নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে ভিন্নধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল। আজ বৃহস্পতিবার জামায়াত ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের (ঢাকা-৬ আসনের) উদ্যোগে মন্দির ও পূজা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, অতীতে যারা সরকারে ছিল, তারা ভিন্নধর্মাবলম্বীদের অধিকার লুণ্ঠন করেছে। ভিন্নধর্মাবলম্বীদের সংখ্যালঘু বানিয়ে রেখেছিল। জামায়াতে ইসলামী সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগরিষ্ঠ নীতিতে বিশ্বাসী নয়। জামায়াতে ইসলামী মনে করে, রাষ্ট্রের কাছে প্রতিটি নাগরিক সমান।
বুলবুল বলেন, ইসলামি রাষ্ট্রের মূল শিক্ষা হচ্ছে, কারও অধিকার নষ্ট না করা। স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও এ দেশে হিন্দুধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত হয়নি। এখনো তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে হলে ধর্মীয় উপাসনালয় পাহারা দিতে হয়। মন্দির ও মূর্তি পাহারা দিতে হয়। কারণ, মানুষের তৈরি মতবাদে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা হয় না। জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে ইসলামি সমাজ প্রতিষ্ঠিত করে প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার সমানভাবে নিশ্চিত করা হবে। ইসলামি রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে ভিন্নধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
নূরুল ইসলাম বুলবুল আরও বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা ইতিমধ্যে স্বীকার করেছেন, জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতা-কর্মী কিংবা এ দেশের মাদ্রাসার কোনো ছাত্র-শিক্ষক হিন্দুদের সম্পদ লুট করেনি, ভাঙচুর করেনি। বরং যারা নিজেদের হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষের লোক দাবি করেছে, তারাই হিন্দুদের বাড়িঘর লুট করেছে, সম্পদ দখল করেছে।
ইসলামি সমাজ প্রতিষ্ঠিত হলে প্রতি ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম পালনে স্বাধীনতা লাভ করবেন উল্লেখ করে নূরুল ইসলাম বলেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী জামায়াতে ইসলামী যখন দলীয় কার্যক্রম স্বাধীনভাবে পরিচালনার পরিবেশ পেয়েছে, তখন দেশ-বিদেশে সব ধর্মের মানুষ বুঝতে পেরেছে, জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে ভিন্নধর্মাবলম্বীদের অধিকার লুণ্ঠন হবে না। বরং অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। তাই দল-মত-ধর্ম-বর্ণ-জাতি-গোষ্ঠীনির্বিশেষে মানুষ জামায়াতে ইসলামীর প্রতি আস্থা ও সমর্থন বাড়াতে থাকে। এতে একটি দলের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। যার কারণে ওই দল জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। কোনো অপপ্রচারে জামায়াতে ইসলামীর অগ্রযাত্রা থেমে যাবে না।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-৬ সংসদীয় আসন কমিটির নির্বাচন পরিচালক কামরুল আহসান হাসানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি, ঢাকা-৬ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক প্রমুখ।

জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে ভিন্নধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল। আজ বৃহস্পতিবার জামায়াত ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের (ঢাকা-৬ আসনের) উদ্যোগে মন্দির ও পূজা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, অতীতে যারা সরকারে ছিল, তারা ভিন্নধর্মাবলম্বীদের অধিকার লুণ্ঠন করেছে। ভিন্নধর্মাবলম্বীদের সংখ্যালঘু বানিয়ে রেখেছিল। জামায়াতে ইসলামী সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগরিষ্ঠ নীতিতে বিশ্বাসী নয়। জামায়াতে ইসলামী মনে করে, রাষ্ট্রের কাছে প্রতিটি নাগরিক সমান।
বুলবুল বলেন, ইসলামি রাষ্ট্রের মূল শিক্ষা হচ্ছে, কারও অধিকার নষ্ট না করা। স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও এ দেশে হিন্দুধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত হয়নি। এখনো তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে হলে ধর্মীয় উপাসনালয় পাহারা দিতে হয়। মন্দির ও মূর্তি পাহারা দিতে হয়। কারণ, মানুষের তৈরি মতবাদে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা হয় না। জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে ইসলামি সমাজ প্রতিষ্ঠিত করে প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার সমানভাবে নিশ্চিত করা হবে। ইসলামি রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে ভিন্নধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
নূরুল ইসলাম বুলবুল আরও বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা ইতিমধ্যে স্বীকার করেছেন, জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতা-কর্মী কিংবা এ দেশের মাদ্রাসার কোনো ছাত্র-শিক্ষক হিন্দুদের সম্পদ লুট করেনি, ভাঙচুর করেনি। বরং যারা নিজেদের হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষের লোক দাবি করেছে, তারাই হিন্দুদের বাড়িঘর লুট করেছে, সম্পদ দখল করেছে।
ইসলামি সমাজ প্রতিষ্ঠিত হলে প্রতি ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম পালনে স্বাধীনতা লাভ করবেন উল্লেখ করে নূরুল ইসলাম বলেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী জামায়াতে ইসলামী যখন দলীয় কার্যক্রম স্বাধীনভাবে পরিচালনার পরিবেশ পেয়েছে, তখন দেশ-বিদেশে সব ধর্মের মানুষ বুঝতে পেরেছে, জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে ভিন্নধর্মাবলম্বীদের অধিকার লুণ্ঠন হবে না। বরং অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। তাই দল-মত-ধর্ম-বর্ণ-জাতি-গোষ্ঠীনির্বিশেষে মানুষ জামায়াতে ইসলামীর প্রতি আস্থা ও সমর্থন বাড়াতে থাকে। এতে একটি দলের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। যার কারণে ওই দল জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। কোনো অপপ্রচারে জামায়াতে ইসলামীর অগ্রযাত্রা থেমে যাবে না।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-৬ সংসদীয় আসন কমিটির নির্বাচন পরিচালক কামরুল আহসান হাসানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি, ঢাকা-৬ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক প্রমুখ।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একটি দল নানা কৌশলে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ খুঁজছে। আমরা তাদের সেই সুযোগ দেব না। আজ শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
১৪ মিনিট আগে
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থেকে দূরে থাকতে সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়েছেন ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) সভাপতি ও মাছরাঙা টিভির বার্তা সম্পাদক রেজওয়ানুল হক রাজা। তিনি বলেছেন, ‘সাংবাদিকেরা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা দূর করতে না পারলে আমরা এক হতে পারব না।’
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতির ইতিহাসে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে ‘বৃহত্তর ঐক্য’ বা ‘এক বাক্সে ভোট’ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা দীর্ঘদিনের। ২০২৬ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে সেই সম্ভাবনা তুঙ্গে উঠলেও শেষ পর্যন্ত তা চরম নাটকীয়তায় পর্যবসিত হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রচারণার অংশ হিসেবে দুই দিনের সফরে উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি তিনি দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর ও গাইবান্ধা ভ্রমণ করবেন।
১৩ ঘণ্টা আগে