Ajker Patrika

বিশ্বকাপের এই পদ্ধতি নিয়ে সমালোচকদের ধুয়ে দিলেন গাভাস্কার

ক্রীড়া ডেস্ক    
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭: ৫৭
বিশ্বকাপের এই পদ্ধতি নিয়ে সমালোচকদের ধুয়ে দিলেন গাভাস্কার
প্রি সিডিং ইস্যুতে আইসিসির পক্ষে গাভাস্কার। ছবি : সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বের ফরম্যাট নিয়ে তোপের মুখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। টুর্নামেন্টের সুপার এইট নিশ্চিত করা দলের তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পরই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় সমালোচনা। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, গ্রুপ রানার্সআপ হওয়ার আগেই দলগুলো জেনে গেল সুপার এইটে তাদের প্রতিপক্ষের নাম। সুনীল গাভাস্কারের মতে এই ব্যাপারে প্রশ্ন তোলা এখন ঠিক না।

‘প্রি-সিডিং’ সিস্টেমের কারণে সুপার এইটে এক নম্বর গ্রুপে পড়েছে চার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। যার মধ্যে ‘বি’ গ্রুপ থেকে অস্ট্রেলিয়া বাদ পড়ায় জিম্বাবুয়ে খেলছে এক নম্বর গ্রুপে। সুপার এইটে অপর গ্রুপে পড়েছে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড। এই চার দল স্ব স্ব গ্রুপে রানার্সআপ হয়ে উঠেছে সুপার এইটে। ইন্ডিয়া টুডেকে গাভাস্কার বলেন, ‘এখন কেন এই প্রসঙ্গ তোলা হচ্ছে? টুর্নামেন্ট শুরুর আগে কেন তোলা হয়নি? যারা এখন এসব নিয়ে কথা বলছেন, তাদেরকেই এই প্রশ্ন করা উচিত। তবে আমার মতে, যেহেতু টুর্নামেন্টটি দুটি দেশে আয়োজিত হচ্ছে তাই লজিস্টিকস অন্যতম ইস্যু। যদিও এই ব্যাপারে আইসিসি ভালো বলতে পারবে।’

২০২২, ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হচ্ছে একাধিক দেশে। তবে ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে আয়োজিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রি সিডিং পদ্ধতি ছিল না। সবশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ-যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত বিশ্বকাপ থেকেই চালু হয় এই পদ্ধতি। গত বারের মতো এবারও ভারত-শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে ২০ দল। হুবহু একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে ২০২৪ ও ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে।

কোন দল কত জন সদস্য নিয়ে বিশ্বকাপে খেলতে আসছে, তার ওপর ভিত্তি করে প্রি সিডিং পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে বলে মনে করেন গাভাস্কার। ভারতীয় ব্যাটিং কিংবদন্তি বলেন,‘‘আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ইমিগ্রেশন এবং কাস্টমসের মতো অনেক বিষয় সামলাতে হয়। এ ছাড়া এয়ারলাইন এবং হোটেল বুকিংয়ের ব্যাপারও আছে। সব দল একই সংখ্যক সদস্য নিয়ে ভ্রমণ করে না। কোনো কোনো দলের সঙ্গে ১৫ জনের সাপোর্ট স্টাফ থাকে। তাই তাদের হয়তো ৩৫-৪০ রুমের প্রয়োজন হয়। আবার কিছু দল হয়তো ২০-২২ জন নিয়ে আসে। তাদের রুম কম লাগে। এই সমস্ত বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হয়। সম্ভবত এ কারণে ‘প্রি-সিডিং’ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।’’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত