ক্রীড়া ডেস্ক

কেপটাউনে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে সিরিজে ধবলধোলাই করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সফরকারীদের দেওয়া ৫৮ রানের লক্ষ্য ৭.১ ওভারেই তাড়া করেছে স্বাগতিকেরা। শান মাসুদ-বাবর আজম দারুণ শুরু এনে দিলেও পরের ব্যাটাররা থিতু হয়ে ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলোঅনের পর অবশ্য ইনিংস ব্যবধানের হারের লজ্জা এড়িয়েছে তারা। সেঞ্চুরিয়নে প্রথম টেস্টে ২ উইকেটে জিতেছিল প্রোটিয়ারা। এবার ২-০ ব্যবধানে জিতল সিরিজ।
ফলোঅন পড়ার পর ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কা উঁকি দিচ্ছিল পাকিস্তানের সামনে। প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার ৬১৫ রানের জবাবে ১৯৪ রানে গুটিয়ে যায় তারা। ৪২১ রানে পিছিয়ে থেকেও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তান যেন প্রোটিয়াদের মনে করিয়ে দিচ্ছিল—তারা যে কতটা আনপ্রেডিক্টেবল। ওপেনিং জুটিতেই বাবর ও মাসুদ যোগ করেন ২০৫ রান। ১ উইকেটে ২১৩ রান থেকে আজ চতুর্থ দিন আবারও ব্যাটিংয়ে নামে পাকিস্তান।
আগের দিন সেঞ্চুরি করে অপরাজিত ছিলেন মাসুদ। আজ তিনি ফিরেছেন ১৪৫ রানে। ২৫১ বলের ইনিংসে ছিল ১৭টি চার। তারপর খুররম শেহজাদ ১৮, কামরান গুলাম ২৮, সৌদ শাকিল ২৩, মোহাম্মদ রিজওয়ান ৪১, সালমান আলী আগা ৪৮, আমের জামাল ৩৪ ও মির হামজার ব্যাট থেকে আসে ১৬ রান। একমাত্র শেষ ব্যাটার মোহাম্মদ আব্বাস রানের খাতা না খুলেই অপরাজিত থাকেন। সাইম আইয়ুব চোটে পড়ায় পাকিস্তান অবশ্য একজন ব্যাটার কম নিয়েই খেলেছে এই টেস্টে। তারপরও দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৭৮ রান তুলেছে পাকিস্তান। পুঁজি পায় ৫৭ রানের। দক্ষিণ আফ্রিকার কাগিসো রাবাদা ও কেশভ মহারাজ নিয়েছেন ৩টি করে উইকেট।
৫৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নামে রীতিমতো তাণ্ডব চালান দুই প্রোটিয়া ওপেনার ডেভিড বেডিংহাম ও এইডেন মার্করাম। বেডিংহাম ৩০ বলে ৪৪ ও ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন মার্করাম। জিততে লেগেছে তাদের ৭.১ ওভার। অর্থাৎ ওভারপ্রতি রান তুলছে ৮.০৯ হারে।

কেপটাউনে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে সিরিজে ধবলধোলাই করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সফরকারীদের দেওয়া ৫৮ রানের লক্ষ্য ৭.১ ওভারেই তাড়া করেছে স্বাগতিকেরা। শান মাসুদ-বাবর আজম দারুণ শুরু এনে দিলেও পরের ব্যাটাররা থিতু হয়ে ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলোঅনের পর অবশ্য ইনিংস ব্যবধানের হারের লজ্জা এড়িয়েছে তারা। সেঞ্চুরিয়নে প্রথম টেস্টে ২ উইকেটে জিতেছিল প্রোটিয়ারা। এবার ২-০ ব্যবধানে জিতল সিরিজ।
ফলোঅন পড়ার পর ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কা উঁকি দিচ্ছিল পাকিস্তানের সামনে। প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার ৬১৫ রানের জবাবে ১৯৪ রানে গুটিয়ে যায় তারা। ৪২১ রানে পিছিয়ে থেকেও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তান যেন প্রোটিয়াদের মনে করিয়ে দিচ্ছিল—তারা যে কতটা আনপ্রেডিক্টেবল। ওপেনিং জুটিতেই বাবর ও মাসুদ যোগ করেন ২০৫ রান। ১ উইকেটে ২১৩ রান থেকে আজ চতুর্থ দিন আবারও ব্যাটিংয়ে নামে পাকিস্তান।
আগের দিন সেঞ্চুরি করে অপরাজিত ছিলেন মাসুদ। আজ তিনি ফিরেছেন ১৪৫ রানে। ২৫১ বলের ইনিংসে ছিল ১৭টি চার। তারপর খুররম শেহজাদ ১৮, কামরান গুলাম ২৮, সৌদ শাকিল ২৩, মোহাম্মদ রিজওয়ান ৪১, সালমান আলী আগা ৪৮, আমের জামাল ৩৪ ও মির হামজার ব্যাট থেকে আসে ১৬ রান। একমাত্র শেষ ব্যাটার মোহাম্মদ আব্বাস রানের খাতা না খুলেই অপরাজিত থাকেন। সাইম আইয়ুব চোটে পড়ায় পাকিস্তান অবশ্য একজন ব্যাটার কম নিয়েই খেলেছে এই টেস্টে। তারপরও দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৭৮ রান তুলেছে পাকিস্তান। পুঁজি পায় ৫৭ রানের। দক্ষিণ আফ্রিকার কাগিসো রাবাদা ও কেশভ মহারাজ নিয়েছেন ৩টি করে উইকেট।
৫৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নামে রীতিমতো তাণ্ডব চালান দুই প্রোটিয়া ওপেনার ডেভিড বেডিংহাম ও এইডেন মার্করাম। বেডিংহাম ৩০ বলে ৪৪ ও ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন মার্করাম। জিততে লেগেছে তাদের ৭.১ ওভার। অর্থাৎ ওভারপ্রতি রান তুলছে ৮.০৯ হারে।

২৮ হাজার ১৬ আন্তর্জাতিক রান নিয়ে এত দিন কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের পরই অবস্থান ছিল কুমার সাঙ্গাকারার। সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক রানের দৌড়ে এবার শ্রীলঙ্কান সাঙ্গাকারাকে পেছনে ফেললেন বিরাট কোহলি। ভারতীয় এই ব্যাটিং গ্রেটের সামনে শুধুই টেন্ডুলকার, যাঁর আন্তর্জাতিক রান—৩৪ হাজার ৩৫৭।
১০ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালী এক্সপ্রেস দলে বাবা মোহাম্মদ নবির সঙ্গেই ছিলেন। একই হোটেলে থেকেছেন, দলীয় অনুশীলনে অংশ নিয়েছেন বাবার সঙ্গে। তবে এই বিপিএলে একটি ম্যাচও খেলা হয়নি তাঁর। আজ সিলেটে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচ শুরুর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর মাথায় পরিয়ে দেওয়া হলো ক্যাপ। সেটিও নিজ হাতে পরিয়ে দিলেন বাবা নবি। ওপেনিংয়ে দারুণ ঔ
১০ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বোস্টনে ঘাঁটি গড়বে ফ্রান্স। আর জার্মানির ঘাঁটি হবে নর্থ ক্যারোলাইনায়। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম দুই ফেবারিট ফ্রান্স ও জার্মানির এই অনুশীলন ক্যাম্পের কথা নিশ্চিত করেছে দুই দেশের ফুটবল ফেডারেশন।
১৫ ঘণ্টা আগে
মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেটীয় সম্পর্কে। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণ দেখিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতে না খেলতে আইসিসিকে চিঠি পাঠিয়েছে বিসিবি। যদিও আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। তবে এর মধ্যেই ক্রিকেটীয় কারণে ভারতে গিয়েছেন বাংলাদেশি আম্পায়ার শরফ
১৫ ঘণ্টা আগে