
আয়ারল্যান্ড সিরিজে মোহাম্মদ আশরাফুলের ব্যাটিং কোচ হওয়া নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন রুবেল হোসেন। সেই কটাক্ষের জবাব দিলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক। এসব নিয়ে চিন্তিত নন তিনি।
চলতি মাসে নিজেদের মাঠে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। আসন্ন সিরিজে লিটন দাস, মুশফিকুর রহিমদের ব্যাটিং কোচ হিসেবে সম্প্রতি আশরাফুলের নাম ঘোষণা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুটি পোস্টের মাধ্যমে আশরাফুলকে কটাক্ষ করেন রুবেল।
নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে পেজে রুবেল লেখেন, ‘দায় মুক্ত হলো ক্রিকেট বোর্ড।’ আশরাফুলকে ইঙ্গিত করে তাঁর আরেকটি পোস্ট ছিল এমন, ‘যে মাঠ একসময় বিশ্বাস হারিয়েছে, সেই মাঠেই আবার শিক্ষা দিতে আসা, জীবনটা আসলেই সিনেমা। সময় সত্যিই অদ্ভুত! যাদের একসময় উদাহরণ হিসেবে বাদ দেওয়া হয়েছিল, আজ তারা উদাহরণ দিতে এসেছে। শুনুন, নামের পাশে ‘কোচ’ লেখা মানে দায়িত্ব, গর্ব না।’ আশরাফুলকে নিয়ে পোস্ট করে তোপের মুখে পড়েন রুবেল। কমেন্ট বক্সে তাঁকে ধুয়ে দেয় সাধারণ মানুষ।
আজ বিসিবি অফিসে আসেন আশরাফুল। এরপর সংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘যার যার ব্যক্তিগত মতামত দিতেই পারে। এটা নিয়ে আমার বলার কিছুই নেই। সে আমার অধীনে খেলেছে। আমি তখন অধিনায়ক ছিলাম। সে মানুষ হিসেবেও ভালো। ওর মন্তব্য নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। আপনি যেটাই করতে যান না কেন, চাপ থাকবেই। ভালো ফলাফলের জন্য কাজ করতে গেলে আপনাকে চাপ সহ্য করতেই হবে।’
ক্রিকেট ক্যারিয়ারে কালো অধ্যায় পার করে এসেছেন আশরাফুল। সে চাপের কাছে কোচ হওয়ার পর রুবেলের এমন মন্তব্য খুবই ছোট মনে হচ্ছে তাঁর কাছে, ‘আমি যেহেতু ১৩ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছি, তাই অনেক চাপ সহ্য করার অভিজ্ঞতা আছে আমার। আমার লাইফে যে ঘটনা ঘটেছিল, সেটা থেকেও কিন্তু ফিরে এসেছি। তাই এটা নিয়ে আসলে আমি এত চিন্তিত না। আমি যেটাই করি, অনেস্টলি করার চেষ্টা করি। আমার শতভাগ দেওয়ার চেষ্টা করি। এবারও সেটাই চেষ্টা করব।’

ঘানা দলকে নিয়ে কিছু বলতে গেলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ২০১০ বিশ্বকাপ। ভেসে ওঠে উরুগুয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আসামোয়া জিয়ান, কেভিন-প্রিন্স বোয়াটেংদের কান্নাভেজা বিদায়। নক আউটের সেই ম্যাচে যদি গোললাইন থেকে হাত দিয়ে বল না ফেরাতেন লুইস সুয়ারেজ, তাহলে তো আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবেই ঘানা উঠে যেত বিশ্বকাপে
৩৩ মিনিট আগে
১৫ বছর বয়সেই বিশ্ব ক্রিকেট আলোড়ন তৈরি করেছেন বৈভব সূর্যবংশী। বাঘা বাঘা সব বোলারদের পিটিয়ে এরই মধ্যে পেয়েছেন সময়ের অন্যতম সেরা মারকুটে ব্যাটারের খেতাব। অনুমিতভাবেই এই কিশোর ক্রিকেটারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভারতীয়রা। এমনকি পাকিস্তানেও চলছে সূর্যবংশী বন্দনা।
১ ঘণ্টা আগে
টস হেরে আগে ব্যাটিং পেয়ে নিউজিল্যান্ড তাণ্ডব চালাচ্ছিল বাংলাদেশের ওপর। অধিনায়ক লিটন দাস একের পর এক বোলার পরিবর্তন করেও সফল হচ্ছিলেন না। তবে ম্যাচের শেষ দিকে এসে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের স্কোর যেখানে চোখ বন্ধ করে ২০০ পার হওয়ার কথা ছিল, তা আর হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের ৯৯তম বলে হঠাৎ করে খেলা থামিয়ে দিলেন আম্পায়াররা। আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির কোনো ছিঁটেফোটা ছিল না।
২ ঘণ্টা আগে