
স্কটল্যান্ডের কাছে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা যেন ‘কোটি টাকার লটারির টিকিট’ জেতার চেয়েও বড় কিছু। বাছাইপর্বের বাধা টপকাতে না পারায় প্রথমে বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে পারেনি স্কটিশরা। তবে বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ায় সুযোগ মিলেছে স্কটল্যান্ড। জানুয়ারি মাস যে কী একটা দোলাচলের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল, সেই গল্প শোনালেন এক স্কটিশ ক্রিকেটার।
৩ জানুয়ারি মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্স বাদ দেওয়ার পরই নিরাপত্তাইস্যু নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে অনেক অনুরোধ করেছিল আইসিসি। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে যখন ঘোর অনিশ্চয়তা, তখন ক্রিকইনফোসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাদের (বাংলাদেশ) পরিবর্তে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের খেলা নিয়ে প্রকাশিত হয় বিভিন্ন খবর। শেষ পর্যন্ত বিসিবি-আইসিসি যার যার সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা হয়নি। তাদের পরিবর্তে সুযোগ পেয়ে যায় স্কটিশরা।
স্কটল্যান্ডের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তার সেই মুহূর্তের গল্প শোনালেন ফিনলে ম্যাকগ্রিথ। বেঙ্গালুরু থেকে বার্তা সংস্থা আইএএনএসের সঙ্গে ভার্চুয়াল আলাপচারিতায় তিনি বলেন, ‘অবশ্যই একটা আবেগের ব্যাপার ছিল। অনেক অনিশ্চয়তার বিষয় ছিল তখন। সামাজিক মাধ্যমে সে সময় নানা রকম গুঞ্জন চাউর হয়েছিল। সে সময় কী চলছিল, আমরা আসলে বুঝতে পারছিলাম না। তবে আমি যতটা সম্ভব, শান্ত থাকার চেষ্টা করেছি। বেশি কিছু আশা করিনি।’
নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেয়নি সরকার। ভারতে ভ্রমণ না করার সরকারি এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে ২২ জানুয়ারি। পরবর্তীতে ২৪ জানুয়ারি স্কটল্যান্ডকে নিয়ে বিশ্বকাপের নতুন সূচি ঘোষণা করেছে আইসিসি। শুধু ম্যাকগ্রিথই নয়, বিশ্বকাপে যাওয়ার মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল পুরো স্কটল্যান্ড দল। স্কটিশ এই ব্যাটার বলেন, ‘আমরা সে সময় অনুশীলন করছিলাম। নিজেদের মানসিকভাবে প্রস্তুত রেখেছিলাম। যদি যাওয়ার ঘোষণা আসে, সে ক্ষেত্রে অবশ্যই বিশ্বকাপে যাব। পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে, তা ঠান্ডা মাথায় পর্যবেক্ষণ করছিলাম। আমি সে সময় বাড়িতেই ছিলাম। আমাদের কাছে একটা বার্তা এল যে বিশ্বকাপে আমরা খেলতে যাচ্ছি।’
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ শেষ মুহূর্তে নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ায় স্কটল্যান্ড সুযোগ পেয়েছে। আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে স্কটল্যান্ড এখন ১৪ নম্বরে অবস্থান করছে। ক্রিকেট স্কটল্যান্ড ২৬ জানুয়ারি রিচি বেরিংটনকে অধিনায়ক করে বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে। মূল সদস্যের সঙ্গে দুইজন ট্রাভেলিং রিজার্ভ ও তিনজন নন-ট্রাভেলিং রিজার্ভ নিয়েছে স্কটল্যান্ড। আফগান বংশোদ্ভূত পেসার জাইনুল্লাহ ইহসান স্কটল্যান্ডের বয়সভিত্তিক দলে নিয়মিত খেললেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনো খেলেননি।
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ‘সি’ গ্রুপে স্কটল্যান্ডের প্রতিপক্ষ ইতালি, ইংল্যান্ড, নেপাল এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্বকাপ শুরুর দিনই কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলবে স্কটল্যান্ড। ৯ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতাতেই ইতালি ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে স্কটল্যান্ড। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ১৭ ফেব্রুয়ারি নেপালের বিপক্ষে খেলবে স্কটিশরা।

আজ শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। চাইলে এটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত বিশ্বকাপও বলতে পারেন। ২০০৭ সালে শুরু হওয়া এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বরাবরই খেলে এসেছে বাংলাদেশ। এবারও সরাসরি জায়গা করে নিয়েছিলেন লিটন-মোস্তাফিজরা। কিন্তু বাংলাদেশকে ছাড়াই শুরু হচ্ছে এই বিশ্বকাপ।
১ ঘণ্টা আগে
মাঠের পারফরম্যান্সে ভারত-পাকিস্তান তেমন একটা লড়াই দেখা যায় না বললেই চলে। তবে ‘হাইভোল্টেজ ম্যাচ’ নামে পরিচিত এই ম্যাচ আলোচনায় আসে অন্যান্য ঘটনায়। ভক্ত-সমর্থকেরা যে আশায় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট কাটেন, সেরকম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ তাঁরা উপভোগ করতে পারেন না। ইরফান পাঠানের মতে মাঠে ভারতকে
৬ ঘণ্টা আগে
নিজেদের প্রথম ম্যাচে ধূমকেতুর হয়ে ফিফটি করেছিলেন জাতীয় দলের দুই ক্রিকেটার লিটন দাস ও সাইফ হাসান। তাঁদের ফিফটিতে জাতীয় দলের আদলে গড়া ধূমকেতু সহজ জয় পেয়েছিল দুরন্তর বিপক্ষে।
৭ ঘণ্টা আগে
ক্যালেব ফ্যালকনার লড়ে গেলেন নিঃসঙ্গ শেরপার মতো। একপ্রান্তে ঝড় তুললেও সতীর্থদের কাছ থেকে তেমন সহায়তা পাননি। পাঁচ নম্বরে নামা এই ব্যাটার যখন ইংল্যান্ডের শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার পর ভারত তখন উল্লাসে ব্যস্ত। ষষ্ঠবারের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের আনন্দের উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে
৮ ঘণ্টা আগে