
তখন পর্যন্ত ১ গোলে এগিয়ে ছিল ব্রাজিল। চোখে ঘুম নিয়ে বাংলাদেশের ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের মনে শঙ্কা ছিল, কখন না আবার সেই গোল শোধ করে দেয় সার্বিয়া! ৭৩ মিনিটে সব শঙ্কা দূর করে দিলেন রিচার্লিসন। সিজার কিকে অনিন্দ্যসুন্দর এমন এক গোলই করলেন টটেনহাম তারকা যে সমর্থকদের চোখ থেকে নিমেষেই দূর হয়ে গেল সব ঘুম!
শুধু বাংলাদেশেরই নয়, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি ব্রাজিলিয়ান সমর্থককে ম্যাচে চোখ ফেরাতে বাধ্য করেছে রিচার্লিসনের সেই গোল। ম্যাচটি দেখতে যাঁরা গতকাল রাতে লুসাইল স্টেডিয়ামে ছিলেন, তাঁরা ব্রাজিলিয়ান নম্বর নাইনের গোলের সৌন্দর্য উপভোগ করেছেন তৃপ্তিভরে। মাঠ থেকে বেরিয়ে রিচার্লিসনের এই গোলকে টুর্নামেন্টের সেরা গোল ঘোষণা করে দিলেন কেউ কেউ। কারও দাবি, ২০২২ সালেরই এটি সেরা গোল।
সার্বিয়ার জমাট রক্ষণ ভেঙে ৬২ মিনিটে ব্রাজিলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন রিচার্লিসনই। সেই গোলের পর যেকোনো সময়ই ম্যাচে ফিরতে পারত সার্বিয়া। কিন্তু সার্বদের সব সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেল ৭৩ মিনিটে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বাতাসে ভাসানো ক্রস থেকে বলকে বুক দিয়ে নামিয়ে শরীরের মোচড়ে সিজার কিকে যেভাবে গোল করলেন রিচার্লিসন, তাতে আর ম্যাচে ফেরার দুয়ারই বন্ধ হয়ে যায় প্রতিপক্ষের। বক্সে ঘুরে দাঁড়ানোর অল্প জায়গাই বাকি ছিল রিচার্লিসনের সামনে। এই অল্প জায়গাতেই দেখিয়ে দিলেন নিজের ক্যারিশমা। ওই গোলের পর আক্রমণে খুব বেশি উঠতে দেখা যায়নি সার্বদের। বাকিটা সময় শুধু আক্রমণই করে গেছে ব্রাজিল।
রিচার্লিসনের দ্বিতীয় গোলটিকে ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট বলতে কোনো দ্বিধা নেই দর্শকদের। ম্যাচ শেষে সবার চোখে অবিশ্বাস্য এক ঘোর। বিবিসিকে এক দর্শক বললেন, ‘এই গোলটা অপার্থিব। এর চেয়ে সেরা আর কিছুই হতে পারে না।’ আরেক দর্শক তো দাবিই জানিয়ে বসলেন, ‘রিচার্লিসনকে পুসকাস অ্যাওয়ার্ড (বছরের সেরা গোলের পুরস্কার) দিয়ে দেওয়া হোক।’
সাবেক ইংলিশ ফরোয়ার্ড অ্যালান শিয়েরার অবশ্য এগিয়ে রাখছেন রিচার্লিসনের প্রথম গোলটিকে। তবে দ্বিতীয় গোলের দারুণ প্রশংসাও করেছেন তিনি, ‘অনেকে ভাবছেন, প্রথম গোলটা অনেক সহজ ছিল, কিন্তু মোটেও না। একজন সেন্টার ফরোয়ার্ডের জন্য সেটা খুবই ভালো একটা গোল। দ্বিতীয় গোলটিও ছিল অবিশ্বাস্য।’

তখন পর্যন্ত ১ গোলে এগিয়ে ছিল ব্রাজিল। চোখে ঘুম নিয়ে বাংলাদেশের ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের মনে শঙ্কা ছিল, কখন না আবার সেই গোল শোধ করে দেয় সার্বিয়া! ৭৩ মিনিটে সব শঙ্কা দূর করে দিলেন রিচার্লিসন। সিজার কিকে অনিন্দ্যসুন্দর এমন এক গোলই করলেন টটেনহাম তারকা যে সমর্থকদের চোখ থেকে নিমেষেই দূর হয়ে গেল সব ঘুম!
শুধু বাংলাদেশেরই নয়, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি ব্রাজিলিয়ান সমর্থককে ম্যাচে চোখ ফেরাতে বাধ্য করেছে রিচার্লিসনের সেই গোল। ম্যাচটি দেখতে যাঁরা গতকাল রাতে লুসাইল স্টেডিয়ামে ছিলেন, তাঁরা ব্রাজিলিয়ান নম্বর নাইনের গোলের সৌন্দর্য উপভোগ করেছেন তৃপ্তিভরে। মাঠ থেকে বেরিয়ে রিচার্লিসনের এই গোলকে টুর্নামেন্টের সেরা গোল ঘোষণা করে দিলেন কেউ কেউ। কারও দাবি, ২০২২ সালেরই এটি সেরা গোল।
সার্বিয়ার জমাট রক্ষণ ভেঙে ৬২ মিনিটে ব্রাজিলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন রিচার্লিসনই। সেই গোলের পর যেকোনো সময়ই ম্যাচে ফিরতে পারত সার্বিয়া। কিন্তু সার্বদের সব সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেল ৭৩ মিনিটে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বাতাসে ভাসানো ক্রস থেকে বলকে বুক দিয়ে নামিয়ে শরীরের মোচড়ে সিজার কিকে যেভাবে গোল করলেন রিচার্লিসন, তাতে আর ম্যাচে ফেরার দুয়ারই বন্ধ হয়ে যায় প্রতিপক্ষের। বক্সে ঘুরে দাঁড়ানোর অল্প জায়গাই বাকি ছিল রিচার্লিসনের সামনে। এই অল্প জায়গাতেই দেখিয়ে দিলেন নিজের ক্যারিশমা। ওই গোলের পর আক্রমণে খুব বেশি উঠতে দেখা যায়নি সার্বদের। বাকিটা সময় শুধু আক্রমণই করে গেছে ব্রাজিল।
রিচার্লিসনের দ্বিতীয় গোলটিকে ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট বলতে কোনো দ্বিধা নেই দর্শকদের। ম্যাচ শেষে সবার চোখে অবিশ্বাস্য এক ঘোর। বিবিসিকে এক দর্শক বললেন, ‘এই গোলটা অপার্থিব। এর চেয়ে সেরা আর কিছুই হতে পারে না।’ আরেক দর্শক তো দাবিই জানিয়ে বসলেন, ‘রিচার্লিসনকে পুসকাস অ্যাওয়ার্ড (বছরের সেরা গোলের পুরস্কার) দিয়ে দেওয়া হোক।’
সাবেক ইংলিশ ফরোয়ার্ড অ্যালান শিয়েরার অবশ্য এগিয়ে রাখছেন রিচার্লিসনের প্রথম গোলটিকে। তবে দ্বিতীয় গোলের দারুণ প্রশংসাও করেছেন তিনি, ‘অনেকে ভাবছেন, প্রথম গোলটা অনেক সহজ ছিল, কিন্তু মোটেও না। একজন সেন্টার ফরোয়ার্ডের জন্য সেটা খুবই ভালো একটা গোল। দ্বিতীয় গোলটিও ছিল অবিশ্বাস্য।’

ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
৩৯ মিনিট আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ বাকি থাকলেও এখনো বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন তানজিদ হাসান তামিম। এই বাঁ হাতি ব্যাটারের বিশ্বাস, বিষয়টি ভালোভাবেই দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি দিন বাকি নেই। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে ছোট সংস্করণে বিশ্বকাপের দশম পর্ব। তার আগে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া।
২ ঘণ্টা আগে