
গণতন্ত্র থেকে দেশ আবারও এক দলীয় স্বৈরতন্ত্রের দিকে যাচ্ছে কি না—এমন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র থেকে দেশ আবারও এক দলীয় স্বৈরতন্ত্রের দিকে যাবে কি না, সে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। প্রশাসন এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করা হচ্ছে।
আজ বুধবার সিলেটের হিল ভিউ কনভেনশন সেন্টারে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সিলেট বিভাগীয় ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ঘটনা ও নিয়োগের প্রসঙ্গ তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমাদের আরেকটি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে হবে। তবে এবার আমরা ভুল করতে চাই না। আমরা পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামব। আমরা একটা গণ-অভ্যুত্থান করেছি, গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে আমরা অনেক ভুল করেছি। সে জন্য আজ দেশের এই বেহাল দশা তৈরি হয়েছে।’
ইফতার মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন–এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম ও ছাত্রশক্তির সদস্যসচিব আবু বাকের মজুমদারসহ কেন্দ্রীয় ও সিলেট বিভাগীয় নেতারা। এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ এগারো দলীয় জোটের সিলেট বিভাগীয় নেতারাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ শুরুতেই লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম এবং সমাধান-পরিকল্পনা প্রস্তাব করছি...
১৪ ঘণ্টা আগে
আজ আমাদের জন্য একটা আনন্দের দিন যে, এই দিনে সেই নেত্রী (খালেদা জিয়া) জন্ম নিয়েছিলেন। যিনি বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন এবং বাংলাদেশে বারবার তিনি নেতৃত্ব-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন। তিনি বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করবার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন...
১৬ ঘণ্টা আগে
মুক্তিযুদ্ধের পর যে গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছিল, তা বাস্তবায়িত হয়নি। সেই রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির মধ্যেই একটি প্রতিক্রিয়াশীল পটপরিবর্তনের লক্ষ্যে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা
১৭ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ম্যুরাল গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাই প্রমাণ করে ১৫ আগস্ট ও ৫ আগস্ট সেই একই রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশের জন্মশত্রু-চিরশত্রুদের কাজ। তারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিচ্ছে, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছে...
১৭ ঘণ্টা আগে