচটি হয়েছে, সেটাকে বর্ণনা করতে গিয়ে ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন অস্ট্রিয়ার কোচ রালফ রাংনিক। একই সঙ্গে ম্যাচটিকে ঘিরে যে ‘ষড়যন্ত্র-তত্ত্ব’ ভেসে বেড়াচ্ছে
১ ঘণ্টা আগে
জিম্বাবুয়ে সফরে বাংলাদেশ প্রায় গেলেও তখন হয় শুধু সাদা-বলের ক্রিকেট। টেস্ট মাঠে গড়ায় না বললেই চলে। অবশেষে দীর্ঘ পাঁচ বছর পর সেই হারারেতে বাংলাদেশ খেলছে টেস্ট। শুরুতে স্বাগতিকদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চাপে পড়লেও নাজমুল হোসেন শান্ত-মুমিনুল হকরা ঘুরে দাঁড়িয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
জিকো ব্রাজিলের একজন কিংবদন্তি ফুটবলার। তবে শুধু নিজের দেশেই নয়, জাপানের ফুটবলেও তাঁর অবদান এতটাই বেশি যে, দেশটির ফুটবল ইতিহাসেও তিনি এক বিশেষ অধ্যায়ের নাম। তাই বিশ্বকাপে ব্রাজিল ও জাপানের মুখোমুখি লড়াইয়ের আগে নিজের অবস্থান নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন সাবেক এই তারকা।
২ ঘণ্টা আগে