
ইউএস ওপেনে বড় অঘটনের শিকার হলেন নোভাক জোকোভিচ। শারীরিক অসুস্থতা, বমি ও তীব্র ব্যথার সঙ্গে লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার মারিয়ানো নাভোনের কাছে হেরে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছেন ২৪ গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ী এই সার্বিয়ান তারকা।
আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে ৪ ঘণ্টা ৩৬ মিনিটের লড়াইয়ে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের ৪৯ নম্বরে থাকা নাভোনে ৭-৬(৫), ৫-৭, ৪-৬, ৬-২, ৬-১ গেমে হারিয়েছেন পাঁচ নম্বরে থাকা জোকোভিচকে।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য জোকোভিচের পক্ষেই ছিল। প্রথম সেটে ৩-০ এবং পরে ৪-১ গেমে এগিয়ে যান তিনি। কিন্তু এরপরই শারীরিক অস্বস্তি বাড়তে থাকে। ম্যাচে একাধিকবার বমি করেন জোকোভিচ। চতুর্থ সেট হারার পর মেডিকেল টাইমআউট নিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টের কাছ থেকে চিকিৎসাও নেন তিনি। পঞ্চম সেটে নাভোনে ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেলে ব্যথায় চোখের পানি ধরে রাখতেও দেখা যায় জোকোভিচকে।
ম্যাচে মোট ৭০টি আনফোর্সড এরর করেন জোকোভিচ। শেষ পর্যন্ত ক্লান্ত শরীরে আর লড়াই চালিয়ে যেতে পারেননি তিনি। তাঁর দুর্বল রিটার্ন কাজে লাগিয়ে ম্যাচের ইতি টানেন নাভোনে।
হারের পর নিজের শারীরিক সমস্যার কথা অকপটে জানিয়েছেন জোকোভিচ। চলতি বছর প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই বমি ও বমি বমি ভাবের সমস্যায় ভুগছেন বলে জানান তিনি। জোকোভিচ বলেন, ‘কোর্টে আমার যে খুব খারাপ লাগছিল, সেটা স্পষ্টই ছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এ বছর প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই আমি যে সমস্যার সঙ্গে লড়ছি, তা হলো বমি ও বমি বমি ভাব। এ দিক থেকে এটি গুরুতর সমস্যা। এরপর ধীরে ধীরে পুরো শরীর ভেঙে পড়তে শুরু করে—মূলত পেশিতে টান ও ব্যথা হয়। শেষ পর্যন্ত আমার পিঠ ও কাঁধ আর নিতে পারেনি, তাই ম্যাচটা শেষ করতে পারিনি।’
চতুর্থ গেম থেকেই সমস্যায় ভুগছিলেন বলেও জানালেন জোকোভিচ, ‘চতুর্থ সেটে আমি ব্রেকের লিড পেয়েছিলাম, কিন্তু চতুর্থ গেম থেকেই পুরো ম্যাচজুড়ে আমি ভুগেছি। আবারও বলছি, তার জয়কে কোনোভাবেই খাটো করতে চাই না। তাকে অভিনন্দন। সে ভালো ছেলে, লড়াকু। কিন্তু আমি ম্যাচটা উপভোগ করিনি।’
এই হার জোকোভিচের জন্য আরও বড় ধাক্কা। ২০০৬ সালের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের পর এই প্রথম কোনো গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডে হারলেন তিনি। ইউএস ওপেনে এর আগে ১৯ বার অংশ নিয়ে প্রথম রাউন্ডে কখনোই বিদায় নেননি। নিউইয়র্কে প্রথম দুই রাউন্ডে তার রেকর্ড ছিল ৩৭-০।
জোকোভিচের ২৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের অপেক্ষাও তাই আরও দীর্ঘ হলো। তবে অতীতের অর্জন নিয়ে না ভেবে আপাতত নিজের শরীর সামলাতেই মনোযোগ দিতে চান তিনি, ‘আমার অতীতের সব অর্জন নিয়ে আমি খুবই গর্বিত। কিন্তু বর্তমান তো বর্তমানই। এইমাত্র কোর্ট থেকে বেরিয়েছি এবং এখনো শরীরটা সামলানোর চেষ্টা করছি।’
জোকোভিচ আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি এত গভীরে যাচ্ছি না। আমি শুধু যা ঘটছে, সেটা সামলানোর চেষ্টা করছি এবং এভাবে কতদূর যেতে পারি, সেটাই দেখছি।’

এক বছরেরও বেশি সময় পর বাংলাদেশের বিপক্ষে ডারউইন টেস্ট দিয়ে প্রত্যাবর্তন হয় হ্যাজলউডের। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই নেন সাত উইকেট। এরপর ম্যাকাইয়ে দ্বিতীয় টেস্টেও বল হাতে ছিলেন ছন্দে, যদিও দ্রুত শেষ হওয়া দুই দিনের ম্যাচে এক উইকেটের বেশি নিতে পারেননি।
১ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি উত্তর আমেরিকায় শেষ হওয়া বিশ্বকালে ফিফার কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়। এর মধ্যে ম্যাচে তথাকথিত হাইড্রেশন বিরতি, ফাইনালের দীর্ঘ হাফটাইম এবং মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্লাতিনি।
২ ঘণ্টা আগে
লর্ডস টেস্টের মাঝপথে পাকিস্তান দল ম্যাচ বয়কট করতে পারে—এমন গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল ইমরান খানের দুই ছেলের একটি সাক্ষাৎকারকে কেন্দ্র করে। তবে পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম জানালেন, এমন কিছু জানতেন না তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
লর্ডস টেস্ট হেরে ইংল্যান্ডের কাছে সিরিজ খুইয়েছে পাকিস্তান। ব্যক্তিগতভাবে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করলেও দলকে জয়ের পথে নিতে পারেননি মোহাম্মদ আব্বাস। পাকিস্তানের টেস্ট দলের সাম্প্রতিক ব্যর্থতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বাংলাদেশের প্রসঙ্গও টেনেছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে