নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

যে ওয়ানডে সংস্করণে বাংলাদেশ এক সময়ে বলে কয়ে হারাত, সাম্প্রতিক সময়ের পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে সেটার পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যাবে না। ২০২৪-এর নভেম্বর থেকে এ বছরের অক্টোবর পর্যন্ত টানা চারটি ওয়ানডে সিরিজ হেরেছিল বাংলাদেশ। অবশেষে মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বে সাদা বলের এই সংস্করণে বাংলাদেশ পেল সিরিজ জয়ের স্বাদ।
মিরপুরে গতকাল সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ১৭৯ রানে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় মিরাজের জন্য অনেক বড় একটা স্বস্তির। কারণ, ব্যাটে-বলে তাঁর পারফরম্যান্স থাকলেও ‘ক্যাপ্টেন লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট’ হয়ে উঠতে পারেননি। গতকালের উইন্ডিজ ম্যাচসহ বাংলাদেশ তাঁর নেতৃত্বে খেলেছে ১৩ ওয়ানডে। জিতেছে ৫ ম্যাচ ও হেরেছে ৮ ম্যাচ। তবু উইন্ডিজ সিরিজ জয়ের পরও মিরাজ সন্তুষ্ট নয়। কারণ, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করতে পারলে বাংলাদেশ ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বরে উঠত। কিন্তু সেটা না হওয়ায় মিরাজের দল ১০ নম্বরে আছে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে গতকাল হারানোর পর আইসিসির হালনাগাদ করা ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে দেখা যায়, ৭৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ ১০ নম্বরে অবস্থান করছে। ৯ নম্বরে থাকা উইন্ডিজের রেটিং পয়েন্ট ৭৯। এদিকে পরবর্তী ওয়ানডে বিশ্বকাপে (২০২৭) সরাসরি খেলতে হলে ২০২৭-এর ৩১ মার্চের মধ্যে র্যাঙ্কিংয়ে সেরা নয়ে থাকতে হবে। কারণ, ৯৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা অবস্থান করছে ৬ নম্বরে। মিরপুরে গতকাল ১৭৯ রানে জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে মিরাজ বলেন, ‘র্যাঙ্কিংয়ের ১০ নম্বরে থাকায় সন্তুষ্ট না। সামনে আমাদের বিশ্বকাপ আছে। সেখানে মূলপর্বে উঠতে হবে। সেরা ৮ দল খেলবে বিশ্বকাপে। এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি। আমাদের লক্ষ্য সেরা আটের মধ্যে থেকে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলা।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজটা রিশাদ হোসেনের জন্য কেটেছে স্বপ্নের মতো। প্রথম দুই ওয়ানডেতে তাঁর শেষের দিকে ক্যামিও ইনিংসের কারণেই বাংলাদেশ ২০০ পেরিয়েছিল। পাশাপাশি তাঁর স্পিন ভেলকি তো রয়েছেই। লেগস্পিন জাদুতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে সর্বোচ্চ ১২ উইকেট নিয়েছেন তিনি। বোলিং করেছেন ৪.৬৭ ইকোনমি। রিশাদের মতো ক্রিকেটার থাকলে দল অনেক উপকৃত হয় বলে মনে করেন মিরাজ। সংবাদ সম্মেলনে রিশাদকে নিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘রিশাদ গত ২-৩ বছরে যেভাবে বোলিং করে একটা জায়গায় এসেছে, সেটা আমাদের জন্য আশীর্বাদ মনে করি। যাঁরা কোচ আছেন, তাঁদের কৃতিত্ব দেব।’
রিশাদের প্রশংসায় বরাবরই পঞ্চমুখ বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে রিশাদকে তিনি (মুশতাক)
তুলনা করেছিলেন রশিদ খানের সঙ্গে। রিশাদ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ১২ উইকেট নিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী। ২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে তিন ওয়ানডে মিলে ১২ উইকেট নিয়েছিলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। এই তালিকায় সবার ওপরে মোস্তাফিজুর রহমান। ২০১৫ সালে ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে মোস্তাফিজ ১৩ উইকেট পেয়েছিলেন।

যে ওয়ানডে সংস্করণে বাংলাদেশ এক সময়ে বলে কয়ে হারাত, সাম্প্রতিক সময়ের পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে সেটার পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যাবে না। ২০২৪-এর নভেম্বর থেকে এ বছরের অক্টোবর পর্যন্ত টানা চারটি ওয়ানডে সিরিজ হেরেছিল বাংলাদেশ। অবশেষে মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বে সাদা বলের এই সংস্করণে বাংলাদেশ পেল সিরিজ জয়ের স্বাদ।
মিরপুরে গতকাল সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ১৭৯ রানে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় মিরাজের জন্য অনেক বড় একটা স্বস্তির। কারণ, ব্যাটে-বলে তাঁর পারফরম্যান্স থাকলেও ‘ক্যাপ্টেন লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট’ হয়ে উঠতে পারেননি। গতকালের উইন্ডিজ ম্যাচসহ বাংলাদেশ তাঁর নেতৃত্বে খেলেছে ১৩ ওয়ানডে। জিতেছে ৫ ম্যাচ ও হেরেছে ৮ ম্যাচ। তবু উইন্ডিজ সিরিজ জয়ের পরও মিরাজ সন্তুষ্ট নয়। কারণ, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করতে পারলে বাংলাদেশ ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বরে উঠত। কিন্তু সেটা না হওয়ায় মিরাজের দল ১০ নম্বরে আছে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে গতকাল হারানোর পর আইসিসির হালনাগাদ করা ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে দেখা যায়, ৭৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ ১০ নম্বরে অবস্থান করছে। ৯ নম্বরে থাকা উইন্ডিজের রেটিং পয়েন্ট ৭৯। এদিকে পরবর্তী ওয়ানডে বিশ্বকাপে (২০২৭) সরাসরি খেলতে হলে ২০২৭-এর ৩১ মার্চের মধ্যে র্যাঙ্কিংয়ে সেরা নয়ে থাকতে হবে। কারণ, ৯৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা অবস্থান করছে ৬ নম্বরে। মিরপুরে গতকাল ১৭৯ রানে জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে মিরাজ বলেন, ‘র্যাঙ্কিংয়ের ১০ নম্বরে থাকায় সন্তুষ্ট না। সামনে আমাদের বিশ্বকাপ আছে। সেখানে মূলপর্বে উঠতে হবে। সেরা ৮ দল খেলবে বিশ্বকাপে। এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি। আমাদের লক্ষ্য সেরা আটের মধ্যে থেকে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলা।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজটা রিশাদ হোসেনের জন্য কেটেছে স্বপ্নের মতো। প্রথম দুই ওয়ানডেতে তাঁর শেষের দিকে ক্যামিও ইনিংসের কারণেই বাংলাদেশ ২০০ পেরিয়েছিল। পাশাপাশি তাঁর স্পিন ভেলকি তো রয়েছেই। লেগস্পিন জাদুতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে সর্বোচ্চ ১২ উইকেট নিয়েছেন তিনি। বোলিং করেছেন ৪.৬৭ ইকোনমি। রিশাদের মতো ক্রিকেটার থাকলে দল অনেক উপকৃত হয় বলে মনে করেন মিরাজ। সংবাদ সম্মেলনে রিশাদকে নিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘রিশাদ গত ২-৩ বছরে যেভাবে বোলিং করে একটা জায়গায় এসেছে, সেটা আমাদের জন্য আশীর্বাদ মনে করি। যাঁরা কোচ আছেন, তাঁদের কৃতিত্ব দেব।’
রিশাদের প্রশংসায় বরাবরই পঞ্চমুখ বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে রিশাদকে তিনি (মুশতাক)
তুলনা করেছিলেন রশিদ খানের সঙ্গে। রিশাদ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ১২ উইকেট নিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী। ২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে তিন ওয়ানডে মিলে ১২ উইকেট নিয়েছিলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। এই তালিকায় সবার ওপরে মোস্তাফিজুর রহমান। ২০১৫ সালে ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে মোস্তাফিজ ১৩ উইকেট পেয়েছিলেন।

মোস্তাফিজুর রহমান ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) দল থেকে বাদ পড়ার ঘটনায় সমালোচনার ঝড় যেন থামছেই না। বিষয়টি নিয়ে এখন দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে দেশের ক্রিকেটেই। যেখানে জড়িয়েছে বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক এবং দেশের ইতিহাসের সেরা ব্যাটারদের একজন তামিম ইকবালের নাম।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর চাপের মুখে পড়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে মোস্তাফিজুর রহমানকে। বিষয়টি নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে উত্তেজনা চলছে ক্রিকেটবিশ্বে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল হক মনে করেন, মোস্তাফিজের জায়গায় লিটন দাস কিংবা সৌম্
২ ঘণ্টা আগে
পার্থ স্করচার্সের পর সিডনি থান্ডারের বিপক্ষে উইকেটের দেখা পাননি রিশাদ হোসেন। টানা দুই ম্যাচ উইকেটশূন্য থাকার পর অ্যাডিলেড স্টাইকার্সের বিপক্ষে বল হাতে নিজের সেরাটাই দিলেন এই লেগস্পিনার। দুর্দান্ত বোলিংয়ে আজ ৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন তিনি। এমন বোলিংয়ের পর হোবার্ট হারিকেন্সের অধিনায়ক নাথান এলিসের প্রশংসা ক
২ ঘণ্টা আগে
১২৯ রানের লক্ষ্য বর্তমান টি-টোয়েন্টির বিচারে আহামরি কিছু নয়। তবে কখনো কখনো বোলাররা এতটাই দাপট দেখান যে ব্যাটারদের রান করতে রীতিমতো নাভিশ্বাস উঠে যায়। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম রয়্যালস-রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ম্যাচটা হয়েছে এমনই। পেন্ডুলামের মতো দুলতে থাকা ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছে চট্টগ্রাম।
৩ ঘণ্টা আগে