নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা ধীরেসুস্থে করে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হাসান তামিম টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ। লিটন দাসও তাড়াহুড়ো করেননি। থিতু হওয়ার জন্য দ্রুতই গিয়ার বদলান তিনি। তাঁর টানা দ্বিতীয় ফিফটিতে দাপুটে জয়ে এশিয়া কাপ শুরু করেছে বাংলাদেশ।
আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হারিয়েছে হংকংকে। ১৪৪ রানের লক্ষ্য ১৪ বল হাতে রেখে পেরিয়ে যান লিটন-হৃদয়রা। ১১ বছর আগে ঘরের মাঠে হংকংয়ের বিপক্ষে সেই হারের ক্ষতে কিছুটা হলেও প্রলেপ লাগিয়েছে এ জয়।
তাতে ওপেনাররা বড় অবদান রাখতে না পেরে কিছুটা অসন্তুষ্টই হবেন। পাওয়ার প্লের ভেতরই সাজঘরে ফেরেন তাঁরা। ইমন ১৪ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ১৯ রানে শিকার হন আয়ুশ শুক্লার। ১৮ বলে ১ চারে ১৪ রানে ফেরেন তানজিদ। এরপর হাল ধরেন লিটন ও হৃদয়। রানের পেছনে না ছুটে উইকেটে জমে যাওয়াই ছিল তাঁদের মন্ত্র।
১৩ ওভার পর্যন্ত দুজন রানিং বিটুইন দ্য উইকেটে বেশি জোর দিয়েছেন। তপ্ত কন্ডিশনে রানিং বিটুইন দ্য উইকেটে খেলতে গিয়ে ফিটনেসের বড় পরীক্ষা দিতে হয়েছে লিটন আর হৃদয়কে। তবে ১৪তম ওভার থেকে নিয়মিত দেখা মেলে লিটনের ঝলমলে স্ট্রোক-প্লে।
এশিয়া কাপের মঞ্চে আসার আগে ঘরের মাঠে নেদারল্যান্ডস সিরিজে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন লিটন। হয়েছিলেন সিরিজসেরা। সে ছন্দ তিনি টেনে এনেছেন মরুতে। হংকংয়ের বিপক্ষে করেছেন ১৪তম টি-টোয়েন্টি ফিফটি। টি-টোয়েন্টি সংস্করণে হওয়া এশিয়া কাপে প্রথম। ২০ ওভারের ক্রিকেটে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে (২,৪৪৪) ছাড়িয়ে তিনি হয়েছেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক (২৪৯৬)। এ ফরম্যাটে রানসংখ্যায় লিটনের সামনে শুধু সাকিব আল হাসান (২,৫৫১)। ম্যাচের সমাপ্তিরেখা ছোঁয়ার খানিক আগে আতিক ইকবালের বলে বোল্ড হওয়ার আগে লিটনের রান ৩৯ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৫৯। তাতে ভেঙেছে হৃদয়ের সঙ্গে ৭০ বলে ৯৫ রানের জুটি। একটি ছক্কায় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে (৭৭) টপকে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ছক্কার মালিক হয়েছেন লিটন।
বাংলাদেশ ১৪ বল আর ৭ উইকেট হাতে রেখে জিতলেও হৃদয়ের ৯৭.২২ স্ট্রাইক রেটে ৩৬ বলে ৩৫ রানের সতর্ক ইনিংসটাকে টি-টোয়েন্টিসুলভ বলা যায় না কিছুতেই। হয়তো লিটনের স্বচ্ছন্দ ব্যাটিং আর নিজে ফর্মে ফিরতে হৃদয় একটু ধীরলয়ে এগিয়েছেন।
হংকংয়ের বিপক্ষে যে বোলিং বাংলাদেশ করেছে, তাতে কি তাসকিন-মেহেদীদের ‘এ-প্লাস’ দেওয়া যায়? আফগানিস্তানের বিপক্ষে হংকং করতে পেরেছিল ৯ উইকেটে ৯৪ রান। সেখানে বাংলাদেশের বিপক্ষে তারা করেছে ৭ উইকেটে ১৪৩। দলের পেস বোলিংয়ের নেতা তাসকিন আহমেদ ২ উইকেট পেয়েছেন বটে, ওভারপ্রতি যে রান দিয়েছেন ৯.৫০! লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন ২ উইকেট পেলেও রান দিয়েছেন সাতের ওপরে। ব্যতিক্রম তানজিম সাকিব, তরুণ পেসারের বোলিং দেখে এসিসি তাদের অফিশিয়াল পেজে লিখেছে, ‘অপ্রতিরোধ্য’। তানজিম ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। ডটই দিয়েছেন ১৫টি। মোস্তাফিজুর রহমান উইকেটশূন্য থাকলেও নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছেন। হংকংয়ের মিডল অর্ডার বেশ চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে বাংলাদেশের বোলারদের। ৪০ পেরোনো দুটি জুটি তাদের হয়েছে তৃতীয় ও চতুর্থ উইকেটে।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা ধীরেসুস্থে করে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হাসান তামিম টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ। লিটন দাসও তাড়াহুড়ো করেননি। থিতু হওয়ার জন্য দ্রুতই গিয়ার বদলান তিনি। তাঁর টানা দ্বিতীয় ফিফটিতে দাপুটে জয়ে এশিয়া কাপ শুরু করেছে বাংলাদেশ।
আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হারিয়েছে হংকংকে। ১৪৪ রানের লক্ষ্য ১৪ বল হাতে রেখে পেরিয়ে যান লিটন-হৃদয়রা। ১১ বছর আগে ঘরের মাঠে হংকংয়ের বিপক্ষে সেই হারের ক্ষতে কিছুটা হলেও প্রলেপ লাগিয়েছে এ জয়।
তাতে ওপেনাররা বড় অবদান রাখতে না পেরে কিছুটা অসন্তুষ্টই হবেন। পাওয়ার প্লের ভেতরই সাজঘরে ফেরেন তাঁরা। ইমন ১৪ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ১৯ রানে শিকার হন আয়ুশ শুক্লার। ১৮ বলে ১ চারে ১৪ রানে ফেরেন তানজিদ। এরপর হাল ধরেন লিটন ও হৃদয়। রানের পেছনে না ছুটে উইকেটে জমে যাওয়াই ছিল তাঁদের মন্ত্র।
১৩ ওভার পর্যন্ত দুজন রানিং বিটুইন দ্য উইকেটে বেশি জোর দিয়েছেন। তপ্ত কন্ডিশনে রানিং বিটুইন দ্য উইকেটে খেলতে গিয়ে ফিটনেসের বড় পরীক্ষা দিতে হয়েছে লিটন আর হৃদয়কে। তবে ১৪তম ওভার থেকে নিয়মিত দেখা মেলে লিটনের ঝলমলে স্ট্রোক-প্লে।
এশিয়া কাপের মঞ্চে আসার আগে ঘরের মাঠে নেদারল্যান্ডস সিরিজে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন লিটন। হয়েছিলেন সিরিজসেরা। সে ছন্দ তিনি টেনে এনেছেন মরুতে। হংকংয়ের বিপক্ষে করেছেন ১৪তম টি-টোয়েন্টি ফিফটি। টি-টোয়েন্টি সংস্করণে হওয়া এশিয়া কাপে প্রথম। ২০ ওভারের ক্রিকেটে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে (২,৪৪৪) ছাড়িয়ে তিনি হয়েছেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক (২৪৯৬)। এ ফরম্যাটে রানসংখ্যায় লিটনের সামনে শুধু সাকিব আল হাসান (২,৫৫১)। ম্যাচের সমাপ্তিরেখা ছোঁয়ার খানিক আগে আতিক ইকবালের বলে বোল্ড হওয়ার আগে লিটনের রান ৩৯ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৫৯। তাতে ভেঙেছে হৃদয়ের সঙ্গে ৭০ বলে ৯৫ রানের জুটি। একটি ছক্কায় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে (৭৭) টপকে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ছক্কার মালিক হয়েছেন লিটন।
বাংলাদেশ ১৪ বল আর ৭ উইকেট হাতে রেখে জিতলেও হৃদয়ের ৯৭.২২ স্ট্রাইক রেটে ৩৬ বলে ৩৫ রানের সতর্ক ইনিংসটাকে টি-টোয়েন্টিসুলভ বলা যায় না কিছুতেই। হয়তো লিটনের স্বচ্ছন্দ ব্যাটিং আর নিজে ফর্মে ফিরতে হৃদয় একটু ধীরলয়ে এগিয়েছেন।
হংকংয়ের বিপক্ষে যে বোলিং বাংলাদেশ করেছে, তাতে কি তাসকিন-মেহেদীদের ‘এ-প্লাস’ দেওয়া যায়? আফগানিস্তানের বিপক্ষে হংকং করতে পেরেছিল ৯ উইকেটে ৯৪ রান। সেখানে বাংলাদেশের বিপক্ষে তারা করেছে ৭ উইকেটে ১৪৩। দলের পেস বোলিংয়ের নেতা তাসকিন আহমেদ ২ উইকেট পেয়েছেন বটে, ওভারপ্রতি যে রান দিয়েছেন ৯.৫০! লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন ২ উইকেট পেলেও রান দিয়েছেন সাতের ওপরে। ব্যতিক্রম তানজিম সাকিব, তরুণ পেসারের বোলিং দেখে এসিসি তাদের অফিশিয়াল পেজে লিখেছে, ‘অপ্রতিরোধ্য’। তানজিম ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। ডটই দিয়েছেন ১৫টি। মোস্তাফিজুর রহমান উইকেটশূন্য থাকলেও নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছেন। হংকংয়ের মিডল অর্ডার বেশ চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে বাংলাদেশের বোলারদের। ৪০ পেরোনো দুটি জুটি তাদের হয়েছে তৃতীয় ও চতুর্থ উইকেটে।

২৮ হাজার ১৬ আন্তর্জাতিক রান নিয়ে এত দিন কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের পরই অবস্থান ছিল কুমার সাঙ্গাকারার। সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক রানের দৌড়ে এবার শ্রীলঙ্কান সাঙ্গাকারাকে পেছনে ফেললেন বিরাট কোহলি। ভারতীয় এই ব্যাটিং গ্রেটের সামনে শুধুই টেন্ডুলকার, যাঁর আন্তর্জাতিক রান—৩৪ হাজার ৩৫৭।
৯ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালী এক্সপ্রেস দলে বাবা মোহাম্মদ নবির সঙ্গেই ছিলেন। একই হোটেলে থেকেছেন, দলীয় অনুশীলনে অংশ নিয়েছেন বাবার সঙ্গে। তবে এই বিপিএলে একটি ম্যাচও খেলা হয়নি তাঁর। আজ সিলেটে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচ শুরুর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর মাথায় পরিয়ে দেওয়া হলো ক্যাপ। সেটিও নিজ হাতে পরিয়ে দিলেন বাবা নবি। ওপেনিংয়ে দারুণ ঔ
৯ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বোস্টনে ঘাঁটি গড়বে ফ্রান্স। আর জার্মানির ঘাঁটি হবে নর্থ ক্যারোলাইনায়। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম দুই ফেবারিট ফ্রান্স ও জার্মানির এই অনুশীলন ক্যাম্পের কথা নিশ্চিত করেছে দুই দেশের ফুটবল ফেডারেশন।
১৩ ঘণ্টা আগে
মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেটীয় সম্পর্কে। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণ দেখিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতে না খেলতে আইসিসিকে চিঠি পাঠিয়েছে বিসিবি। যদিও আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। তবে এর মধ্যেই ক্রিকেটীয় কারণে ভারতে গিয়েছেন বাংলাদেশি আম্পায়ার শরফ
১৪ ঘণ্টা আগে