নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যকে ‘দায়িত্বহীন’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘এ দেশে আগুন-সন্ত্রাসের হোতা আওয়ামী লীগ।’
রাজধানীর লেডিস ক্লাবে আজ শনিবার বিকেলে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল ও বার্ষিক সাধারণ সভায় বিএনপির মহাসচিব এসব কথা বলেন।
‘তারা (বিএনপি-জামায়াত) আগুনের মতো ঘটনা ঘটিয়ে ভিন্ন পথ অবলম্বন করছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা উচিত’—প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগকে ‘আগুন-সন্ত্রাসের হোতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে ফখরুল বলেন, ‘আজকে প্রধানমন্ত্রী হয়ে প্রকাশ্যে তিনি যে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিলেন, যে আগুনগুলো লেগেছে, সেই আগুনের পেছনে বিএনপি আছে কি না—তা খতিয়ে দেখতে হবে। কতটা দায়িত্বহীন কথা! একজন প্রধানমন্ত্রী, তাঁর উচিত ছিল যেটা বলার, সেটা হলো—এটার একটা নিরপেক্ষ তদন্ত করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেটা তো করছেন না। আগে থেকেই বলে দিচ্ছেন যে এটার সঙ্গে বিএনপি জড়িত আছে কি না তা দেখতে হবে। অর্থাৎ আগেই বলে দিচ্ছেন, ওই দিকে যেতে হবে, আঙ্গুলটা ওই দিকেই দেখাচ্ছেন। উদ্দেশ্য একটাই—যেভাবেই হোক, বিএনপিকে জড়িত করে দোষী সাব্যস্ত করা হবে।’
আওয়ামী লীগের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের বক্তব্য খুব স্পষ্ট—এ দেশে আগুন-সন্ত্রাসের হোতা হচ্ছেন আপনারা (আওয়ামী লীগ)। সন্ত্রাসের হোতা হচ্ছে আওয়ামী লীগ, আর কেউ না।’
এর আগে বিকেলে এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বড় বড় মার্কেটে আগুন লাগার ঘটনাগুলো খুবই রহস্যজনক। ইতিমধ্যে ব্যবসায়ীসহ জনসাধারণের মনে অনেক প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে। বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর উদাসীনতা, নির্লিপ্ততা ও জবাবদিহি না থাকার কারণে এ ধরনের মর্মস্পর্শী ঘটনার বারবার পুনরাবৃত্তি ঘটছে—যা কোনোক্রমেই কাম্য হতে পারে না।’

ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যকে ‘দায়িত্বহীন’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘এ দেশে আগুন-সন্ত্রাসের হোতা আওয়ামী লীগ।’
রাজধানীর লেডিস ক্লাবে আজ শনিবার বিকেলে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল ও বার্ষিক সাধারণ সভায় বিএনপির মহাসচিব এসব কথা বলেন।
‘তারা (বিএনপি-জামায়াত) আগুনের মতো ঘটনা ঘটিয়ে ভিন্ন পথ অবলম্বন করছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা উচিত’—প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগকে ‘আগুন-সন্ত্রাসের হোতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে ফখরুল বলেন, ‘আজকে প্রধানমন্ত্রী হয়ে প্রকাশ্যে তিনি যে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিলেন, যে আগুনগুলো লেগেছে, সেই আগুনের পেছনে বিএনপি আছে কি না—তা খতিয়ে দেখতে হবে। কতটা দায়িত্বহীন কথা! একজন প্রধানমন্ত্রী, তাঁর উচিত ছিল যেটা বলার, সেটা হলো—এটার একটা নিরপেক্ষ তদন্ত করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেটা তো করছেন না। আগে থেকেই বলে দিচ্ছেন যে এটার সঙ্গে বিএনপি জড়িত আছে কি না তা দেখতে হবে। অর্থাৎ আগেই বলে দিচ্ছেন, ওই দিকে যেতে হবে, আঙ্গুলটা ওই দিকেই দেখাচ্ছেন। উদ্দেশ্য একটাই—যেভাবেই হোক, বিএনপিকে জড়িত করে দোষী সাব্যস্ত করা হবে।’
আওয়ামী লীগের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের বক্তব্য খুব স্পষ্ট—এ দেশে আগুন-সন্ত্রাসের হোতা হচ্ছেন আপনারা (আওয়ামী লীগ)। সন্ত্রাসের হোতা হচ্ছে আওয়ামী লীগ, আর কেউ না।’
এর আগে বিকেলে এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বড় বড় মার্কেটে আগুন লাগার ঘটনাগুলো খুবই রহস্যজনক। ইতিমধ্যে ব্যবসায়ীসহ জনসাধারণের মনে অনেক প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে। বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর উদাসীনতা, নির্লিপ্ততা ও জবাবদিহি না থাকার কারণে এ ধরনের মর্মস্পর্শী ঘটনার বারবার পুনরাবৃত্তি ঘটছে—যা কোনোক্রমেই কাম্য হতে পারে না।’

মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনে সহযোগিতার জন্য দায়িত্ব পালনকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজের ও পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘গভীর শোকের এই সময়ে আপনারা যে সহমর্মিতা, সম্মান ও দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন...
২৩ মিনিট আগে
সকাল থেকেই ভিড় জমিয়েছিলেন তাঁরা। উদ্দেশ্য জিয়া উদ্যানসংলগ্ন সদ্যপ্রয়াত খালেদা জিয়ার সমাধি প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা জানানো। সবার জন্য উন্মুক্ত করার পর দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম অগ্রসৈনিক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সমাধিতে তাঁরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। মোনাজাত করেন রুহের মাগফিরাত কামনা করে।
২৬ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে বের হয়ে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আলোচনায় আমরা বলেছি, দেশের স্বার্থে অতীতে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি, আগামীতেও ইনশা আল্লাহ একসঙ্গে কাজ করব। তারেক রহমানসহ উপস্থিত বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ একই আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন, আমরাও করেছি।’
২ ঘণ্টা আগে