নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের একটি অংশ নিয়ে পূর্ব তিমুরের মতো খ্রিষ্টান দেশ বানানোর চক্রান্ত চলছে বলে সম্প্রতি অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চেয়েছেন, কে বা কারা এমন প্রস্তাব দিয়েছে?
মান্না বলেন, দেশের এবং সরকারের অবস্থা যখন খারাপ তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেন্ট মার্টিনের মতো রাখাইন আর পার্বত্য চট্টগ্রাম মিলিয়ে খ্রিষ্টান রাজ্য বানানোর প্রস্তাব পেয়েছেন বলে নতুন কাহিনি শুরু করেছেন।
আজ শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দলের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ নেতা-কর্মীদের মুক্তি এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত এক অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘এবার কাহিনি তৈরি করেছেন, এক সাদা চামড়ার লোক নাকি তাঁকে (শেখ হাসিনা) প্রস্তাব দিয়েছেন। ওই রাখাইনদের একটা অংশ নিয়ে আর পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে নতুন একটা খ্রিষ্টান রাজ্য গড়ে তুলতে হবে। তাঁর কাছে প্রস্তাবটা কে দিয়েছে? চামড়া সাদা তো ব্রিটিশদেরও, ইউরোপিয়ানদেরও, কানাডীয়দেরও, জাপানিজদেরও। কোন সাদা চামড়ার লোক আপনাকে এই প্রস্তাব দিয়েছে সেটা বলতে হবে। উনি সেটা বলতে পারবেন না। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চাই, কোন মানুষ, কোন সরকার, কোন দেশ আপনার কাছে পার্বত্য চট্টগ্রাম চায়?’
আজিজ আহমেদের নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে মান্না বলেন, ‘স্যাংশন যদি ঠিকমতো হয়, তাহলে শুধু সেনাপ্রধান খাবেন না, তৎকালীন রাষ্ট্রপতিও খাবেন, এখনকার এবং তখনকার যে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন সেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও স্যাংশন খাবেন। অপেক্ষা করেন, আমরাই আপনাকে স্যানশন দেব। সেই পথ তৈরি হচ্ছে, সেই পথেই মানুষ এখন যাচ্ছে।’
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদের দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘ভাবতে পারেন একটা লোক কত ধরনের দুর্নীতি করেছে। একজনকে র্যাবপ্রধান বানিয়েছিলেন, তারপরে পুলিশপ্রধান, তারপরে তার নামে পুরো বাহিনীরই বদনাম হয়েছে, র্যাব স্যাংশন খেয়েছে। এখন আবার তার নামে আমেরিকা নয়, বিদেশ নয়, দেশের মধ্য থেকে তদন্ত হচ্ছে। অ্যাকাউন্ট জব্দ, বন্ধ এবং তার যত সম্পত্তি আছে সবকিছু বাজেয়াপ্ত।’
কলকাতায় নিহত ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার প্রসঙ্গে মান্না বলেন, ‘সেই এমপির নামে ইন্টারপোলের রেড অ্যালার্ট ছিল। যার নামে খুনের মামলা ছিল, ধর্ষণ-লুট সব ধরনের মামলা ছিল। সেই এমপি নিজেই বলেছিলেন, আমি প্রথমবার যখন এমপি হয়েছি তখন কয়েকটা মামলা উঠে গেছে। তার পরে ধীরে ধীরে এবার এমপি হওয়ার পর আমার নামে সব মামলা উঠে গেছে। সব চোর-চোট্টা-খুনি–ডাকাত মিলে আওয়ামী লীগের দল।’
জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দলের সভাপতি সেলিম রেজা বাবুর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, সহপ্রচার সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, কেন্দ্রীয় নেতা আজমল হোসেন পাইলট, ভিপি ইব্রাহীম প্রমুখ।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের একটি অংশ নিয়ে পূর্ব তিমুরের মতো খ্রিষ্টান দেশ বানানোর চক্রান্ত চলছে বলে সম্প্রতি অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চেয়েছেন, কে বা কারা এমন প্রস্তাব দিয়েছে?
মান্না বলেন, দেশের এবং সরকারের অবস্থা যখন খারাপ তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেন্ট মার্টিনের মতো রাখাইন আর পার্বত্য চট্টগ্রাম মিলিয়ে খ্রিষ্টান রাজ্য বানানোর প্রস্তাব পেয়েছেন বলে নতুন কাহিনি শুরু করেছেন।
আজ শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দলের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ নেতা-কর্মীদের মুক্তি এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত এক অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘এবার কাহিনি তৈরি করেছেন, এক সাদা চামড়ার লোক নাকি তাঁকে (শেখ হাসিনা) প্রস্তাব দিয়েছেন। ওই রাখাইনদের একটা অংশ নিয়ে আর পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে নতুন একটা খ্রিষ্টান রাজ্য গড়ে তুলতে হবে। তাঁর কাছে প্রস্তাবটা কে দিয়েছে? চামড়া সাদা তো ব্রিটিশদেরও, ইউরোপিয়ানদেরও, কানাডীয়দেরও, জাপানিজদেরও। কোন সাদা চামড়ার লোক আপনাকে এই প্রস্তাব দিয়েছে সেটা বলতে হবে। উনি সেটা বলতে পারবেন না। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চাই, কোন মানুষ, কোন সরকার, কোন দেশ আপনার কাছে পার্বত্য চট্টগ্রাম চায়?’
আজিজ আহমেদের নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে মান্না বলেন, ‘স্যাংশন যদি ঠিকমতো হয়, তাহলে শুধু সেনাপ্রধান খাবেন না, তৎকালীন রাষ্ট্রপতিও খাবেন, এখনকার এবং তখনকার যে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন সেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও স্যাংশন খাবেন। অপেক্ষা করেন, আমরাই আপনাকে স্যানশন দেব। সেই পথ তৈরি হচ্ছে, সেই পথেই মানুষ এখন যাচ্ছে।’
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদের দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘ভাবতে পারেন একটা লোক কত ধরনের দুর্নীতি করেছে। একজনকে র্যাবপ্রধান বানিয়েছিলেন, তারপরে পুলিশপ্রধান, তারপরে তার নামে পুরো বাহিনীরই বদনাম হয়েছে, র্যাব স্যাংশন খেয়েছে। এখন আবার তার নামে আমেরিকা নয়, বিদেশ নয়, দেশের মধ্য থেকে তদন্ত হচ্ছে। অ্যাকাউন্ট জব্দ, বন্ধ এবং তার যত সম্পত্তি আছে সবকিছু বাজেয়াপ্ত।’
কলকাতায় নিহত ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার প্রসঙ্গে মান্না বলেন, ‘সেই এমপির নামে ইন্টারপোলের রেড অ্যালার্ট ছিল। যার নামে খুনের মামলা ছিল, ধর্ষণ-লুট সব ধরনের মামলা ছিল। সেই এমপি নিজেই বলেছিলেন, আমি প্রথমবার যখন এমপি হয়েছি তখন কয়েকটা মামলা উঠে গেছে। তার পরে ধীরে ধীরে এবার এমপি হওয়ার পর আমার নামে সব মামলা উঠে গেছে। সব চোর-চোট্টা-খুনি–ডাকাত মিলে আওয়ামী লীগের দল।’
জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দলের সভাপতি সেলিম রেজা বাবুর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, সহপ্রচার সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, কেন্দ্রীয় নেতা আজমল হোসেন পাইলট, ভিপি ইব্রাহীম প্রমুখ।

জামায়াত আমিরের সঙ্গে বৈঠকে আরও থাকবেন দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান।
১ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হই, তাহলে আগামী দিনে এভাবেই শোকসভা ও শোকগাথা চলতেই থাকবে। সুতরাং আর শোকগাথা বা শোক সমাবেশ নয়। আসুন...গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামীর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয় গাথা রচনা করবে।’
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের ‘মুক্তিযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছিলেন, এ দেশের স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকদের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
৬ ঘণ্টা আগে