আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জামায়াতীকরণ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সরকারকে ‘বিশেষ একটি দলের সমর্থিত সরকার’ অভিহিত করে তিনি বলেন, দেশের বড় বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ওই বিশেষ দলের লোকজনকে দায়িত্বে বসানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভা ও দোয়ার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতায় দোয়ার জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিইএবি)।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় রিজভী বলেন, ‘এক বিশেষ দল আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয় দখল করে নিয়েছে। সব বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াতীকরণ করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জামায়াতীকরণ করা হয়েছে। এটা অত্যন্ত ভয়ংকর বিষয়। বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বে জামায়াতী চেতনার লোকজনকে বসানো হয়েছে। আমাদের (বিএনপি) সমর্থিত লোকজন যেমন আওয়ামী লীগের আমলে বঞ্চিত হয়েছে, তেমনিভাবে এখনো বঞ্চিত হচ্ছে।’
অনুষ্ঠানে রিজভী আরও বলেন, ‘মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর বলছে, রাষ্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না। এগুলো তো হাসিনার কথার প্রতিধ্বনি। এই সরকার তো গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ফসল। আর গণতন্ত্র মানেই হচ্ছে, আলোচনা-সমালোচনা, তীব্র সমালোচনা হবে এবং সরকার সব শুনবে। রাষ্ট্রের বিরোধিতা অপরাধমূলক কিন্তু সরকারের বিরোধিতা তো অপরাধমূলক নয়। অথচ মাউশি বলে দিল, সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না।
রিজভী বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল নানাভাবে মনে করছেন, জুলাই-আগস্টের বিজয় শুধু তাদের। এই অন্তর্বর্তী সরকার তাদের সরকার। আমাদের কোনো করণীয় ছিল না, কোনো অবদান নেই। আমরা এক-এগারোর সরকারকে বলতাম সেনাসমর্থিত সরকার। আর এখন অনেকে বলছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার সেই বিশেষ দল-সমর্থিত সরকার। বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সেটা প্রমাণিত হচ্ছে।’
রিজভী আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার তো বিপ্লবী সরকার হওয়ার কথা ছিল। সমস্ত দোসরকে উৎপাটন করে জনগণের পক্ষে যারা দাঁড়িয়েছিল, তাদের দিয়েই তো প্রশাসন চলার কথা। সেই দোসরেরা আবার সচিবালয়ের ভেতরে মিছিল করে, দাবিদাওয়া পেশ করে। তারা মনে করছে, এটা তাদের ন্যায্য পাওনা। এটা তো জনগণ প্রত্যাশা করেনি এবং এই সরকার ভ্যাট-ট্যাক্স আরোপ করলেন। এখানে গণবিরোধী আমলাদের পরামর্শে এটা হয়েছে।
ডিইএবির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রকৌশলী মো. হানিফের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপির সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক পারভেজ রেজা কাকন প্রমুখ।

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জামায়াতীকরণ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সরকারকে ‘বিশেষ একটি দলের সমর্থিত সরকার’ অভিহিত করে তিনি বলেন, দেশের বড় বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ওই বিশেষ দলের লোকজনকে দায়িত্বে বসানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভা ও দোয়ার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতায় দোয়ার জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিইএবি)।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় রিজভী বলেন, ‘এক বিশেষ দল আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয় দখল করে নিয়েছে। সব বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াতীকরণ করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জামায়াতীকরণ করা হয়েছে। এটা অত্যন্ত ভয়ংকর বিষয়। বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বে জামায়াতী চেতনার লোকজনকে বসানো হয়েছে। আমাদের (বিএনপি) সমর্থিত লোকজন যেমন আওয়ামী লীগের আমলে বঞ্চিত হয়েছে, তেমনিভাবে এখনো বঞ্চিত হচ্ছে।’
অনুষ্ঠানে রিজভী আরও বলেন, ‘মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর বলছে, রাষ্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না। এগুলো তো হাসিনার কথার প্রতিধ্বনি। এই সরকার তো গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ফসল। আর গণতন্ত্র মানেই হচ্ছে, আলোচনা-সমালোচনা, তীব্র সমালোচনা হবে এবং সরকার সব শুনবে। রাষ্ট্রের বিরোধিতা অপরাধমূলক কিন্তু সরকারের বিরোধিতা তো অপরাধমূলক নয়। অথচ মাউশি বলে দিল, সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না।
রিজভী বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল নানাভাবে মনে করছেন, জুলাই-আগস্টের বিজয় শুধু তাদের। এই অন্তর্বর্তী সরকার তাদের সরকার। আমাদের কোনো করণীয় ছিল না, কোনো অবদান নেই। আমরা এক-এগারোর সরকারকে বলতাম সেনাসমর্থিত সরকার। আর এখন অনেকে বলছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার সেই বিশেষ দল-সমর্থিত সরকার। বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সেটা প্রমাণিত হচ্ছে।’
রিজভী আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার তো বিপ্লবী সরকার হওয়ার কথা ছিল। সমস্ত দোসরকে উৎপাটন করে জনগণের পক্ষে যারা দাঁড়িয়েছিল, তাদের দিয়েই তো প্রশাসন চলার কথা। সেই দোসরেরা আবার সচিবালয়ের ভেতরে মিছিল করে, দাবিদাওয়া পেশ করে। তারা মনে করছে, এটা তাদের ন্যায্য পাওনা। এটা তো জনগণ প্রত্যাশা করেনি এবং এই সরকার ভ্যাট-ট্যাক্স আরোপ করলেন। এখানে গণবিরোধী আমলাদের পরামর্শে এটা হয়েছে।
ডিইএবির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রকৌশলী মো. হানিফের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপির সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক পারভেজ রেজা কাকন প্রমুখ।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় রাজধানীতে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে বিএনপি। দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রয়াত মায়ের জন্য দোয়া করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে তাঁর পরিবারের সদস্যরা আসেন।
২ ঘণ্টা আগে
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭ বছর পর নির্বাসন থেকে দেশে ফেরায় উজ্জীবিত হয়ে উঠেছিলেন বিএনপির নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা। কিন্তু সপ্তাহ না ঘুরতেই দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মহাপ্রয়াণে শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েছেন তাঁরা।
১৭ ঘণ্টা আগে
মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনে সহযোগিতার জন্য দায়িত্ব পালনকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজের ও পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘গভীর শোকের এই সময়ে আপনারা যে সহমর্মিতা, সম্মান ও দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন...
২০ ঘণ্টা আগে