নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আবুধাবিতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ খোয়ানোর পর গত পরশু শেষ ওয়ানডেতে ২০০ রানের লজ্জার পরাজয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে সমর্থকদের হতাশার শেষ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা, ব্যঙ্গ রসিকতা তো হচ্ছেই। আজ দল যখন রাতে ফিরল, বিমানবন্দরে দুয়োও শুনতে হলো তাদের।
বিমানবন্দর থেকে বাসায় যাওয়ার পথে ‘ভুয়া-ভুয়া’ বলে সমর্থকদের কেউ কেউ তাসকিন আহমেদ, নাঈম শেখের গাড়ির দিকে তেড়ে যেতে দেখা গেল। হতাশা আর অপমানে মুখ ঢেকে নীরবে বিমানবন্দর ছাড়েন তাঁরা। মাত্র তিন মাস আগেও শ্রীলঙ্কা থেকে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে ফিরেছিল এই দল—তখন তাঁদের অভ্যর্থনা জানাতে ছিল ফুল, করতালি। এবার ঘরে ফেরার দিনে বোর্ডের কোনো কর্মকর্তাই ছিলেন না বিমানবন্দরে। মুদ্রার উল্টো পিঠটাই যেন দেখতে হলো মিরাজদের। অথচ এবার মরুর অভিযানের প্রায় অধিকাংশই ছিল সাফল্যভাস্বর। এশিয়া কাপে ফাইনালে ওঠার সুযোগ পেয়েও সেটা কাজে লাগানো যায়নি। তবে চারটি ম্যাচ বাংলাদেশ জিতেছিল।
এশিয়া কাপের পরই আফগানদের টি-টোয়েন্টি সিরিজেই হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু এক সময় নিজেদের ‘প্রিয় সংস্করণ’ ওয়ানডেতেই কি না বাংলাদেশ হলো ধবলধোলাই। সবচেয়ে বেশি দৃষ্টিকটু ছিল ধারাবাহিক বাজে ব্যাটিং। আর এ কারণে পুরো আরব আমিরাত সফরে মোট ১২ ম্যাচের ৭টি জিতেও তাই দেশে ফিরে দুয়ো শুনতে হলো তাসকিনদের।
অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ নিজের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে নিয়ে বলেছেন, ‘আমাদের মেনে নিতে হবে যে দল ভালো খেলছে না। আফগানদের বোলিং আক্রমণ দারুণ, কিন্তু সেটা সামলানো তো আমাদেরই দায়িত্ব ছিল। ব্যাটিং নিয়ে আমরা সত্যিই চিন্তিত। রান করতে না পারলে জয় আসবে না। টপ ও মিডল অর্ডারকে ধারাবাহিকভাবে রান করতে হবে।’
আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ওয়ানডেতেই প্রতিরোধের ছিটেফোঁটাও ছিল না। মিরাজ সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমরা উন্নতি করছি না। আমরা এতটা খারাপ দল নই, যতটা খারাপ খেলছি। দায়িত্ব নিতে হবে সবাইকেই—আমি নিজেও। আশা করি, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ থেকেই আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পারব ইনশা আল্লাহ।’
তবে বাস্তবতা কঠিন। এমন ভাঙা মনোবল, এমন পরাজয়ের পর মাত্র ৭২ ঘণ্টায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নামতে হবে বাংলাদেশকে। ক্যারিবীয়রাও আজ ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন। চেনা পরিবেশে বাংলাদেশের সামনে হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার সুযোগ।

আবুধাবিতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ খোয়ানোর পর গত পরশু শেষ ওয়ানডেতে ২০০ রানের লজ্জার পরাজয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে সমর্থকদের হতাশার শেষ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা, ব্যঙ্গ রসিকতা তো হচ্ছেই। আজ দল যখন রাতে ফিরল, বিমানবন্দরে দুয়োও শুনতে হলো তাদের।
বিমানবন্দর থেকে বাসায় যাওয়ার পথে ‘ভুয়া-ভুয়া’ বলে সমর্থকদের কেউ কেউ তাসকিন আহমেদ, নাঈম শেখের গাড়ির দিকে তেড়ে যেতে দেখা গেল। হতাশা আর অপমানে মুখ ঢেকে নীরবে বিমানবন্দর ছাড়েন তাঁরা। মাত্র তিন মাস আগেও শ্রীলঙ্কা থেকে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে ফিরেছিল এই দল—তখন তাঁদের অভ্যর্থনা জানাতে ছিল ফুল, করতালি। এবার ঘরে ফেরার দিনে বোর্ডের কোনো কর্মকর্তাই ছিলেন না বিমানবন্দরে। মুদ্রার উল্টো পিঠটাই যেন দেখতে হলো মিরাজদের। অথচ এবার মরুর অভিযানের প্রায় অধিকাংশই ছিল সাফল্যভাস্বর। এশিয়া কাপে ফাইনালে ওঠার সুযোগ পেয়েও সেটা কাজে লাগানো যায়নি। তবে চারটি ম্যাচ বাংলাদেশ জিতেছিল।
এশিয়া কাপের পরই আফগানদের টি-টোয়েন্টি সিরিজেই হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু এক সময় নিজেদের ‘প্রিয় সংস্করণ’ ওয়ানডেতেই কি না বাংলাদেশ হলো ধবলধোলাই। সবচেয়ে বেশি দৃষ্টিকটু ছিল ধারাবাহিক বাজে ব্যাটিং। আর এ কারণে পুরো আরব আমিরাত সফরে মোট ১২ ম্যাচের ৭টি জিতেও তাই দেশে ফিরে দুয়ো শুনতে হলো তাসকিনদের।
অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ নিজের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে নিয়ে বলেছেন, ‘আমাদের মেনে নিতে হবে যে দল ভালো খেলছে না। আফগানদের বোলিং আক্রমণ দারুণ, কিন্তু সেটা সামলানো তো আমাদেরই দায়িত্ব ছিল। ব্যাটিং নিয়ে আমরা সত্যিই চিন্তিত। রান করতে না পারলে জয় আসবে না। টপ ও মিডল অর্ডারকে ধারাবাহিকভাবে রান করতে হবে।’
আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ওয়ানডেতেই প্রতিরোধের ছিটেফোঁটাও ছিল না। মিরাজ সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমরা উন্নতি করছি না। আমরা এতটা খারাপ দল নই, যতটা খারাপ খেলছি। দায়িত্ব নিতে হবে সবাইকেই—আমি নিজেও। আশা করি, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ থেকেই আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পারব ইনশা আল্লাহ।’
তবে বাস্তবতা কঠিন। এমন ভাঙা মনোবল, এমন পরাজয়ের পর মাত্র ৭২ ঘণ্টায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নামতে হবে বাংলাদেশকে। ক্যারিবীয়রাও আজ ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন। চেনা পরিবেশে বাংলাদেশের সামনে হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার সুযোগ।

খেলা বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন ক্রিকেটাররা। ফিরতে চান খেলায়। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা জানিয়েছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (বিসিবি)।
২৪ মিনিট আগে
দেশের ক্রিকেটে গুমোট একটা পরিবেশ চলছে বেশ কয়েকদিন ধরে। প্রথমে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার ইস্যুর পর এবার মুখোমুখি অবস্থানে বিসিবি ও ক্রিকেটাররা। বিবাদের আঁচ পড়ছে একের পর এক। এমন অবস্থায় ঐক্যের ডাক দিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
১ ঘণ্টা আগে
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি এখনো। তবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) স্থগিত করার দিক যাচ্ছে বিসিবি। বিসিবির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ বিভাগ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরও খেলোয়াড়েরা যেহেতু খেলা বয়কটের ঘোষণা থেকে সরে আসেননি, বিপিএল বন্ধ করে দেওয়ার দিকেই যাচ্ছে বিসিবি।
১ ঘণ্টা আগে
ক্রিকেটারদের কাছে টাকা ফেরত চাওয়া, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কোনো ক্ষতি হবে না—গতকাল এমন বিতর্কিত মন্তব্যের পর তোপের মুখে পড়েন পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। তাঁর পদত্যাগের দাবিতে আজ মেহেদী হাসান মিরাজ-মোহাম্মদ মিঠুনরা খেলা বয়কট করেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে