
১৯তম ওভারের শেষ বলে হতে পারত ১ রান। কিন্তু শরীফুলের স্টাম্প ভাঙার চেষ্টায় স্টাম্পের ছোঁয়া না পেয়ে বল বাউন্ডারির বাইরে। আসে ৫ রান। তখন মাথা নিচু করে মাটিতে বসে পড়েছেন ফিল্ডার শরীফুল—ম্যাচটাই কি হাত ছাড়া হয়ে গেল!
এই ফিল্ডিং ব্যর্থতার পর শেষ ৬ বলে আমিরাতের দরকার ছিল ১২ রান। বোলার তানজিম হাসান সাকিবের সেই ওভারে ১ বল হাতে রেখেই প্রয়োজনীয় রানা তুলে ২ উইকেটে জিতে যায় রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ।
প্রথম ৫ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৫৪/০। আরব আমিরাতের ৫৬/০। ১০ ওভার শেষেও বাংলাদেশের (৯০/০) চেয়ে এগিয়ে ছিল আমিরাত (৯৬/০)। বাংলাদেশ প্রথম উইকেট হারায় ৯১ রানে, আমিরাত ১০৭ রানে। এভাবে এগোতে থাকলে একটা সময় এই আশঙ্কা দানা বাঁধে মনে—আরব আমিরাতই জিতে যায়! সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়েছে। টি-টোয়েন্টি প্রথমবারের মতো আরব আমিরাত হারিয়েছে বাংলাদেশকে।
রান তাড়ায় দুর্দান্ত খেলতে থাকা স্বাগতিক দলের ওপেনার ওপেনার জোহাইবকে (৩৮) ফিরিয়ে সেঞ্চুরি জুটি ভাঙেন তানভির ইসলাম। এরপর তিনে নামা রাহুলকে (২) রিশাদ হোসেন ফিরিয়ে দিলে বিনা উইকেটে ১০৭ থেকে আমিরাত হয়ে যায় ১১০/২। ৩ রানের ব্যবধানে ২ উইকেটে পেয়ে উজ্জীবিত হয় বাংলাদেশ। কিন্তু তখনও স্বাগতিক অধিনায়ক মুহাম্মদ ওয়াসিম এক প্রান্ত ধরে রেখে খেলে দলের রানের চাকা সচল রেখেছিলেন। ১৫তম ওভারে তাঁকে ফিরিয়ে দেন শরীফুল। আউট হওয়ার আগে ৯টি চার ও ৫টি ছয়ে ৪২ বলে ১৯৫.২৩ স্ট্রাইকরেটে ৮২ রান করেন তিনি।
পরের ওভারে অভিষিক্ত নাহিদ রানা ফিরিয়ে দেন আসিফ খানকে। তাতে লড়াইয়ে বাংলাদেশ ফিরলেও শেষ রক্ষা হয়নি। হায়দার আলী ৬ বলে অপরাজিত ১৫ রান করে জিতিয়ে দেন আমিরাতকে।
এর আগে টসে হেরে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে তোলে ২০৫ রান। যা এই সংস্করণে আমিরাতের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ। দলের এই বড় স্কোরের ভিত গড়ে দেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও লিটন দাস। পাওয়ার প্লেতে ৬৬ রান তোলা এই জুটি দশম ওভারের প্রথম বলেই যখন ছিন্ন হয়, তখন স্কোরবোর্ডে বাংলাদেশের রান ৯০। কুঁচকির চোটের কারণে এদিন অবশ্য ম্যাচে ছিলেন না আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান পারভেজ হোসেন ইমন।
সাগির খানের শর্ট বলে পুল করতে ওপেনার তানজিদ ধরা পড়েন ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে, মাতিউল্লাহর হাতে। ভাঙে ৫৫ বল স্থায়ী ৯০ রানের জুটি। তানজিদ ফেরেন ব্যক্তিগত ৫৯ রানে। বড় আগ্রাসী ব্যাটিং করেন তিনি। এই রান করতে খেলেছেন ৩৩ বল। ৮টি চার ও ৩টি ছয়ে সাজানো তাঁর ইনিংসটির স্ট্রাইকরেট ১৭৮.৭৮। ৭টি চার ও ৩টি ছয়ে ২৫ বলেই ফিফটি করেন তিনি।
তানজিদের তিন ওভার পরই বিদায় নেন আরেক ওপেনার লিটন দাসও। জাওয়াদুল্লাহর অফ স্টাম্পের বাইরের স্লোয়ার ডেলিভারি অন সাইডে খেলতে গিয়ে মিড উইকেটে ক্যাচ তুলে দেন লিটন ব্যক্তিগত ৪০ রানে। লিটনের মতো কাছাকাছি গিয়েও ফিফটি পাননি তাওহীদ হৃদয়। ২৪ বলে ৩টি চার ও ২টি ছয়ে ৪৫ রান করে ফেরেন তিনি। দলীয় স্কোর ২০০ ছাড়াতে অবদান জাকের আলীরও। ৬ বলে ১টি চার ও ২টি ছয়ে ১৮ রান করেন তিনি।
বল হাতে সবচেয়ে সফল জাওয়াদুল্লাহ; ৪৫ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট।
এই ম্যাচ দিয়েই সিরিজটি শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এক ম্যাচ বাড়িয়ে সিরিজ হবে এখন ৩ ম্যাচের। ২১ মে শেষ টি-টোয়েন্টি খেলেই পরদিন অর্থাৎ ২২ মে পাকিস্তানে রওনা দেবেন লিটন-শান্তরা।

ব্যাট হাতে ইব্রাহিম জাদরানের দুর্দান্ত এক ইনিংস, আর বল হাতে মোহাম্মদ নবির কিপ্টে এবং কার্যকর বোলিং। এই দুইয়ের মাঝে পড়ে নাস্তানাবুদ কানাডা। হেরেছে ৮২ রানে। আফগানিস্তান রেকর্ড ২০০ রানের স্কোর গড়লেই বোঝা গিয়েছিল এই রান তাড়া করতে পারবে না কানাডা। শেষ পর্যন্ত হয়েছেও তাই; আফগানদের রানের নিচে চাপা পড়েছে...
৯ ঘণ্টা আগে
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ক্রিকেট বিশ্বকে চমক দিয়ে চলেছে জিম্বাবুয়ে। আন্ডারডগ তকমা ঝেড়ে ফেলে গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার মতো দুই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবেই সুপার এইটে পা রেখেছে সিকান্দার রাজার দল। আজ স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে হারানোর পর জিম্বাবুয়ের অধি
১২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে অস্ট্রেলিয়ার লজ্জাজনক বিদায়ে ক্ষুব্ধ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার পর এবার ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স নিয়ে ‘ফরেনসিক পর্যালোচনার’ কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। ২০২১ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এমন বিপর্যয় কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না অজি
১৩ ঘণ্টা আগে
কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপে দীর্ঘ ১৬ বছরের খরা কাটাল জিম্বাবুয়ে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে গত ১৬ বছরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এখন পর্যন্ত তিনবার মুখোমুখি হয়েছে জিম্বাবুয়ে। আগের দুইবারই জেতে লঙ্কানরা। লঙ্কানদের বিপক্ষে এই স্মরণীয় জয়ের ফলে
১৪ ঘণ্টা আগে