
নিঃসঙ্গ শেরপার মতো লড়ে গেছেন তাওহীদ হৃদয়। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডের বোলিংয়ে যখন বাংলাদেশের ব্যাটাররা হাবুডুবু খাচ্ছিলেন, হৃদয় শুধু ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে তিনি জানালেন তাঁর আক্ষেপের কথা।
সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আয়ারল্যান্ডের দেওয়া ১৮২ রানের লক্ষ্যে নেমে ১২.৫ ওভারে ৮ উইকেটে ৭৪ রানে পরিণত হয় বাংলাদেশ। এমন অবস্থায় ১০০ রানের ব্যবধানে হার মনে হচ্ছিল সময়ের ব্যাপার। তখন নবম উইকেটে শরীফুল ইসলামের সঙ্গে ৩১ বলে ৪৮ রানের জুটি গড়তে অবদান রাখেন হৃদয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৪২ রানে থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। পাঁচ নম্বরে নামা হৃদয় ৫০ বলে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৩ রান করে অপরাজিত থাকেন।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস হৃদয় খেললেও সেটা দলের হারের ব্যবধানই কমাতে পেরেছেন। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি যখন আসেন, তাঁর কাছে প্রশ্ন এসেছে, পাঁচ নম্বরের আগে কি তাঁর ব্যাটিংয়ের সুযোগ আছে? ২৪ বছর বয়সী এই মিডল অর্ডার ব্যাটার বলেন, ‘আরও ওপরে খেললে যে ভালো হবে, আমার কাছে সেটা মনে হয় না। ওপরে খেলার মতো এখন আসলে দলে তো জায়গা নেই। আপনারাও হয়তো অনেকে ভাবেন আমি দলেই থাকার মতো না।’
২০২৩ সাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৫৫ ম্যাচ খেলেছেন। ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছেন ৫০ ইনিংস। এর মধ্যে ৩৪ ইনিংসে তিনি ব্যাটিং করেছেন চার নম্বরে। তিন নম্বরে খেলেছেন তিন ইনিংসে। হৃদয় জানিয়েছেন, ব্যাটিং অর্ডারে তাঁকে যেখানে সুযোগ দেওয়া হবে, তিনি তাঁর সর্বোচ্চটা দেবেন। আয়ারল্যান্ডের কাছে গতকাল ৩৯ রানে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে হৃদয় বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ যেখানে আছি ভালো আছি। যখন যেখানে সুযোগ পাই, ভালো করার চেষ্টা করি। এগুলো নিয়ে আফসোসের কিছু নেই।’
ভালো পারফরম্যান্স করলে যেমন মেলে প্রশংসা, তেমনি বাজে পারফরম্যান্সে সমালোচনার তির ধেয়ে আসে ক্রিকেটারদের দিকে। হৃদয়ের মতে গঠনমূলক সমালোচনা করলে ক্রিকেটারদের কাছ থেকে ইতিবাচক কিছু পাওয়া যেতে পারে। প্রথম টি-টোয়েন্টি শেষে সংবাদ সম্মেলনে ২৪ বছর বয়সী বাংলাদেশি এই ক্রিকেটার বলেন, ‘আপনার জায়গা থেকে আপনি সমালোচনা করবেন, এটা স্বাভাবিক। এটা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। যত ইচ্ছা সমালোচনা করেন, আপনাদের সেই অধিকার আছে। আমি চাই আপনারা সেটা করেন। এখান থেকে ২-১টা ইতিবাচক জিনিসও হতে পারে। আমার অনুরোধ যুক্তি দিয়ে সমালোচনা করেন।’
শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস, আফগানিস্তান—টানা চার টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাংলাদেশ জিতেছিল। টি-টোয়েন্টি সংস্করণে দারুণ খেলতে থাকা বাংলাদেশ হঠাৎই পা হড়কাল। চট্টগ্রামে গত মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই হয়েছে বাংলাদেশ। আয়ারল্যান্ডের কাছেও এবার সিরিজ হারের শঙ্কায় লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ। আগামীকাল সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড। তৃতীয় টি-টোয়েন্টি হবে ২ ডিসেম্বর। দুটি ম্যাচই হবে চট্টগ্রামে।

ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
১ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট হেরে কোণঠাসা অবস্থায় অস্ট্রেলিয়া। প্যাট কামিন্সের দল এখন হোয়াইটওয়াশের আশঙ্কায়। শুধু তা-ই নয়, বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট হারলে প্রভাব পড়বে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ওপরও। ক্যামেরন গ্রিন যেন সেটাই বোঝাতে চাইলেন।
৩ ঘণ্টা আগে