
শিরোপা তো লিওনেল মেসি একেবারে কম জেতেননি। তাঁর ক্যাবিনেটে কত শিরোপা আছে, সেটা তিনি নিজেও হয়তো গুনে শেষ করতে পারবেন না। আর্জেন্টিনা, বার্সেলোনা, প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি), ইন্টার মায়ামি—সব দলের হয়েই তিনি জিতেছেন শিরোপা। চ্যাম্পিয়ন মেসির নাম উঠে গেল ইতিহাসের পাতায়।
২০২৫ মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের (এমভিপি) পুরস্কার জিতে মেসি টানা দুইবার এই পুরস্কার জিতেছেন। এমএলএসের ৩০ বছরের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা দুইবার এমভিপি পুরস্কার জিতেছেন। ২০২৫ সালে এমএলএসে ২৮ ম্যাচে ৪৮ গোলে অবদান রেখেছেন মেসি। ২৯ গোলের পাশাপাশি অ্যাসিস্ট করেছেন ১৯ গোলে। রোববার চেজ স্টেডিয়ামে এমএলএস কাপ ফাইনালে ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ইন্টার মায়ামি। এমএলএস কাপে মায়ামির প্রথম শিরোপা জয়ের ম্যাচে কোনো গোল করতে না পারলেও দুই গোলে তিনি অ্যাসিস্ট করেছেন।
এমএলএসে এবার ইস্টার্ন কনফারেন্সে তিন নম্বরে থেকে শেষ করেছে ইন্টার মায়ামি। ৩৪ ম্যাচে ১৯ জয়, ৮ ড্র ও ৭ পরাজয়ে ৬৫ পয়েন্ট পেয়েছে দলটি। সমান ৬৫ পয়েন্ট হলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে দুইয়ে সিনসিনাটি। ইন্টার মায়ামি তাই সাপোর্টার্স শিল্ডের পুরস্কার জিততে পারেননি। এবারের এমএলএসে মেসি টানা ৯ ম্যাচে কমপক্ষে তিনটি করে গোলে অবদান রাখার কীর্তি গড়েছেন। এমএলএস টুর্নামেন্টে প্রথম ফুটবলার খেলোয়াড় হিসেবে একাধিকবার (২০২৪ ও ২০২৫ সালে) কমপক্ষে ৩৬ গোলে অবদান রাখার কীর্তিও তাঁর।
২০২৩ সালের জুলাই থেকে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলছেন মেসি। আড়াই বছরে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটির জার্সিতে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলে ৮৮ ম্যাচে করেছেন ৪৪ গোল। অ্যাসিস্ট করেছেন ৭৭ গোলে। ২০২৩ লিগস কাপ, ২০২৪ সাপোর্টার্স শিল্ড, ২০২৫ এমএলএস কাপ—এই তিনটি শিরোপা মায়ামির হয়ে জিতেছেন। পেশাদার ক্যারিয়ারে সব মিলিয়ে ৪৭ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলার। সিনিয়র ফুটবলে সেটা ৪৪তম।

আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে গত পরশু মধ্যরাতে লাহোরের বিমানবন্দরে বিদায় দিতে এসেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রধান মহসিন নাকভি। লাহোরের বিমানবন্দরে উপমহাদেশের দুই ক্রিকেট প্রশাসকের হাস্যোজ্জ্বল মুখচ্ছবি বলে দিচ্ছিল, লাহোরে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকটা বৃথা যায়নি!
৩১ মিনিট আগে
দেশসেরা নারী শুটার কামরুন নাহার কলিকে সব ধরনের শুটিং কার্যক্রম থেকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্ট ফেডারেশন। গত ২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী পরিষদের ষষ্ঠ সভায় এই শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আরা খানম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ
৪০ মিনিট আগে
বাংলাদেশের সমর্থনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিল পাকিস্তান। সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এল তারা। ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের বিপক্ষে খেলতে নামবে সালমান আলী আগার দল।
১ ঘণ্টা আগে
কেবলমাত্র টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটাই খেলা হলো না বাংলাদেশের–একটা আফসোস হয়তো দীর্ঘ দিন থেকে যাবে ক্রিকেটার এবং ভক্তদের। এই ইস্যুতে গত কয়েক দিন ধরেই অস্থিরতা ছিল ক্রিকেট দুনিয়ায়, গড়িয়েছে অনেক জল। বাংলাদেশের সমর্থনে পাশে দাঁড়িয়েছিল পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত দ্বিমুখী চাপে বাংলাদেশের সব চাওয়া পূরণ করল আইসিসি।
১৩ ঘণ্টা আগে