
গত এক দশকে ব্রাজিলের জালে ৪ গোল দিতে পারেনি আর্জেন্টিনা। সবশেষ ২০১২ সালের জুনে ফিফা প্রীতি ম্যাচে মেসির হ্যাটট্রিকে ব্রাজিলকে ৪-৩ গোলে হারিয়েছিল তারা। এবার তো ব্যবধানটাও আরও সমৃদ্ধ, ৪-১ ব্যবধানের জয়। লিওনেল মেসি, লাউতারো মার্তিনেজ, পাওলো দিবালা, লো সেলসোদের ছাড়াই আর্জেন্টিনা এক হালি দিয়েছে। তাঁরা থাকলে ফলটা কেমন হতো?
আর্জেন্টিনার তরুণ ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজের মতে, মেসি থাকলে আরও ২-৩টা গোল দিতেন তাঁরা। এই তারকা ফুটবলারের কথা অনুযায়ী ফলটা ৭-১ ব্যবধানেও হতে পারত। ম্যাচের পর আলভারেজ রাখঢাক না রেখেই বললেন, ‘মেসি থাকলে আমরা হয়তো আরও দুই-তিনটি গোল করতে পারতাম।’
আলভারেজের সঙ্গে সুর মিলিয়ে মিডফিল্ডার রদ্রিগো দি পল বললেন, ‘আমাদের দলের সেরাটা সব সময় পাওয়া যায় যখন ১০ নম্বর (মেসি) খেলে। কারণ সে সর্বকালের সেরা।’
২৬ মিনিটে ব্রাজিলের করা একমাত্র গোলটির পুরো দায়ভার ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরোর। ডি-বক্সের বাইরে ফাঁকা জায়গায় বল নিয়ে নাড়াচাড়া করছিলেন কিছু সময়। সেই সুযোগে ছুটে গিয়ে তাঁর থেকে বল কেড়ে নিয়ে গোলটি করেন মাতিয়াস কুনহা। ব্রাজিল নিজেরা কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেন সেভাবে।

ফুটবল বিশ্বকাপের আবহে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য ব্যতিক্রমী এক আয়োজন নিয়ে এসেছে আকিজ গ্রুপের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড আকিজ পাইপস। এক সংবাদ সম্মেলনে ‘আকিজ পাইপস ফুঁ-বল চ্যাম্পিয়নশিপ’ আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বিশ্বকাপকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ ও উচ্ছ্বাসকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়ে
১০ মিনিট আগে
এবারের বিশ্বকাপে মাঠের লড়াই হচ্ছে দেখার মতো। কেপ ভার্দের মতো আনকোড়া দল দেখিয়েছে, বড় দলের তকমা গায়ে লাগানোর সব সম্ভাবনাই আছে তাদের। অন্যান্য ছোট দলগুলোও নিজেদের পারফরম্যান্সে আলো ছড়িয়েছে। এবারের বিশ্বকাপকে তাই শতভাগ সফল বলে দাবি করছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সেই সঙ্গে ৬৪ দল নিয়ে ২০৩০ বিশ্বকা
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার ইতিহাস ঈর্ষণীয়। শেষ চারে যতবার উঠেছে, ততবারই ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে লা আলবিসেলেস্তেরা। উত্তর আমেরিকায় চলমান বিশ্বকাপেও সেই ইতিহাস অটুট রাখার চ্যালেঞ্জ লিওনেল মেসিদের সামনে; তাঁদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড।
২ ঘণ্টা আগে
শেষ দল হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পা রাখা আর্জেন্টিনার সামনে এখন ইংল্যান্ড চ্যালেঞ্জ। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মহারণের আগে লা আলবিসেলেস্তেদের উদ্যাপনে যেন সেই আবহই ফুটে উঠল। কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে হারানোর পর শেষ চারের প্রতিপক্ষের নাম উচ্চারিত হলো লিওনেল মেসিদের কণ্ঠে।
৩ ঘণ্টা আগে