কোনোমতে বাঁচলেন মেসিরা

ভাগ্যিস রিকোয়েলমে ফিলিপি গোলটা করেছিলেন। তা না হলে আরও এক হার সঙ্গী হতো ইন্টার মায়ামির। রিকোয়েলমের শেষ মুহূর্তের গোলে কোনোমতে রক্ষা পেল লিওনেল মেসি-লুইস সুয়ারেসদের মায়ামি।
নু স্টেডিয়ামে আজ বাংলাদেশ সময় ভোরে অনুষ্ঠিত মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ম্যাচে সুয়ারেস, মেসি পুরো সময়জুড়ে খেলেছেন। সিনসিনাটির বিপক্ষে একটা সময় এগিয়েও ছিল মায়ামি। কিন্তু জিততে আর পারলেন না মেসি-সুয়ারেসরা। ২-২ গোলে ড্র হয়েছে মায়ামি-সিনসিনাটি ম্যাচ।
প্রথমার্ধে মায়ামি-সিনসিনাটি খুব একটা আক্রমণ করতে পারেনি। সিনসিনাটি সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে। মেসিকেও বোতলবন্দী করে রেখেছেন সিনসিনাটির ডিফেন্ডাররা। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ড্রয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর পর দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় মায়ামি। ৫০ মিনিটে হারমান বেরতেরাম হেডে বল দেন সুয়ারেসকে। তবে সুয়ারেস সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি। ৬১ মিনিটে ম্যাচে প্রথম গোলের দেখা মেলে। কাসেমিরোর অ্যাসিস্টে গোল করেন সুয়ারেস। পরের ১৯ মিনিট কোনো গোল হয়নি। মেসিকে এবারও দারুণভাবে সামলেছেন সিনসিনাটির ডিফেন্ডাররা।
ইন্টার মায়ামি-সিনসিনাটি ম্যাচে চার গোলের তিনটিই হয়েছে শেষ ১০ মিনিটে। ৮০ মিনিটে সিনসিনাটি স্ট্রাইকার কেনজি এমবোমা দেম সমতাসূচক গোল করেন। তাঁকে অ্যাসিস্ট করেন ইভান্দার। ৮৬ মিনিটে স্যামুয়েল গিদির গোলে এগিয়ে যায় সিনসিনাটি। এবার অ্যাসিস্ট করেন টম বারলো।
ম্যাচে সিনসিনাটির জয় যখন সময়ের ব্যাপার, সেই মুহূর্তে মায়ামির ম্যাজিক। ৯০ মিনিটে সমতাসূচক গোল করেন ফিলিপি। মায়ামি-সিনসিনাটি ম্যাচ শেষ হয় ২-২ গোলের ড্রয়ে।
৩২ ম্যাচে ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকার তিনে মায়ামি। মেসির দল ১৭ ম্যাচ জিতেছে। ড্র করেছে পাঁচ ম্যাচ ও হেরেছে ১০ ম্যাচ। দুইয়ে থাকা নিউ ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৫৮। ৭১ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে ন্যাশভিল। প্রত্যেকেই ৩২টি করে ম্যাচ খেলেছে।









