নাঈম শেখের ট্রিপল সেঞ্চুরির আক্ষেপ, রবিনের ডাবল সেঞ্চুরি

জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) চতুর্থ রাউন্ডের প্রথম দিনই সেঞ্চুরি করেছিলেন নাঈম শেখ, মাহফিজুল ইসলাম রবিন। আজ দ্বিতীয় দিনে ডাবল সেঞ্চুরি পেয়েছেন দুজনই। কিন্তু নাঈম নতুন এক মাইলফলকের কাছাকাছি গিয়েও ফিরে এসেছেন।
নাঈম, রবিনের জোড়া ডাবল সেঞ্চুরির দিনে স্ব স্ব দল ভালো অবস্থানেই আছে। নাঈম ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন ঢাকার হয়ে। ময়মনসিংহ দলে খেলছেন রবিন। তাঁদের ডাবল সেঞ্চুরির দিন তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন সিলেটের অধিনায়ক জাকির হাসানও। খুলনার বিপক্ষে তিনিও ডাবল সেঞ্চুরির অপেক্ষায় আছেন।
রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে আজ দ্বিতীয় দিনে প্রথম ইনিংসে ৮৪.১ ওভারে ৩ উইকেটে ২৮৩ রান থেকে শুরু করে ঢাকা। স্বাগতিক রাজশাহীর বিপক্ষে ১৭১ রানে থাকা নাঈম ২০০ ছুঁয়ে এগোতে থাকেন তিনশর দিকেও। কিন্তু তা আর সম্ভব হয়নি। ৩৬৯ বলে ২১ চার ও ৭ ছক্কায় ২৮২ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। ঢাকা গুটিয়ে যায় ৫২১ রানে।
সেঞ্চুরি পেয়েছেন ঢাকার অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনও। ২৮৯ বলে ১৪ চার ও ৮ ছক্কায় করেন ১৬৫ রান। তিনি একই সঙ্গে দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটারও। জবাবে রাজশাহী প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটে ১০৩ রানে শেষ করেছে দ্বিতীয় দিনের খেলা। রাজশাহীর সাব্বির রহমান ৫৪ বলে ৫৪ রান করেছেন। ঢাকার সুমন খান পেয়েছেন ৩ উইকেট।
প্রথম ইনিংসে ৮৭ ওভারে ৪ উইকেটে ২৯৯ রানে আজ দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে ময়মনসিংহ। রবিন ৩৫১ বলে ২০ চার ও ২ ছক্কায় ২১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। বগুড়ায় চট্টগ্রামের বিপক্ষে ৭ উইকেটে ৪৬৫ রানে ইনিংস ঘোষণা করে। জবাবে চট্টগ্রাম ২ উইকেটে ১৩৪ রানে দিনের খেলা শেষ করে।
এদিকে কক্সবাজারে গতকাল সিলেট-খুলনা ম্যাচের প্রথম দিনের খেলাই হয়নি। আজ ৮৪ ওভারে ২ উইকেটে ২৮০ রানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করে সিলেট। অধিনায়ক জাকির হাসান ১৬০ রানে অপরাজিত। ২৪২ বলের ইনিংসে ১৫ চার ও ৪ ছক্কা মেরেছেন। খুলনা। থেকে শুরু করে ঢাকা।
রংপুর-বরিশাল ম্যাচে অবশ্য কোনো সেঞ্চুরি হয়নি। সিলেটে আজ প্রথম ইনিংসে ৮০ ওভারে ৫ উইকেটে ৩২০ রানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে রংপুর। তবে দ্বিতীয় দিনে কেবল ৮২ রান যোগ করতে পারে দলটি। রংপুর গুটিয়ে যায় ৪০২ রানে। সর্বোচ্চ ৭৯ রান করেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২ রান আসে দলের ওপেনার মিম মোসাদ্দেকের ব্যাটে।
বরিশালের অধিনায়ক ইফতিখার হোসেন ইফতি, কামরুল ইসলাম, রুয়েল মিয়া দুটি করে উইকেট পেয়েছেন। ব্যাটিংয়ে ইফতি ৩৩ রান করে রানআউটের শিকার হয়েছেন। ওপেনার রাফসান আল মাহমুদ ৮৯ রান করে আউট হয়েছেন। ৫৬.১ ওভারে ৩ উইকেটে ১৭৯ রানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করে বরিশাল।









