
লা লিগায় শীর্ষে উঠে এক সপ্তাহ টিকতে পারল না বার্সেলোনা। পিএসজির কাছে হার যতটা না পোড়াচ্ছে, তার চেয়েও বেশি পোড়াচ্ছে সেভিয়ার বিপক্ষে আজকের হার। মৌসুমের সবচেয়ে বাজে ম্যাচটাই যেন খেলল হান্সি ফ্লিকের দল। সেভিয়ার মাঠ থেকে তাদের ফিরতে হচ্ছে ৪-১ গোলের হার নিয়ে।
রামোন সানচেস স্টেডিয়ামে ১৩ মিনিটে সেভিয়াকে এগিয়ে দেন আলেক্সিস সানচেস। বার্সার সাবেক এই ফরোয়ার্ড স্পটকিক থেকে কোনো ভুল করেননি। প্রথমার্ধে ব্যবধানটা ৪-০ হতে পারত খুব সহজেই। কিন্তু ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় সেভিয়া। এর আগে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ইসাক রোমেরো। বার্সার হয়ে ব্যবধান কমান মার্কাস রাশফোর্ড।
বিরতির বার্সা দাপট দেখানোর চেষ্টা করলেও গোলের মুখ আর খুলতে পারেনি। পেনাল্টি মিস করেন রর্বাট লেভানডস্কি। শেষ মুহূর্তে সেভিয়ে আরও দুটি গোল দেয় বার্সার জালে। ৯০ মিনিটে হোসে আনহেল কারমোনা ও যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে আকোর আদামস বার্সার কফিনে শেষ পেরেকটি মারেন।
এই ম্যাচের আগে চলতি বছর ঘরের মাঠে মাত্র একটি জয় পেয়েছে। আর বার্সা গত ১০ বছরে সেই মাঠে পরাজয়ের মুখ দেখেনি। কিন্তু আজ দেখতে হলো। ৮ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে আছে তারা। দুই পয়েন্ট বেশি নিয়ে শীর্ষে রিয়াল।

ফিফা আসিয়ান কাপ বাংলাদেশের হয়েছে ভুলে যাওয়ার মতোই। তবু টুর্নামেন্টে কিছু প্রাপ্তি ছিল টমাস ডুলির দলের। এই টুর্নামেন্টে যে তিন তরুণ ফুটবলার নজর কেড়েছেন, তাঁদের মধ্যে আছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জাপানি শুকি ইতোফুসা। গতকাল দুপুরে বেরাইদে ফর্টিস ক্লাব ভবনে জাপানি ভাষায় দেওয়া শুকির সাক্ষাৎকার পর্বে বড় সহায়ক
৪০ মিনিট আগে
বড় মঞ্চে ভালো না করার কারণটা পরিষ্কার না আমার কাছেও। তবে বড় দলের সঙ্গে আমাদের ব্যবধান কিন্তু অনেক কমছে। আমরা আগের তুলনায় অনেক ধারাবাহিক। নিয়মিত বড় দলকে হারাই। বড় বড় ম্যাচ জিতি। দ্বিপক্ষীয় সিরিজে ভালো খেলছি। এশিয়া কাপের ফাইনালও তিনবার খেলছি। কিন্তু ট্রফি জিততে পারিনি। রানার্সআপ আসলে কেউ মনে রাখে না।
১ ঘণ্টা আগে
আরও একটি বড় মঞ্চের পরীক্ষা, আরও একবার ব্যর্থ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এশিয়াডে সান্ত্বনার ব্রোঞ্জ জয়ের সুযোগও হাতছাড়া হয়েছে। এভাবে শূন্য হাতে ফেরার গল্প আর নতুন কি! কিন্তু দ্বিপক্ষীয় সিরিজে বাংলাদেশ বড় দলগুলোকে হারিয়ে দেয়। এমনকি বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের বিশ্বকাপও একবার জেতা হয়েছে। কিন্তু এশিয়া কাপ, এশিয়ান গে
১ ঘণ্টা আগে
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জন্য পর্তুগাল দলের দরজা বন্ধ করেননি কোচ জর্জ জেসুস। বরং জাতীয় দলে ফিরবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত সিআরসেভেনর ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। নরওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ের পর জেসুসের এমন বার্তায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে পর্তুগাল অধিনায়কের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার।
১ ঘণ্টা আগে