ঢাবি প্রতিনিধি

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী স্পষ্টবাদী মানুষ ছিলেন, দেশ ও মানুষের জন্য কথা বলতে কখনো পিছপা হননি — বলে মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর কফিনে শ্রদ্ধা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসাধারণ ভূমিকা, মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মানুষের সেবা এবং মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে গণস্বাস্থ্যের যে ধারণা, সে ধারণা নিয়ে দেশের সাধারণ মানুষের কাছে যেন সেবা পৌঁছায় সেজন্য তিনি আজীবন কাজ করে গেছেন। তাঁর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতাল, ওষুধ, ওষুধ নীতি সবকিছুই বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। এটি ছিল তাঁর স্বপ্ন।
তার স্বাস্থ্যনীতি যেটি তিনি করতে চেয়েছিলেন সেটি পরিপূর্ণরুপে করতে পারেননি, সেটি করতে পারলে হয়ত বাংলাদেশের সব মানুষই স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারত— বলে উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল।
ফখরুল আরো বলেন, ‘তিনি (জাফরুল্লাহ) একজন অসাধারণ সাহসী, দেশপ্রেমিক, সৎ এবং নির্ভীক মানুষ। তিনি স্পষ্টবাদী ছিলেন, দেশের জন্য, মানুষের জন্য কথা বলতে কখনো পিছপা হননি। এই রাষ্ট্রকে সত্যিকারার্থে একটি জনগণের রাষ্ট্র, এ রাষ্ট্রকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র, সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য একটি সমাজ বিনির্মাণের জন্য তিনি সারাটি জীবন উৎসর্গ করে গেছেন।’
ফখরুল আরও বলেন, ‘তার চলে যাওয়া আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি এবং যে স্থান শূন্য হলো সেটি আর কখনো পূরণ হবার নয়। তাঁর প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, স্যালুট জানাচ্ছি ; অভিবাদন জানাচ্ছি।’

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী স্পষ্টবাদী মানুষ ছিলেন, দেশ ও মানুষের জন্য কথা বলতে কখনো পিছপা হননি — বলে মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর কফিনে শ্রদ্ধা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসাধারণ ভূমিকা, মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মানুষের সেবা এবং মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে গণস্বাস্থ্যের যে ধারণা, সে ধারণা নিয়ে দেশের সাধারণ মানুষের কাছে যেন সেবা পৌঁছায় সেজন্য তিনি আজীবন কাজ করে গেছেন। তাঁর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতাল, ওষুধ, ওষুধ নীতি সবকিছুই বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। এটি ছিল তাঁর স্বপ্ন।
তার স্বাস্থ্যনীতি যেটি তিনি করতে চেয়েছিলেন সেটি পরিপূর্ণরুপে করতে পারেননি, সেটি করতে পারলে হয়ত বাংলাদেশের সব মানুষই স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারত— বলে উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল।
ফখরুল আরো বলেন, ‘তিনি (জাফরুল্লাহ) একজন অসাধারণ সাহসী, দেশপ্রেমিক, সৎ এবং নির্ভীক মানুষ। তিনি স্পষ্টবাদী ছিলেন, দেশের জন্য, মানুষের জন্য কথা বলতে কখনো পিছপা হননি। এই রাষ্ট্রকে সত্যিকারার্থে একটি জনগণের রাষ্ট্র, এ রাষ্ট্রকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র, সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য একটি সমাজ বিনির্মাণের জন্য তিনি সারাটি জীবন উৎসর্গ করে গেছেন।’
ফখরুল আরও বলেন, ‘তার চলে যাওয়া আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি এবং যে স্থান শূন্য হলো সেটি আর কখনো পূরণ হবার নয়। তাঁর প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, স্যালুট জানাচ্ছি ; অভিবাদন জানাচ্ছি।’

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘কৌশলের নামে গুপ্ত কিংবা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যে দলের কর্মীরা অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে আপসহীন ভূমিকা রাখতে পারে, সেই দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কিংবা অপপ্রচার চালিয়ে দমন করা যাবে না।’
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একটি দল নানা কৌশলে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ খুঁজছে। আমরা তাদের সেই সুযোগ দেব না। আজ শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
২ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থেকে দূরে থাকতে সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়েছেন ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) সভাপতি ও মাছরাঙা টিভির বার্তা সম্পাদক রেজওয়ানুল হক রাজা। তিনি বলেছেন, ‘সাংবাদিকেরা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা দূর করতে না পারলে আমরা এক হতে পারব না।’
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতির ইতিহাসে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে ‘বৃহত্তর ঐক্য’ বা ‘এক বাক্সে ভোট’ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা দীর্ঘদিনের। ২০২৬ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে সেই সম্ভাবনা তুঙ্গে উঠলেও শেষ পর্যন্ত তা চরম নাটকীয়তায় পর্যবসিত হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে