নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জোটের স্ব-স্ব দলকে আরও সংগঠিত এবং জনগণের কাছে জনপ্রিয় করে তুলতে ১৪ দলের নেতৃবৃন্দকে দ্বিতীয় নির্দেশনা দিয়েছেন জোটনেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) জোটের বৈঠকে সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।
এ ছাড়া, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে ১৪ দলকে আরও সংগঠিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বৈঠকের পর ১৪ দলের মধ্যে যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে সেটা থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন ওবায়দুল কাদের।
বৈঠক শেষে গণভবনে সাংবাদিকদের ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অসাম্প্রদায়িক মানবতা বোধকে এগিয়ে নিতে ১৪ দলকে আরও সংগঠিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা। এ বৈঠকের পর ১৪ দলের মধ্যে যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে সেটা থাকবে না।’
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভবিষ্যত নিয়ে দ্বিধায় থাকা কেন্দ্রীয় ১৪ দলের শরিকদলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বিএনপি-জামায়াতকে প্রতিহত করতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কয়েকটি রাজনৈতিক দল নিয়ে ২০০৪ সালে গঠিত হয় রাজনৈতিক জোট কেন্দ্রীয় ১৪ দল। জোটের প্রধান শরিক আওয়ামী লীগ। শুরু থেকেই এই জোটের সমন্বয়ক ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা মোহাম্মদ নাসিম। তাঁর মৃত্যুর পর এ দায়িত্ব পান আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু।
মূলত তিনটি বিষয় মাথায় রেখে গঠন হয় ১৪ দল। এগুলো হলো জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে অবস্থান; উন্নয়নমূলক কাজের ভিশন এবং সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে দৃঢ় অবস্থান।
১৪টি দলের সমন্বয়ে রাজনৈতিক এ জোট গঠিত হলেও বর্তমানে দল আছে ১২টি। আওয়ামী লীগ, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, সাম্যবাদী দল, জাসদ, গণতন্ত্রী পার্টি, ন্যাপ, গণ আজাদী লীগ, কমিউনিস্ট কেন্দ্র, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল(বাসদ), বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন (বিটিএফ), জাতীয় পার্টি(মঞ্জু)—এগুলোর মাঝে কয়েকটি দল বাদে বাকি দলগুলোর অস্তিত্ব মূলত প্যাডসর্বস্ব।

জোটের স্ব-স্ব দলকে আরও সংগঠিত এবং জনগণের কাছে জনপ্রিয় করে তুলতে ১৪ দলের নেতৃবৃন্দকে দ্বিতীয় নির্দেশনা দিয়েছেন জোটনেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) জোটের বৈঠকে সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।
এ ছাড়া, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে ১৪ দলকে আরও সংগঠিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বৈঠকের পর ১৪ দলের মধ্যে যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে সেটা থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন ওবায়দুল কাদের।
বৈঠক শেষে গণভবনে সাংবাদিকদের ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অসাম্প্রদায়িক মানবতা বোধকে এগিয়ে নিতে ১৪ দলকে আরও সংগঠিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা। এ বৈঠকের পর ১৪ দলের মধ্যে যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে সেটা থাকবে না।’
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভবিষ্যত নিয়ে দ্বিধায় থাকা কেন্দ্রীয় ১৪ দলের শরিকদলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বিএনপি-জামায়াতকে প্রতিহত করতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কয়েকটি রাজনৈতিক দল নিয়ে ২০০৪ সালে গঠিত হয় রাজনৈতিক জোট কেন্দ্রীয় ১৪ দল। জোটের প্রধান শরিক আওয়ামী লীগ। শুরু থেকেই এই জোটের সমন্বয়ক ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা মোহাম্মদ নাসিম। তাঁর মৃত্যুর পর এ দায়িত্ব পান আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু।
মূলত তিনটি বিষয় মাথায় রেখে গঠন হয় ১৪ দল। এগুলো হলো জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে অবস্থান; উন্নয়নমূলক কাজের ভিশন এবং সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে দৃঢ় অবস্থান।
১৪টি দলের সমন্বয়ে রাজনৈতিক এ জোট গঠিত হলেও বর্তমানে দল আছে ১২টি। আওয়ামী লীগ, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, সাম্যবাদী দল, জাসদ, গণতন্ত্রী পার্টি, ন্যাপ, গণ আজাদী লীগ, কমিউনিস্ট কেন্দ্র, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল(বাসদ), বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন (বিটিএফ), জাতীয় পার্টি(মঞ্জু)—এগুলোর মাঝে কয়েকটি দল বাদে বাকি দলগুলোর অস্তিত্ব মূলত প্যাডসর্বস্ব।

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৮ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
২০ ঘণ্টা আগে