নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপনির্বাচনকে আওয়ামী লীগ মাগুরার দাদা বানিয়েছে’ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আর মাগুরা মার্কা নির্বাচন হবে না।’
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা-১২ মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও অগ্নিসন্ত্রাসের প্রতিবাদে ‘শান্তি সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব ভীষণ খেপে গেছেন। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপনির্বাচনে মাগুরার মতো সকাল ১০টার মধ্যে ভোট শেষ হবে না। দেশে আর কখনো সেই স্টাইলের নির্বাচন হবে না। আগামীকাল ভোট, আওয়ামী লীগ কোনো প্রকার হস্তান্তর করবে না। নির্বাচন নির্বাচনের মতোই হবে। আসল খেলা হবে আগামী নির্বাচনে।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের লাল কার্ড, সরকার পতন আন্দোলন, ৫৪ দল, ১০ ও ২৪ দফা—সবই ভুয়া। এখন তারা নীরব পদযাত্রা করছে। মানুষের শক্তি যখন কমে আসে, তখন মুখের বিষ বের হয়ে আসে, বিএনপি নেতাদের অবস্থাও তাই। কেউ মারা গেলে যেমন নীরব শোভাযাত্রা করে, আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে তাঁরা এখন সেটাই করছেন।’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘লন্ডনে বসে হুংকার দিচ্ছেন। সৎ সাহস থাকলে দেশে আসুন। আপনি কাপুরুষ। রাজনীতি আর করব না, এমন মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে পালিয়েছেন। ১৬ বছর হলো, তিনি আসেন না। এখন ফখরুল সাহেবরা রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে আন্দোলন করছেন, যা কর্পূরের মতো উড়ে যাবে। তাঁরা ক্ষমতায় যাওয়ার দিবাস্বপ্ন দেখছেন। দেখতে থাকেন। আমরা পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল করেছি। চলতি বছরেই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হচ্ছে।’
বাংলাদেশ আর অন্ধকারে ফিরে যাবে না জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত, যারা সেই খুনিদের পুরস্কৃত করেছে, শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা করেছে, তাদের হাতে বাংলাদেশ তুলে দেওয়া হবে না। যারা বাংলা ভাই ও সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান করেছে, দেশের টাকা পাচার করেছে, সেখানে বাংলাদেশ আর ফিরে যাবে না। অন্ধকারের শক্তিকে পরাজিত না করা পর্যন্ত এ লড়াই চলবে।’
শান্তি সমাবেশের প্রধান বক্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধী আলবদর-শামসদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল বিএনপি। তারা এখন আন্দোলন করতে চায়। আমরাও চাই করুক। কিন্তু কোনো ধরনের নৈরাজ্য করলে মেনে নেওয়া হবে না।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কখনো দেশ থেকে পালায়নি। প্রধানমন্ত্রীকে একসময় দেশে আসতে অনেকে নিষেধ করেছিলেন। কিন্তু তিনি এসেছেন। সাহস থাকলে আপনিও (তারেক রহমান) দেশে আসুন। দেশের জনগণ আপনাকে দেখবে, আপনি কী করেছিলেন। জনগণের শক্তিকে আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে, বন্দুকের গুলিকে নয়।’

‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপনির্বাচনকে আওয়ামী লীগ মাগুরার দাদা বানিয়েছে’ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আর মাগুরা মার্কা নির্বাচন হবে না।’
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা-১২ মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও অগ্নিসন্ত্রাসের প্রতিবাদে ‘শান্তি সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব ভীষণ খেপে গেছেন। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপনির্বাচনে মাগুরার মতো সকাল ১০টার মধ্যে ভোট শেষ হবে না। দেশে আর কখনো সেই স্টাইলের নির্বাচন হবে না। আগামীকাল ভোট, আওয়ামী লীগ কোনো প্রকার হস্তান্তর করবে না। নির্বাচন নির্বাচনের মতোই হবে। আসল খেলা হবে আগামী নির্বাচনে।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের লাল কার্ড, সরকার পতন আন্দোলন, ৫৪ দল, ১০ ও ২৪ দফা—সবই ভুয়া। এখন তারা নীরব পদযাত্রা করছে। মানুষের শক্তি যখন কমে আসে, তখন মুখের বিষ বের হয়ে আসে, বিএনপি নেতাদের অবস্থাও তাই। কেউ মারা গেলে যেমন নীরব শোভাযাত্রা করে, আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে তাঁরা এখন সেটাই করছেন।’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘লন্ডনে বসে হুংকার দিচ্ছেন। সৎ সাহস থাকলে দেশে আসুন। আপনি কাপুরুষ। রাজনীতি আর করব না, এমন মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে পালিয়েছেন। ১৬ বছর হলো, তিনি আসেন না। এখন ফখরুল সাহেবরা রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে আন্দোলন করছেন, যা কর্পূরের মতো উড়ে যাবে। তাঁরা ক্ষমতায় যাওয়ার দিবাস্বপ্ন দেখছেন। দেখতে থাকেন। আমরা পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল করেছি। চলতি বছরেই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হচ্ছে।’
বাংলাদেশ আর অন্ধকারে ফিরে যাবে না জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত, যারা সেই খুনিদের পুরস্কৃত করেছে, শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা করেছে, তাদের হাতে বাংলাদেশ তুলে দেওয়া হবে না। যারা বাংলা ভাই ও সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান করেছে, দেশের টাকা পাচার করেছে, সেখানে বাংলাদেশ আর ফিরে যাবে না। অন্ধকারের শক্তিকে পরাজিত না করা পর্যন্ত এ লড়াই চলবে।’
শান্তি সমাবেশের প্রধান বক্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধী আলবদর-শামসদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল বিএনপি। তারা এখন আন্দোলন করতে চায়। আমরাও চাই করুক। কিন্তু কোনো ধরনের নৈরাজ্য করলে মেনে নেওয়া হবে না।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কখনো দেশ থেকে পালায়নি। প্রধানমন্ত্রীকে একসময় দেশে আসতে অনেকে নিষেধ করেছিলেন। কিন্তু তিনি এসেছেন। সাহস থাকলে আপনিও (তারেক রহমান) দেশে আসুন। দেশের জনগণ আপনাকে দেখবে, আপনি কী করেছিলেন। জনগণের শক্তিকে আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে, বন্দুকের গুলিকে নয়।’

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৭ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৯ ঘণ্টা আগে