
ক্রিকেট বিশ্বে এখন অন্যতম আলোচিত পেসার নাহিদ রানা। গতির কারণে আলাদাভাবে নজর কেড়েছেন এই পেসার। এরই মধ্যে কিংবদন্তি বোলারদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন রানা। এবার তাঁর গতির প্রশংসা করলেন অস্ট্রেলিয়ার স্পিনিং অলরাউন্ডার ক্রিস গ্রিন।
সবশেষ পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের হয়ে খেলেছেন গ্রিন। অন্যদিকে রানা খেলেছেন বাবর আজমের দল পেশোয়ার জালমির হয়ে। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির বিপক্ষে একটি ম্যাচের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে উইজডেন ক্রিকেট পডকাস্টে টাইমাল মিলসকে রানার আগুনে গতি প্রসঙ্গে কথা বলেন গ্রিন।
গ্রিন বলেন, ‘জানি না মিলস, তুমি নাহিদ রানার বোলিং দেখেছ কি না। সে একেবারে রকেটের গতিতে বল করে। আমার সৌভাগ্যই বলতে হবে, আমাকে ওর মুখোমুখি হতে হয়নি (পিএসএলে)। নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময় সে দেশে ফিরে গিয়েছিল, পরে ফাইনালের আগে দলে যোগ দেয়। যে ফাইনালে অবশ্য আমাদেরই থাকার কথা ছিল। যাই হোক, আমি ওর বোলিং মাঠে বসে দেখেছি।’
পিএসএলে রানার আগুনে গতির বোলিংয়ের মুখোমুখি হতে চাননি গ্রিন। তিনি বলেন, ‘এমন এক স্পেল ছিল, যখন একজন বোলার এত দ্রুত বল করছে যে, তার বল গুনতে হয়। ভাবছিলাম, আচ্ছা সে তো নতুন বলে শুরু করেছে, এখনো ২৩টা বল বাকি। কোনো উইকেট পায়নি, কিন্তু আমি বাজি ধরছি আরও ৭-৮টা বলের মধ্যেই কিছু একটা ঘটাবে। তখন মনে হচ্ছিল, ‘ক্যাপ্টেন বাবর, প্লিজ রানার হাতে বল তুলে দাও! পরপর ওভার দাও। যখন উইকেট দরকার, তখন ওকেই ব্যবহার করো। শেষের দুই ওভার বা ডেথে শেষ ৪-৫ ওভারের জন্য জমিয়ে রেখো না (হাসি)।’
রানার প্রশংসা করে গ্রিন আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে বাংলাদেশের কয়েকজন সত্যিই ভালো পেসার আছে বলে মনে হয়। নিউজিল্যান্ড সিরিজেরও কিছু অংশ দেখেছিলাম। আমাদের গ্রুপে অনেক কিউই (নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার) ছিল, আর তারা নাহিদের বোলিং দেখে বেশ মুগ্ধ হয়েছিল।’

ইউএস ওপেনে বড় অঘটনের শিকার হলেন নোভাক জোকোভিচ। শারীরিক অসুস্থতা, বমি ও তীব্র ব্যথার সঙ্গে লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার মারিয়ানো নাভোনের কাছে হেরে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছেন ২৪ গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ী এই সার্বিয়ান তারকা।
১ ঘণ্টা আগে
এক বছরেরও বেশি সময় পর বাংলাদেশের বিপক্ষে ডারউইন টেস্ট দিয়ে প্রত্যাবর্তন হয় হ্যাজলউডের। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই নেন সাত উইকেট। এরপর ম্যাকাইয়ে দ্বিতীয় টেস্টেও বল হাতে ছিলেন ছন্দে, যদিও দ্রুত শেষ হওয়া দুই দিনের ম্যাচে এক উইকেটের বেশি নিতে পারেননি।
২ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি উত্তর আমেরিকায় শেষ হওয়া বিশ্বকালে ফিফার কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়। এর মধ্যে ম্যাচে তথাকথিত হাইড্রেশন বিরতি, ফাইনালের দীর্ঘ হাফটাইম এবং মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্লাতিনি।
২ ঘণ্টা আগে
লর্ডস টেস্টের মাঝপথে পাকিস্তান দল ম্যাচ বয়কট করতে পারে—এমন গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল ইমরান খানের দুই ছেলের একটি সাক্ষাৎকারকে কেন্দ্র করে। তবে পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম জানালেন, এমন কিছু জানতেন না তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে