Ajker Patrika

সাইবার সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে মানুষকে হেনস্তা করার অপশন তৈরি করা হচ্ছে: ব্যারিস্টার ফুয়াদ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১৯: ৫৮
সাইবার সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে মানুষকে হেনস্তা করার অপশন তৈরি করা হচ্ছে: ব্যারিস্টার ফুয়াদ
জাতীয় প্রেসক্লাবে এবি পার্টি লইয়ার্সের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ নেতারা। ছবি: আজকের পত্রিকা

আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ সরকারের উদ্দেশে বলেছেন, ‘সাইবার সুরক্ষা আইন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যেটা করা হয়েছে, তা পর্যাপ্ত আলোচনার মাধ্যমে করা হয়েছে। তাহলে সেই আইনে আবারও হাত দিলেন কেন? মূলত এই আইনের মাধ্যমে সরকার মানুষকে হেনস্তা করার অনেক অপশন তৈরি করছে।’

আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এবি পার্টি লইয়ার্সের উদ্যোগে আয়োজিত ‘প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন: নিরাপত্তা বনাম হেনস্তা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এ কথা বলেন।

সরকারের উদ্দেশে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘যেটা আপনি করতে পারবেন না, সেটা করার চেষ্টা কইরেন না। পরে লেজেগোবরে হয়ে যাবেন। রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করে গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকতার বিপক্ষে দাঁড়ানোর প্রয়োজন আপনাদের নেই। সাইবার সুরক্ষা আইন অন্তর্বর্তী সরকার যতটুকু করে দিয়ে গেছে, সেটা আমাদের জন্য পর্যাপ্ত। সরকারের সমালোচনা জনগণ করতে পারবে না, এটা তো হতে পারে না।’

আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ‘সরকারের কর্তৃত্ববাদী মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসা দরকার। এগুলো সুশাসন না দিয়ে দুঃশাসন দেবে। বিএনপিকে আমরা চাঁদাবাজির দল মনে করি না। বিএনপিতে ভালো মানুষও আছে। কিন্তু এটাও সত্য, চাঁদাবাজ-দখলবাজ ও সন্ত্রাসী যা আছে, সব বিএনপির লোক।’

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘সাইবার সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে আমাদের মতো সাংবাদিকেরাও হুমকির মধ্যে রয়েছে। এই আইন দিয়ে যেকোনো মিডিয়া হাউস বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব। এ ছাড়া সরকারের কাছে কোনো জবাবদিহিরও সুযোগ নেই।’

একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের একজন সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিলের প্রসঙ্গ টেনে আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ‘সাংবাদিকদের দুই-তিনটা প্রশ্ন শুনে যদি ছয় মাসের মাথায় আপনার শরীর গরম হয়ে যায়, তাহলে সামনের দিকে আপনি সরকার পরিচালনা করবেন কীভাবে? দুইটা প্রশ্নও নিতে পারছেন না!’

সালমান মুক্তাদিরকে সরকার হেনস্তা করছে অভিযোগ করে এবি পার্টির এই নেতা বলেন, তাঁকে সরকার গত এক সপ্তাহ ধরে বেশি পরিমাণে হেনস্তা করছে। এখন পর্যন্ত এই হেনস্তার কোনো আইনি ভিত্তি নেই। মূলত সালমান মুক্তাদিরকে সরকার ‘সাইজ’ করতে চায়। কিন্তু এটি করার জন্য সরকারের কাছে কোনো সিরিয়াস টুলস্ নেই। গ্রেপ্তার করতে পারছে না তাঁর প্রোফাইল ও ফলোয়ার বেশি থাকার কারণে।

মতবিনিময় সভায় এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানাসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত