
প্রথম ইনিংসে দারুণ ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়েছিল। দ্বিতীয় দিনেই ৫ উইকেট তুলে নিয়ে আয়ারল্যান্ডকে অলআউট করার আভাস দিয়ে রেখেছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু তৃতীয় দিনের শুরুটা বাংলাদেশ কিংবা আয়ারল্যান্ড– কারও পক্ষেই ছিল না। মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনের শুরুতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে ভূমিকম্প।
৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে গোটা দেশের মতো শেরেবাংলাও কিছুক্ষণের জন্য থমকে যায়। উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে দুই দলের ক্রিকেটারদের মাঝে। গ্যালারিতে থাকা দর্শকরা ভয় পেয়ে যান। প্রেস বক্স, মিডিয়া বক্স থেকে শুরু করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অফিস, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সবখানেই। ভূমিকম্পের কারণে খেলা বন্ধ ছিল তিন মিনিটের মতো।
এরপর খেলা শুরু হলে আয়ারল্যান্ড শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন তাইজুল ইসলাম। তাতে চাপ বেড়েছে আইরিশদের উপর। মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়ার আগে আয়ারল্যান্ডের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২১১ রান। ফলোঅন এড়াতে আরও ৬৬ রান করতে হবে সফরকারীদের।
তৃতীয় দিনের শুরু থেকেই টানা বোলিং করে যাচ্ছিলেন তাইজুল। কোনোভাবেই উইকেট পাচ্ছিলেন না। অবশেষে ৫৮তম ওভারে এই স্পিনারের হাত ধরে অপেক্ষা শেষ হয় বাংলাদেশের। তাইজুলের করা সে ওভারের প্রথম বলে স্টিফেন ডোহেনি। ৪৬ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে। এক বল পর রানের খাতা খুলতে না পারা অ্যান্ডি ম্যাকব্রায়েনকেও বোল্ড করেন তাইজুল। ১৭৫ রানে সপ্তম উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড।
৭ উইকেট হারালেও অতিথিদের ফলোঅন এড়ানোর আশা বাঁচিয়ে রেখেছেন লোরকান টাকার ও জর্ডান নিল। ৫৬ রান নিয়ে দ্বিতীয় সেশনে ব্যাট করতে নামবেন টাকার। তাঁর সঙ্গী নিল করেছেন ২৪ রান। এর আগে জোড়া সেঞ্চুরিতে ৪৭৬ রানে থামে বাংলাদেশ। লিটন দাস ১২৮ ও মুশফিকুর রহিম করেন ১০৬ রান।

মোসেঙ্গো-ওম্বা বলেন, ‘মানুষ তাদের সব সমস্যা ভুলে লেপার্ডসদের পেছনে ছুটছে। কঙ্গো থেকে আসা মানেই ইবোলা নয়। কঙ্গো বিশাল একটি দেশ এবং আমরা এই রোগের সঙ্গে অনেকবার লড়েছি। বিশ্বের ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’
২ ঘণ্টা আগে
ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের পর বোলারদের র্যাঙ্কিংয়েও লেগেছে পরিবর্তনের হাওয়া। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিংয়ের সুবাদে বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম দুই ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ারসেরা ১১ নম্বরে উঠে এসেছেন। ক্যারিয়ারসেরা ৭৩২ রেটিং পয়েন্টে ওঠা বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম এগিয়েছেন দুই ধাপ। এর আগে তাঁর সর্বোচ্চ
৩ ঘণ্টা আগে
পঞ্চম বিশ্বকাপের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যা কিছু শিখেছি তা দলের মাঝে বিলিয়ে দিতে চাই যাতে আমরা শিরোপা জিততে পারি। গতবার আমি অত্যন্ত আবেগ ও উদ্দীপনা নিয়ে খেলেছিলাম, তবে এবার আমার ভেতরের জেদ ও চেতনা আরও তীব্র। আশা করি এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার জন্য সবাই প্রস্তুত।’
৪ ঘণ্টা আগে
মেডিকেল পরীক্ষার পর আজ বিকেল ৫টায় শুরু হবে ব্রাজিলের প্রথম অনুশীলন। দলের মূল খেলোয়াড়দের পাশাপাশি স্থানীয় ক্লাবগুলোর যুব দলের তিন তরুণ—ফ্লেমেঙ্গোর গোলরক্ষক লিও নানেত্তি, বোতাফোগোর ফেলিপে সুজা এবং ভাস্কোর ব্রুনো রিবেইরো এই ক্যাম্পে যুক্ত হচ্ছেন। লিও নানেত্তি বিশ্বকাপ জুড়েই দলের সঙ্গে অনুশীলনে থাকবেন।
৬ ঘণ্টা আগে