নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জুলাই জাতীয় সনদে রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতির প্রশ্নে কোনো নোট অব ডিসেন্টের ঘোরতর বিপক্ষে বাম গণতান্ত্রিক জোট। আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভা থেকে বের হয়ে জোট সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ এমনটি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি পরিবর্তনের প্রশ্নে শুধু ভিন্নমত না, ঘোরতর আপত্তি। আমরা আগেই বলেছি, নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে আমরা সেখানে স্বাক্ষর করতে পারব না।’
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেছেন, ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে বেলা ২টার সময় আমাদের জানানো হয়েছে যে, ঐকমত্য কমিশনে জরুরি ভিত্তিতে একটা সভা হবে, আপনাদের উপস্থিতি কাম্য। তার দুই ঘণ্টা পরে ঐকমত্য কমিশন থেকে আবার জানানো হলো যে, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি, তিনি আজকের এই সভায় উপস্থিত থাকবেন। কী বিষয়, কী বৃত্তান্ত—এই সম্পর্কিত কোনো বিষয় বা অ্যাজেন্ডা উল্লেখ করা হয় নাই চিঠিতে, টেলিফোনে কিংবা পরবর্তীকালে মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে।’
বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম যে, ঐকমত্য কমিশন গতকাল রাত সাড়ে ৮টায় যে চূড়ান্ত জুলাই জাতীয় সনদের খসড়াটা আমাদের কাছে পাঠিয়েছে, সেখানে আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে দেখলাম যে, আমরা ইতিপূর্বে যে বিষয়গুলো কনসার্ন ফিল করেছিলাম এবং ইতিপূর্বে যে কথা হয়েছিল, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা গত বছরের ৫ অক্টোবর আমাদের যে বিষয়টা বলেছিলেন, যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হবে, সেই বিষয়গুলো সব দল সর্বসম্মতভাবে ঐকমত্য হবে, এর বাইরে কোনো ঐকমত্য হবে না। আজকে দেখলাম, দীর্ঘদিনের আলোচনায় এবং আজকেও সর্বশেষ এসে যেটা বলা হলো, বেশ কিছু বিষয়ে বিভিন্ন দলের, একাধিক দলের সেখানে নোট অব ডিসেন্ট আছে। সেগুলো সহই জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর করার জন্য সেখানে তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
বজলুর রশীদ ফিরোজ আরও বলেন, ‘আমরা বাম গণতান্ত্রিক জোটভুক্ত এখানে তিনটি দল আছি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ-মার্ক্সবাদী)। এর বাইরে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদ এবং গণফোরামের নেতারা এখানে আছেন, আমরা বেশ কিছু বিষয় উত্থাপন করেছিলাম, জুলাই জাতীয় সনদের যে পটভূমি, সেই পটভূমির মধ্যে সেখানে সঠিক ইতিহাস বর্ণিত হয় নাই এবং নোট অব ডিসেন্টগুলো প্রোপারলি আসে নাই। আমরা বলেছিলাম যে, শুধু ভিন্নমত না, ঘোরতর আপত্তি, রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি, সেই মূলনীতির বিষয়ে আমরা বলেছিলাম, নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে আমরা সেখানে স্বাক্ষর করতে পারব না। আমরা ওয়াকআউট করেছিলাম, এই পাঁচটি দল, ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা সভা থেকে। বলা হয়েছে যে, পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, নোট ডিসেন্টসহ কীভাবে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হবে? আদালতে যাওয়া যাবে না।’
এসব বিষয় নিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির অফিসে সংবাদ সম্মেলন হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

জুলাই জাতীয় সনদে রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতির প্রশ্নে কোনো নোট অব ডিসেন্টের ঘোরতর বিপক্ষে বাম গণতান্ত্রিক জোট। আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভা থেকে বের হয়ে জোট সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ এমনটি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি পরিবর্তনের প্রশ্নে শুধু ভিন্নমত না, ঘোরতর আপত্তি। আমরা আগেই বলেছি, নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে আমরা সেখানে স্বাক্ষর করতে পারব না।’
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেছেন, ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে বেলা ২টার সময় আমাদের জানানো হয়েছে যে, ঐকমত্য কমিশনে জরুরি ভিত্তিতে একটা সভা হবে, আপনাদের উপস্থিতি কাম্য। তার দুই ঘণ্টা পরে ঐকমত্য কমিশন থেকে আবার জানানো হলো যে, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি, তিনি আজকের এই সভায় উপস্থিত থাকবেন। কী বিষয়, কী বৃত্তান্ত—এই সম্পর্কিত কোনো বিষয় বা অ্যাজেন্ডা উল্লেখ করা হয় নাই চিঠিতে, টেলিফোনে কিংবা পরবর্তীকালে মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে।’
বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম যে, ঐকমত্য কমিশন গতকাল রাত সাড়ে ৮টায় যে চূড়ান্ত জুলাই জাতীয় সনদের খসড়াটা আমাদের কাছে পাঠিয়েছে, সেখানে আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে দেখলাম যে, আমরা ইতিপূর্বে যে বিষয়গুলো কনসার্ন ফিল করেছিলাম এবং ইতিপূর্বে যে কথা হয়েছিল, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা গত বছরের ৫ অক্টোবর আমাদের যে বিষয়টা বলেছিলেন, যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হবে, সেই বিষয়গুলো সব দল সর্বসম্মতভাবে ঐকমত্য হবে, এর বাইরে কোনো ঐকমত্য হবে না। আজকে দেখলাম, দীর্ঘদিনের আলোচনায় এবং আজকেও সর্বশেষ এসে যেটা বলা হলো, বেশ কিছু বিষয়ে বিভিন্ন দলের, একাধিক দলের সেখানে নোট অব ডিসেন্ট আছে। সেগুলো সহই জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর করার জন্য সেখানে তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
বজলুর রশীদ ফিরোজ আরও বলেন, ‘আমরা বাম গণতান্ত্রিক জোটভুক্ত এখানে তিনটি দল আছি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ-মার্ক্সবাদী)। এর বাইরে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদ এবং গণফোরামের নেতারা এখানে আছেন, আমরা বেশ কিছু বিষয় উত্থাপন করেছিলাম, জুলাই জাতীয় সনদের যে পটভূমি, সেই পটভূমির মধ্যে সেখানে সঠিক ইতিহাস বর্ণিত হয় নাই এবং নোট অব ডিসেন্টগুলো প্রোপারলি আসে নাই। আমরা বলেছিলাম যে, শুধু ভিন্নমত না, ঘোরতর আপত্তি, রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি, সেই মূলনীতির বিষয়ে আমরা বলেছিলাম, নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে আমরা সেখানে স্বাক্ষর করতে পারব না। আমরা ওয়াকআউট করেছিলাম, এই পাঁচটি দল, ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা সভা থেকে। বলা হয়েছে যে, পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, নোট ডিসেন্টসহ কীভাবে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হবে? আদালতে যাওয়া যাবে না।’
এসব বিষয় নিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির অফিসে সংবাদ সম্মেলন হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়–১ ও ২ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) দলীয় মুখপাত্র ও সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জোটের বৈঠক শেষে নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক...
৪৩ মিনিট আগে
নাহিদ বলেন, ‘এই জোট নিয়ে আকাঙ্ক্ষার জায়গা আছে, এটা জনগণ বুঝে। নির্বাচন প্রতিযোগিতাপূর্ণ হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের উত্তরণ ঘটবে, এটা আমাদের প্রত্যাশা। জোট গঠনের প্রক্রিয়ার সময় বেশি দিন না হওয়ায় কিছু মতভিন্নতা রয়েছে। এটা কেটে যাবে।’
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে আজ রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।মামুনুল হক বলেন, ‘১০ দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।
২ ঘণ্টা আগে
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রবাসীদের কাছে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে— কীভাবে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ভোট কীভাবে প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং কোথাও একসঙ্গে ২০০–৩০০ ব্যালট থাকলে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হবে।’
২ ঘণ্টা আগে