ঢাকা: মেক্সিকোতে ৭২০ কোটি বছর পুরনো ডাইনোসরের জীবাশ্ম হাড়ের সন্ধান মিলেছে । গত বৃহস্পতিবার মেক্সিকোর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এনথ্রোপলজি এন্ড হিস্টরি-এর (আইএনএএইচ) পক্ষ থেকে এমনটি জানানো হয়েছে।
মেক্সিকোর সরকারি এই দপ্তরটি জানায়, নতুন এই প্রজাতির নাম টোলোফাস গ্যালোরাম। এদের মাথায় ছিলো হাড়ের তৈরি একধরনের ঝুঁটি। এখন পর্যন্ত ডাইনোসরটির ৮০ শতাংশ হাড় উদ্ধার করা গেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৩ সালে উত্তর-মধ্যাঞ্চলীয় মেক্সিকোর কোহুইলা রাজ্যে অনুসন্ধান শুরু করে মেক্সিকোর গবেষকরা। ওই দলের সঙ্গে মেক্সিকোর ন্যাশনাল অটোনমাস ইউনিভার্সিটির গবেষকরাও যুক্ত হন। এর আগে মেক্সিকোর ওই রাজ্য থেকে একাধিক ডাইনোসরের সন্ধান মিলেছিল।
এই আবিষ্কারের সাথে জড়িত বিজ্ঞানী আলেজান্দ্রো রামারেজ বলেন, লেজ উদ্ধারের পর থেকে আমরা খুঁড়তে শুরু করি। বিস্ময়কর ব্যাপার হল এরপর থেকে আমরা ডাইনোসরটির হারগোড় পেতে শুরু করি। বিজ্ঞানীরা ওই হাড় সংগ্রহের পর পরিষ্কার করে বিশ্লেষণ শুরু করেন।
আইএনএএইচ-এর পক্ষ থেকে বলা হয়, ডাইনোসরটির মাথার এক দশমিক ৩২ মিটার দীর্ঘ ঝুঁটিটি পেয়ে যান বিজ্ঞানীরা। এছাড়া তাঁদের কাছে ডাইনোসরটির নিম্ন এবং উপরের চোয়াল, তালু এবং মাথার হাড়ের অংশ ছিল।
কেন এই ডাইনোসরের নাম টোলোফাস গ্যালোরাম রাখা হয়েছে সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন মেক্সিকোর বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলছেন, টোলোফাস দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত । এটি মেক্সিকোর নাহুয়াতলের আদিবাসীদের ভাষা থেকে নেওয়া। এর অর্থ হল ঝুঁটি। আর গ্যালোরাম তাঁদেরকে বুঝানো হয়েছে যারা এই গবেষণাটি করেছেন।

কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের নথিপত্র থেকে এবার সামনে এলো ডিএনএ-র গঠনের সহ-আবিষ্কারক নোবেলজয়ী মার্কিন বিজ্ঞানী জেমস ওয়াটসনের নাম। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ-এর এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত কিছু ছবিতে দেখা গেছে, এপস্টেইনের নিউইয়র্ক ম্যানশনে তিন তরুণীর সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় রয়েছেন এই বিজ্ঞ
২ দিন আগে
বাংলাদেশে ভাইরাসবাহিত রহস্যজনক এক রোগের সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। শুরুতে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের প্রাদুর্ভাব বলে মনে করা হলেও, এটি আসলে আরেকটি নতুন ও সম্ভাব্য প্রাণঘাতী বাদুড়বাহিত ভাইরাসের কারণে হয়েছে। নতুন এক গবেষণায় এমন সতর্কবার্তাই দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের....
১৬ দিন আগে
ধনকুবের এবং যৌন পাচারের দায়ে অভিযুক্ত জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে এখন সারা দুনিয়ায় তোলপাড় চলছে। এবার আলোচনার কেন্দ্রে শিশুকামিতা, কিশোরী পাচার, রাজনীতি ও কূটনীতি। তবে ২০১৯ সালের জুলাই মাসে প্রকাশিত নথিতে উঠে এসেছিল আরও এক বিস্ফোরক তথ্য।
১৬ দিন আগে
বিজ্ঞানীদের মতে, গ্রহটির তার নিজ নক্ষত্র মণ্ডলের বাসযোগ্য অঞ্চলে অবস্থান করার প্রায় ৫০ শতাংশ সম্ভাবনা রাখে। তবে এটির পৃষ্ঠের তাপমাত্রা মঙ্গলগ্রহের মতো অত্যন্ত শীতল হতে পারে, যা মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও নামতে পারে।
২২ দিন আগে