
যেখানে শুরুর কথা বলার আগেই শেষ—ধর্মশালায় আজ ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা তৃতীয় টি-টোয়েন্টি দেখে অনেকের এই গান মনে আসতেই পারে। দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইনআপ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ায় সেখানেই ম্যাচের ফল সম্পর্কে অনেকটা ধারণা পাওয়া যায়। ভারত ম্যাচটা এরপর জিতে গেল হেসেখেলেই।
ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত—টি-টোয়েন্টি সিরিজে ম্যাচগুলোতে এভাবেই পর্যায়ক্রমে আসছে ফল। সমানে সমানে লড়াই হলেও ম্যাচগুলো হচ্ছে একপেশে। ৯ ডিসেম্বর সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১০১ রানে হারিয়েছে ভারত। প্রোটিয়াদের ঘুরে দাঁড়াতেও বেশি সময় লাগেনি। ১১ ডিসেম্বর নিউ চন্ডীগড়ে ভারতকে ৫১ রানে হারিয়ে সমতায় ফেরেন প্রোটিয়ারা। আজ ধর্মশালার হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ২৫ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছে ভারত।
১১৮ রানের লক্ষ্যে নেমে শুরু থেকেই মারমুখী ব্যাটিং করতে থাকে ভারত। ৩২ বলে ৬০ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়তে অবদান রাখেন শুবমান গিল ও অভিষেক শর্মা। ষষ্ঠ ওভারের দ্বিতীয় বলে অভিষেককে ফিরিয়ে বিস্ফোরক এই জুটি ভাঙেন করবিন বশ। ১৮ বলে তিনটি করে চার ও ছক্কায় ৩৫ রান করেন অভিষেক। বিস্ফোরক এই ওপেনার ফেরার পরও ভারতের জয় নিয়ে কোনো সংশয় তৈরি হয়নি। দ্বিতীয় উইকেটে ৩৮ বলে ৩২ রানের জুটি গড়েন গিল ও তিলক ভার্মা। ১২তম ওভারের চতুর্থ বলে গিলকে (২৮) বোল্ড করে জুটি ভাঙেন মার্কো ইয়ানসেন।
গিলের বিদায়ের পর অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ম্যাচটা প্রায় শেষ করেই এসেছিলেন। তবে ভারতের জয়ের জন্য যখন ৯ রান প্রয়োজন, তখন লুঙ্গি এনগিদির বলে ফেরেন সূর্যকুমার (১২)। তাতে ভারতের স্কোর হয়ে যায় ১৪.৪ ওভারে ৩ উইকেটে ১০৯ রান। তুলির শেষ আঁচড় এরপর দিয়েছেন শিবম দুবে। ১৬তম ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে ওটনিল বার্টম্যানকে ছক্কা ও চার মেরে ভারতকে ৭ উইকেটের জয় এনে দেন দুবে।
টস হেরে আগে ব্যাটিং পাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা পুরো ২০ ওভার খেলে ১১৭ রানে গুটিয়ে গেছে। অধিনায়ক এইডেন মার্করামের ৪৬ বলে ৬১ রানের ইনিংস ছাড়া বলার মতো কিছু নেই প্রোটিয়াদের ইনিংসে। ভারতের আর্শদীপ সিং, হারশিত রানা, বরুণ চক্রবর্তী ও কুলদীপ যাদব নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন শিবম দুবে ও হার্দিক পান্ডিয়া। ৪ ওভারে ১৩ রানে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন আর্শদীপ।

২৬৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানের শুরুটা ভালো হয়নি। ইমাম ইল হককে হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়েছে সফরকারীরা। এই চাপ সামলে ঢাকা টেস্ট জিততে হলে শেরেবাংলায় নতুন রেকর্ড গড়তে হবে শান মাসুদের দলকে।
১ ঘণ্টা আগে
শেষ দিকে নোমান আলীর ঘূর্ণিতে অলআউট হওয়ার শঙ্কা জেগেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা হয়নি। ২৪০ রানে ৯ উইকেট হারালে ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকেরা। তাই ঢাকা টেস্ট জিততে হলে পাকিস্তানকে করতে হবে ২৬৮ রান।
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকা টেস্টের দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরির সুযোগ ছিল নাজমুল হোসেন শান্তর সামনে। কিন্তু অতি অভিজাত শট খেলতে গিয়ে সেই সুযোগ হাতছাড়া করলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরির খুব কাছ থেকে ফিরেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৪১৩ রানের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান নাজমুল হোসেন শান্ত। দারুণ এক সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে গেছেন অধিনায়ক। তাঁর ব্যাটে লিড বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ।
৩ ঘণ্টা আগে