নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

যুগপৎ আন্দোলনের সমমনা দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি নির্বাচন করবে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। নির্বাচনকে সামনে রেখে সমমনাদের নিয়ে জোট হতে পারে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘যুগপৎ যারা জুলাই আন্দোলন করেছে, আমরা তাদের নিয়ে নির্বাচন করতে চাই। আমাদের সমমনা যারা আছে, যাদের নিলে একটা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে পারব, সে হিসেবে আমাদের জোট গঠনের চেষ্টা হবে। এখন পর্যন্ত আমাদের জোট গঠনের কোনো পরিকল্পনা ঘোষিত হয়নি। তবে জোট করব না এমনও নয়।’
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমরা (বিএনপি) দক্ষিণপন্থাও না, উত্তরপন্থাও না, বাংলাদেশপন্থী, মধ্যপন্থাতে বিশ্বাস করি। সে জন্য সকল রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক শক্তি, যারা জনগণের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে রাজনীতি করে, তাদের সঙ্গে কথা বলছি। আমরা একটি গণমানুষের দল হিসেবে হিসেবে সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাপ করতে চাই। এ দেশের রাজনীতিতে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ অবস্থান সৃষ্টি করতে চাই। যাতে সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে আদর্শিক মতপার্থক্য থাকলেও সবাই যাতে জাতীয় স্বার্থে এক জায়গায় বসতে পারি। সে রকম একটা পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাই। এ জন্য সকল পন্থীর সঙ্গে আমরা আলোচনা করছি।’
তিনি বলেন, ‘ইসলামপন্থী দলগুলো বাংলাদেশের জনগণের একটা অংশের প্রতিনিধিত্ব করে। আইন প্রণয়ন করার আগে সবার মত নিয়ে যদি করা হয়, তবে সেটা বাস্তবায়ন করা যায়। সে জন্য আমরা একটা ঐকমত্য সৃষ্টির চেষ্টা করছি। সবার সঙ্গে কথা বলছি। আমরা মনে করি, বড় দল হিসেবে বিএনপির এটা দায়িত্ব।’
নির্বাচন কমিশনে প্রধান উপদেষ্টার চিঠি নিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা যে চিঠি পাঠিয়েছে, এটা হচ্ছে গত এক বছরের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। নির্বাচন কমিশন অফিশিয়ালি এই চিঠি পাওয়ার জন্যই এত দিন অপেক্ষা করছিল। সারা জাতি অপেক্ষা করছিল, আমরা অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা তাঁর সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম, সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি—এগুলোর একটু বর্তমান অবস্থা দৃশ্যমান হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সেই কথা আমাদের সঙ্গে আগেও হয়েছে। অবশেষে তিনি সন্তুষ্ট হয়েছেন।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘জনদাবি ছিল, রাজনীতির দাবি ছিল, অন্তত আগামী রমজানের আগেই যেন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেটা আমাদের নেতা তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনের আলোচনায় সম্মত হয়েছিলেন। তারপরে যৌথ ব্রিফিং হয়েছে। সেই ব্রিফিংয়ে তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) একটা কথা বলেছিলেন যে তবে সংস্কার ও বিচারকাজের অগ্রগতি দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন—তো সেটা দৃশ্যমান হয়েছে। ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আমাদের আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে। সংস্কারের বিষয়ে মোটামুটি একটা জাতীয় ঐকমত্য নিশ্চিত হয়েছে।’
এ সময় সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, সংবিধান সংশোধন ছাড়া যেসব সংস্কার এখনই বাস্তবায়ন করা সম্ভব, আগামী নির্বাচনের আগে সেসব সংস্কার কার্যকরে বিএনপির কোনো আপত্তি নেই। সরকারের এক বছর মূল্যায়ন করতে গিয়ে তিনি বলেন, সরকারের কাছে জাতির প্রত্যাশা অনেক ছিল, তারা তা পূরণ করতে পারেনি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেশি ব্যর্থতা ছিল।

যুগপৎ আন্দোলনের সমমনা দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি নির্বাচন করবে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। নির্বাচনকে সামনে রেখে সমমনাদের নিয়ে জোট হতে পারে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘যুগপৎ যারা জুলাই আন্দোলন করেছে, আমরা তাদের নিয়ে নির্বাচন করতে চাই। আমাদের সমমনা যারা আছে, যাদের নিলে একটা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে পারব, সে হিসেবে আমাদের জোট গঠনের চেষ্টা হবে। এখন পর্যন্ত আমাদের জোট গঠনের কোনো পরিকল্পনা ঘোষিত হয়নি। তবে জোট করব না এমনও নয়।’
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমরা (বিএনপি) দক্ষিণপন্থাও না, উত্তরপন্থাও না, বাংলাদেশপন্থী, মধ্যপন্থাতে বিশ্বাস করি। সে জন্য সকল রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক শক্তি, যারা জনগণের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে রাজনীতি করে, তাদের সঙ্গে কথা বলছি। আমরা একটি গণমানুষের দল হিসেবে হিসেবে সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাপ করতে চাই। এ দেশের রাজনীতিতে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ অবস্থান সৃষ্টি করতে চাই। যাতে সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে আদর্শিক মতপার্থক্য থাকলেও সবাই যাতে জাতীয় স্বার্থে এক জায়গায় বসতে পারি। সে রকম একটা পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাই। এ জন্য সকল পন্থীর সঙ্গে আমরা আলোচনা করছি।’
তিনি বলেন, ‘ইসলামপন্থী দলগুলো বাংলাদেশের জনগণের একটা অংশের প্রতিনিধিত্ব করে। আইন প্রণয়ন করার আগে সবার মত নিয়ে যদি করা হয়, তবে সেটা বাস্তবায়ন করা যায়। সে জন্য আমরা একটা ঐকমত্য সৃষ্টির চেষ্টা করছি। সবার সঙ্গে কথা বলছি। আমরা মনে করি, বড় দল হিসেবে বিএনপির এটা দায়িত্ব।’
নির্বাচন কমিশনে প্রধান উপদেষ্টার চিঠি নিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা যে চিঠি পাঠিয়েছে, এটা হচ্ছে গত এক বছরের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। নির্বাচন কমিশন অফিশিয়ালি এই চিঠি পাওয়ার জন্যই এত দিন অপেক্ষা করছিল। সারা জাতি অপেক্ষা করছিল, আমরা অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা তাঁর সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম, সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি—এগুলোর একটু বর্তমান অবস্থা দৃশ্যমান হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সেই কথা আমাদের সঙ্গে আগেও হয়েছে। অবশেষে তিনি সন্তুষ্ট হয়েছেন।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘জনদাবি ছিল, রাজনীতির দাবি ছিল, অন্তত আগামী রমজানের আগেই যেন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেটা আমাদের নেতা তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনের আলোচনায় সম্মত হয়েছিলেন। তারপরে যৌথ ব্রিফিং হয়েছে। সেই ব্রিফিংয়ে তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) একটা কথা বলেছিলেন যে তবে সংস্কার ও বিচারকাজের অগ্রগতি দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন—তো সেটা দৃশ্যমান হয়েছে। ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আমাদের আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে। সংস্কারের বিষয়ে মোটামুটি একটা জাতীয় ঐকমত্য নিশ্চিত হয়েছে।’
এ সময় সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, সংবিধান সংশোধন ছাড়া যেসব সংস্কার এখনই বাস্তবায়ন করা সম্ভব, আগামী নির্বাচনের আগে সেসব সংস্কার কার্যকরে বিএনপির কোনো আপত্তি নেই। সরকারের এক বছর মূল্যায়ন করতে গিয়ে তিনি বলেন, সরকারের কাছে জাতির প্রত্যাশা অনেক ছিল, তারা তা পূরণ করতে পারেনি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেশি ব্যর্থতা ছিল।

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৭ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৮ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৯ ঘণ্টা আগে