২০১৯ সালে সর্বশেষ আইপিএল খেলে বুট জোড়া তুলে রেখেছেন লাসিথ মালিঙ্গা। ভূমিকা বদলে লঙ্কান এই ফাস্ট বোলারকে দেখা যাবে এবারের আইপিএলেও। এবার তাঁকে দেখা যাবে রাজস্থান রয়্যালসের বোলিং কোচ হিসেবে।
রাজস্থানের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট কুমার সাঙ্গাকারা মনে করেন, মালিঙ্গা কোচ হওয়ায় দল উপকৃত হবে। এ প্রসঙ্গে তাঁর একসময়ের সতীর্থ সাবেক লঙ্কান উইকেটরক্ষক-ব্যাটার বলেছেন, ‘লাসিথ সর্বকালের অন্যতম সেরা টি-টোয়েন্টি ফাস্ট বোলার। এ রকম একজন দলের সঙ্গে থাকলে সংশ্লিষ্ট দল লাভবানই হয়। আমাদের দলে বেশ কজন ভালো ফাস্ট বোলার আছে। ওরা প্রত্যেকে লাসিথের সঙ্গে কাজ করতে পারবে। শেখার সুযোগও পাবে তারা।’
কোচ হিসেবে নতুন ইনিংস শুরু করার আগে মালিঙ্গা নিজেও বলছেন, ‘আইপিএলে প্রত্যাবর্তনের অনুভূতি দারুণ। রাজস্থান রয়্যালস ফ্র্যাঞ্চাইজি সব সময় তরুণ প্রতিভা তুলে আনার কাজ করে থাকে। রাজস্থান রয়্যালসে যোগ দেওয়া আমার কাছে সম্মানের ব্যাপার। পেস বোলিং ইউনিট নিয়ে কাজ করতে আমি রোমাঞ্চিত দলের প্রতিটি ফাস্ট বোলারকে আমি সাহায্য করব। ওদের উন্নতি এবং মাঠে পরিকল্পনা যেন কাজে লাগাতে পারে, সে ব্যাপারে সব রকম সাহায্য করতে আমি প্রস্তুত।’

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। এমনকি বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে শঙ্কা দূর হলেও মাঠে নামার আগেই নানারকম বিরূপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে এশিয়া মহাদেশের দলটি। কিন্তু আজ লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে ইরানকে দেখে কি বোঝার উপায় আছে যে তারা কোন পরিস্থিতির
২০ মিনিট আগে
মিসৌরী নদীর তীরে নিরিবিলি, ছিমছাম বার্কলি রিভারফ্রন্ট এলাকায় রোববার বিকেলে যেতেই বুঝতে অসুবিধা হলো না এটাই আর্জেন্টিনা দলের ঘাঁটি। টিম হোটেলের পেছনের দিকটায় ডিয়েগো ম্যারাডোনার ছবি সংবলিত বিশাল পতাকা ঝুলিয়ে দিয়েছে আর্জেন্টাইনরা। তাঁরা ড্রাম বাজাচ্ছেন, উল্লাস করছেন। কোরাস তুলছেন, ‘ওলে, ওলে...ভামোস আর
১ ঘণ্টা আগে
ঘড়ির কাঁটা ঘুরিয়ে সাড়ে তিন বছর আগে ফিরে যাওয়া যাক। দোহার লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চমকে দিয়েছিল সৌদি আরব। মায়ামিতে আজ লাতিন আমেরিকার আরেক দল উরুগুয়েকে হারাতে না পারালেও সৌদি লড়াই করেছে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। সৌদি-উরুগুয়ে ম্যাচ শেষ পর্যন্ত ড্র হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
আমি কেঁদেছিলাম কারণ আমি আমার দাদা-দাদীর কাছে বড় হয়েছি। দুর্ভাগ্যবশত আজকের এই দিনে তাঁরা এখানে নেই। কয়েক বছর আগে তাঁরা মারা গেছেন। তাঁরাই ছিলেন আমার সব, আমার জীবনের সবকিছু। আর (কেঁদেছি) আমার মায়ের কারণে। ভিসার কারণে তিনি এখানে আসতে পারেননি। ভিসার জন্য যে টাকা দিতে হয়, সেটার কারণে আমরা সময়মতো গুছিয়ে উ
৬ ঘণ্টা আগে