নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ষড়যন্ত্র ও অপবাদ দিয়ে বিএনপির সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। এ বিষয়ে সজাগ থেকে নেতা-কর্মীদের প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আজ রোববার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে রমনা থানা বিএনপির সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রমে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।
‘চাঁদাবাজি করে অন্য দলের লোক, নাম হয় বিএনপির’—এমন অভিযোগ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমার এলাকায় কিছু লোক চাঁদাবাজি করছেন, পরিচয় দিচ্ছেন আব্বাসের লোক।’
তিনি বলেন, ‘আমার কোনো ভাই ব্রাদার আত্মীয়স্বজন চাঁদাবাজি করতে যায় না। আমার নাম যারা বলবে, সে যেই হোক তাকে আপনারা ছেড়ে কথা বলবেন না। তাকে ধরবেন, উত্তম মধ্যম দেবেন, তারপর পুলিশে দেবেন। মির্জা আব্বাসের কোনো সহকর্মীর মির্জা আব্বাসের কোনো বন্ধু চাঁদাবাজ হতে পারে না।’
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘চাঁদাবাজদের প্রতিরোধ করতে হবে যদি সে বিএনপিরও হয়, তাকে ছাড় দেওয়া যাবে না। চাঁদাবাজ কে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। আমি কথাগুলো এ কারণে বললাম যে এখন আসছে দলের মধ্যে অনেকে হালুয়া রুটির ভাগ নিতে।’
বাংলাদেশে বিএনপির সমর্থক ও ভোটারেরা অনেক বেশি উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এই সুনামকে ক্ষুণ্ন করার জন্য এক শ্রেণির লোক, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় দেখবেন বিএনপির নামে ভালো কোনো কথা বেশি লেখা হয় না। একদল দেশে এবং বিদেশে চক্রান্ত করে বিএনপিকে জনগণের সামনে পচিয়ে ফেলার চেষ্টা করছে। এটা আমাদের প্রতিহত করতে হবে।’
দলে নতুন সদস্য ও অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো খারাপ লোককে সদস্য করা যাবে না। একটা কথা মনে রাখতে হবে দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো। আমার গোয়াল খালি থাক কিন্তু কোনো দুষ্টু গরু জায়গা দেওয়া যাবে না।’

ষড়যন্ত্র ও অপবাদ দিয়ে বিএনপির সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। এ বিষয়ে সজাগ থেকে নেতা-কর্মীদের প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আজ রোববার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে রমনা থানা বিএনপির সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রমে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।
‘চাঁদাবাজি করে অন্য দলের লোক, নাম হয় বিএনপির’—এমন অভিযোগ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমার এলাকায় কিছু লোক চাঁদাবাজি করছেন, পরিচয় দিচ্ছেন আব্বাসের লোক।’
তিনি বলেন, ‘আমার কোনো ভাই ব্রাদার আত্মীয়স্বজন চাঁদাবাজি করতে যায় না। আমার নাম যারা বলবে, সে যেই হোক তাকে আপনারা ছেড়ে কথা বলবেন না। তাকে ধরবেন, উত্তম মধ্যম দেবেন, তারপর পুলিশে দেবেন। মির্জা আব্বাসের কোনো সহকর্মীর মির্জা আব্বাসের কোনো বন্ধু চাঁদাবাজ হতে পারে না।’
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘চাঁদাবাজদের প্রতিরোধ করতে হবে যদি সে বিএনপিরও হয়, তাকে ছাড় দেওয়া যাবে না। চাঁদাবাজ কে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। আমি কথাগুলো এ কারণে বললাম যে এখন আসছে দলের মধ্যে অনেকে হালুয়া রুটির ভাগ নিতে।’
বাংলাদেশে বিএনপির সমর্থক ও ভোটারেরা অনেক বেশি উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এই সুনামকে ক্ষুণ্ন করার জন্য এক শ্রেণির লোক, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় দেখবেন বিএনপির নামে ভালো কোনো কথা বেশি লেখা হয় না। একদল দেশে এবং বিদেশে চক্রান্ত করে বিএনপিকে জনগণের সামনে পচিয়ে ফেলার চেষ্টা করছে। এটা আমাদের প্রতিহত করতে হবে।’
দলে নতুন সদস্য ও অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো খারাপ লোককে সদস্য করা যাবে না। একটা কথা মনে রাখতে হবে দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো। আমার গোয়াল খালি থাক কিন্তু কোনো দুষ্টু গরু জায়গা দেওয়া যাবে না।’

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
৮ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
৯ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
১০ ঘণ্টা আগে