আফরিন মিম

মহাকাশ মানেই নিঃসীম অন্ধকার। কোথাও কেউ নেই। সেখানে ভ্রমণের জন্য চাই বিশেষ মানসিক প্রস্তুতি। সেটা নিতে এবার অন্ধকার গুহাকেই বেছে নিয়েছেন চীনের ভবিষ্যৎ নভোচারীরা। ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার ‘কেভস’ প্রশিক্ষণের আদলে চীন প্রথমবারের মতো চালু করল এ ধরনের চরম পরিবেশে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। ছয় দিন টানা অন্ধকার, শীতল চেম্বার আর বিচ্ছিন্নতার মধ্যে নিজেদের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা যাচাই করেছেন চীনা নভোচারীরা।
দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের ছোংছিং মিউনিসিপালটির পাহাড়ি এলাকায় আছে এই দুর্গম গুহা। এখানেই এক মাস ধরে চলে চীনের প্রথম ‘কেভস’ ধাঁচের মহাকাশচারী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।
ভবিষ্যতের ২৮ নভোচারীকে চারটি দলে ভাগ করা হয়। প্রতিটি দলকে গুহার ভেতরে টানা ছয় দিন পাঁচ রাত থাকতে হয়েছে। গুহার ভেতরের গড় তাপমাত্রা মাত্র ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আর্দ্রতা প্রায় ৯৯ শতাংশ।
এই পরিবেশ অনেকটাই মহাকাশের মতো, বিচ্ছিন্নতা, সীমিত পরিসর এবং সব সময় ঝুঁকির মধ্যে কাজ করা। প্রতিদিন মহাকাশচারীদের সম্পন্ন করতে হয়েছে একাধিক ঘণ্টার গুহা অনুসন্ধান অভিযান, যা শারীরিক দিক থেকে স্পেসওয়াকের সমতুল্য। মহাকাশচারীদের পাড়ি দিতে হয়েছে অত্যন্ত সংকীর্ণ পথ, দড়ির সাহায্যে উঠতে হয়েছে খাড়া পাহাড়ে, আবার নামতে হয়েছে গভীর খাদে।
চায়না অ্যাস্ট্রোনট গবেষণা ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রের প্রশিক্ষণ বিশেষজ্ঞ উবিন বলেন, এই গুহা প্রশিক্ষণ আমাদের মানববাহী মহাকাশ অভিযানের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিকল্পিত। এর মাধ্যমে মহাকাশচারীদের ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলা, দলগত সমন্বয়, জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং চরম পরিবেশে মানসিক দৃঢ়তা বাড়ানো হয়।
শারীরিক পরীক্ষার পাশাপাশি চালানো হয়েছে বৈজ্ঞানিক গবেষণাও। মহাকাশচারীরা গুহা জরিপ, পরিবেশ পর্যবেক্ষণ, জীবাণু ও পলিমাটির নমুনা সংগ্রহ করেন।
প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে তৈরি করা হয় জরুরি পরিস্থিতি—যেমন কৃত্রিম মেডিকেল ইভাকুয়েশন। যাচাই করা হয় দ্রুত সিদ্ধান্ত ও দলগত সমস্যা সমাধানের দক্ষতা।
চীনা মহাকাশচারী চু ইয়ানচু বলেন, এ প্রশিক্ষণ আমাদের দলগত নেতৃত্ব ও পারস্পরিক বোঝাপড়া অনেক বাড়িয়েছে, যা ভবিষ্যতের স্পেস স্টেশন মিশনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশিক্ষণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল মানসিক আচরণ পর্যবেক্ষণ। দীর্ঘ সময় অন্ধকার ও নিঃসঙ্গ পরিবেশে থাকার ফলে মহাকাশচারীদের মধ্যে দেখা দেয় মানসিক চাপ ও সংবেদনশীলতার পরিবর্তন।
চায়না অ্যাস্ট্রোনট গবেষণা ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রের প্রশিক্ষক চিয়ান ইউয়ান বলেন, প্রশিক্ষণ চলাকালে মহাকাশচারীদের মানসিক অবস্থার ওপর নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চালিয়েছি। এ তথ্য ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদি স্পেস স্টেশন ও চন্দ্র অভিযানে কাজে আসবে।
এ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন অভিজ্ঞ মহাকাশচারী ইয়ে কুয়াংফু, যিনি আগে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার কেভস প্রশিক্ষণেও অংশ নিয়েছিলেন। তাঁর মতে, চীনের এ প্রশিক্ষণে রয়েছে নিজস্ব উদ্ভাবন।
গুহা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মহাকাশচারীরা অংশ নেন দুই দিনের জঙ্গল প্রশিক্ষণেও। শেখানো হয় জরুরি যোগাযোগ স্থাপন, সীমিত উপকরণে টিকে থাকা এবং নিরাপদে উদ্ধার দলের কাছে পৌঁছানোর নানা বিষয়।

মহাকাশ মানেই নিঃসীম অন্ধকার। কোথাও কেউ নেই। সেখানে ভ্রমণের জন্য চাই বিশেষ মানসিক প্রস্তুতি। সেটা নিতে এবার অন্ধকার গুহাকেই বেছে নিয়েছেন চীনের ভবিষ্যৎ নভোচারীরা। ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার ‘কেভস’ প্রশিক্ষণের আদলে চীন প্রথমবারের মতো চালু করল এ ধরনের চরম পরিবেশে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। ছয় দিন টানা অন্ধকার, শীতল চেম্বার আর বিচ্ছিন্নতার মধ্যে নিজেদের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা যাচাই করেছেন চীনা নভোচারীরা।
দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের ছোংছিং মিউনিসিপালটির পাহাড়ি এলাকায় আছে এই দুর্গম গুহা। এখানেই এক মাস ধরে চলে চীনের প্রথম ‘কেভস’ ধাঁচের মহাকাশচারী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।
ভবিষ্যতের ২৮ নভোচারীকে চারটি দলে ভাগ করা হয়। প্রতিটি দলকে গুহার ভেতরে টানা ছয় দিন পাঁচ রাত থাকতে হয়েছে। গুহার ভেতরের গড় তাপমাত্রা মাত্র ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আর্দ্রতা প্রায় ৯৯ শতাংশ।
এই পরিবেশ অনেকটাই মহাকাশের মতো, বিচ্ছিন্নতা, সীমিত পরিসর এবং সব সময় ঝুঁকির মধ্যে কাজ করা। প্রতিদিন মহাকাশচারীদের সম্পন্ন করতে হয়েছে একাধিক ঘণ্টার গুহা অনুসন্ধান অভিযান, যা শারীরিক দিক থেকে স্পেসওয়াকের সমতুল্য। মহাকাশচারীদের পাড়ি দিতে হয়েছে অত্যন্ত সংকীর্ণ পথ, দড়ির সাহায্যে উঠতে হয়েছে খাড়া পাহাড়ে, আবার নামতে হয়েছে গভীর খাদে।
চায়না অ্যাস্ট্রোনট গবেষণা ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রের প্রশিক্ষণ বিশেষজ্ঞ উবিন বলেন, এই গুহা প্রশিক্ষণ আমাদের মানববাহী মহাকাশ অভিযানের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিকল্পিত। এর মাধ্যমে মহাকাশচারীদের ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলা, দলগত সমন্বয়, জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং চরম পরিবেশে মানসিক দৃঢ়তা বাড়ানো হয়।
শারীরিক পরীক্ষার পাশাপাশি চালানো হয়েছে বৈজ্ঞানিক গবেষণাও। মহাকাশচারীরা গুহা জরিপ, পরিবেশ পর্যবেক্ষণ, জীবাণু ও পলিমাটির নমুনা সংগ্রহ করেন।
প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে তৈরি করা হয় জরুরি পরিস্থিতি—যেমন কৃত্রিম মেডিকেল ইভাকুয়েশন। যাচাই করা হয় দ্রুত সিদ্ধান্ত ও দলগত সমস্যা সমাধানের দক্ষতা।
চীনা মহাকাশচারী চু ইয়ানচু বলেন, এ প্রশিক্ষণ আমাদের দলগত নেতৃত্ব ও পারস্পরিক বোঝাপড়া অনেক বাড়িয়েছে, যা ভবিষ্যতের স্পেস স্টেশন মিশনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশিক্ষণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল মানসিক আচরণ পর্যবেক্ষণ। দীর্ঘ সময় অন্ধকার ও নিঃসঙ্গ পরিবেশে থাকার ফলে মহাকাশচারীদের মধ্যে দেখা দেয় মানসিক চাপ ও সংবেদনশীলতার পরিবর্তন।
চায়না অ্যাস্ট্রোনট গবেষণা ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রের প্রশিক্ষক চিয়ান ইউয়ান বলেন, প্রশিক্ষণ চলাকালে মহাকাশচারীদের মানসিক অবস্থার ওপর নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চালিয়েছি। এ তথ্য ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদি স্পেস স্টেশন ও চন্দ্র অভিযানে কাজে আসবে।
এ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন অভিজ্ঞ মহাকাশচারী ইয়ে কুয়াংফু, যিনি আগে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার কেভস প্রশিক্ষণেও অংশ নিয়েছিলেন। তাঁর মতে, চীনের এ প্রশিক্ষণে রয়েছে নিজস্ব উদ্ভাবন।
গুহা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মহাকাশচারীরা অংশ নেন দুই দিনের জঙ্গল প্রশিক্ষণেও। শেখানো হয় জরুরি যোগাযোগ স্থাপন, সীমিত উপকরণে টিকে থাকা এবং নিরাপদে উদ্ধার দলের কাছে পৌঁছানোর নানা বিষয়।

সম্প্রতি অটোব্রুয়ারি সিনড্রোমে আক্রান্ত রোগীদের ওপর পরিচালিত এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় গবেষণায় নিশ্চিত করা হয়েছে, এই অবস্থার প্রধান হোতা আসলে ব্যাকটেরিয়া। নেচার মাইক্রোবায়োলজি সাময়িকীতে সম্প্রতি প্রকাশিত এই গবেষণা প্রতিবেদন রোগীদের অন্ত্রের অণুজীবের অ্যালকোহল বিপাক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন...
১ দিন আগে
বাঙালি পাতে এক টুকরা বড় কার্পের পেটি কিংবা মুড়িঘণ্ট না হলে ভোজন যেন অসম্পূর্ণই থেকে যায়। কিন্তু এই সুস্বাদু অভিজ্ঞতার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় সূক্ষ্ম কাঁটা। কার্প মাছ নিয়ে ভোজনরসিকদের ধৈর্যের পরীক্ষা হয়। এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, একটি সাধারণ কার্পে প্রায় ৮০টির বেশি ক্ষুদ্র ও ওয়াই-আকৃতির...
১০ দিন আগে
বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবী ছিল উত্তপ্ত ম্যাগমায় ঢাকা এক অনাবাসযোগ্য পাথুরে গ্রহ। আজকের নীল-সবুজ, প্রাণে ভরপুর পৃথিবীতে তার রূপান্তরের ইতিহাস এখনো বিজ্ঞানীদের কাছে পুরোপুরি উন্মোচিত হয়নি। তবে ২০২৫ সালে একের পর এক বৈজ্ঞানিক গবেষণা আমাদের এই গ্রহটির অতীত, গভীরতা ও অদ্ভুত আচরণ সম্পর্কে নতুন জানালা খুলে দিয়েছ
১৩ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘তারমিম ভালোভাবে বেড়ে উঠছে। এর শারীরবৃত্তীয়, জৈব-রাসায়নিক ও শারীরিক সব সূচকই স্বাভাবিক রয়েছে। প্রত্যাশিতভাবে তারমিমের পেশির বৃদ্ধি তার অ-সম্পাদিত যমজ বোনের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই পার্থক্য আরও বাড়তে পারে বলে আমরা মনে করি।’
১৫ দিন আগে