নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নির্বাচন পেছাতে দেশে-বিদেশে চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেখতে এসে তিনি সাংবাদিকদের এই অভিযোগের কথা জানান।
এদিন জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেন, ‘যত দিন হাসিনাকে ফাঁসির মঞ্চে না দেখছি, তত দিন কেউ যেন নির্বাচনের কথা না বলে।’
সারজিস আলমের এই বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আওয়ামী লীগের বিচার বিএনপি চায়, বিচার করতে কেউ নিষেধ করেনি। বাংলাদেশে যে গণহত্যা হয়েছে, এই গণহত্যার বিচার হতে হবে। দ্রুত বিচার হতে পারে। কিন্তু কথা হচ্ছে, নির্বাচনপ্রক্রিয়া পিছিয়ে দেওয়ার জন্য কোনো অজুহাত তৈরি করা যাবে না। আমার মনে হচ্ছে, কিছু লোক নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার জন্য, নির্বাচন না করার জন্য একটা অজুহাত তৈরির পাঁয়তারা করছে। এর মধ্যে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত কাজ করছে।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে নতুন দলকে ইঙ্গিত করে বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘নির্বাচন করার জন্য তাঁদের সময় দিতে হবে, এ রকম কোনো কথা তো নেই। খুব তিক্ত কথা হবে, আমরা কিন্তু কোটা আন্দোলনে কিংবা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে কখনো দল গঠন করা হবে, এমন কথা শুনিনি। দল গঠন করেছেন, দল শক্তিশালী হোক। দুই দিনে একটা দল প্রতিষ্ঠিত করা যাবে না।’
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘দুই দিনে যদি দল গঠন করে কালকেই যেতে পারে (নির্বাচনে), খুব জনপ্রিয় যদি মনে করেন তাঁরা, পরীক্ষা করুক না, অসুবিধা কী? জনগণ এগুলো পছন্দ করছে না। যা ভাবছেন আপনারা, নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার কোনো অজুহাত জনগণ পছন্দ করছে না।’
বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘বাংলাদেশ স্থিতিশীল থাকলে অনেকের ক্ষতি হবে। আমাদের প্রতিবেশী দেশের ক্ষতি হবে। নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার জন্য কোনো অজুহাত জাতির কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘এখন যেটা হচ্ছে, যেটাতে সবচেয়ে ভয় পাচ্ছি, ফ্যাসিস্ট তাড়াতে গিয়ে নিজে যেন ফ্যাসিস্ট হয়ে না যাই। অনেকের কথাবার্তা ও ভাবভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছে, দেশে নতুন আরেকটা ফ্যাসিজম পয়দা হয়েছে। এটার জন্য তো দেশ-জাতি আন্দোলন করেনি। এখন বাক্স্বাধীনতা আছে, কথা বলতেই পারে। কিন্তু আমার চিন্তা-চেতনা, মতামত আরেকজনের ঘাড়ে জোর করে চাপিয়ে দেব, এটা হতে পারে না। তবে কিছু লোক ইদানীং...আমি বাচ্চাদের কথা বলছি না, তারা কথাবার্তা বলছে, তাতে ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারী মনোভাব স্পষ্ট হচ্ছে। এটা ঠিক হচ্ছে না।’

নির্বাচন পেছাতে দেশে-বিদেশে চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেখতে এসে তিনি সাংবাদিকদের এই অভিযোগের কথা জানান।
এদিন জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেন, ‘যত দিন হাসিনাকে ফাঁসির মঞ্চে না দেখছি, তত দিন কেউ যেন নির্বাচনের কথা না বলে।’
সারজিস আলমের এই বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আওয়ামী লীগের বিচার বিএনপি চায়, বিচার করতে কেউ নিষেধ করেনি। বাংলাদেশে যে গণহত্যা হয়েছে, এই গণহত্যার বিচার হতে হবে। দ্রুত বিচার হতে পারে। কিন্তু কথা হচ্ছে, নির্বাচনপ্রক্রিয়া পিছিয়ে দেওয়ার জন্য কোনো অজুহাত তৈরি করা যাবে না। আমার মনে হচ্ছে, কিছু লোক নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার জন্য, নির্বাচন না করার জন্য একটা অজুহাত তৈরির পাঁয়তারা করছে। এর মধ্যে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত কাজ করছে।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে নতুন দলকে ইঙ্গিত করে বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘নির্বাচন করার জন্য তাঁদের সময় দিতে হবে, এ রকম কোনো কথা তো নেই। খুব তিক্ত কথা হবে, আমরা কিন্তু কোটা আন্দোলনে কিংবা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে কখনো দল গঠন করা হবে, এমন কথা শুনিনি। দল গঠন করেছেন, দল শক্তিশালী হোক। দুই দিনে একটা দল প্রতিষ্ঠিত করা যাবে না।’
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘দুই দিনে যদি দল গঠন করে কালকেই যেতে পারে (নির্বাচনে), খুব জনপ্রিয় যদি মনে করেন তাঁরা, পরীক্ষা করুক না, অসুবিধা কী? জনগণ এগুলো পছন্দ করছে না। যা ভাবছেন আপনারা, নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার কোনো অজুহাত জনগণ পছন্দ করছে না।’
বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘বাংলাদেশ স্থিতিশীল থাকলে অনেকের ক্ষতি হবে। আমাদের প্রতিবেশী দেশের ক্ষতি হবে। নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার জন্য কোনো অজুহাত জাতির কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘এখন যেটা হচ্ছে, যেটাতে সবচেয়ে ভয় পাচ্ছি, ফ্যাসিস্ট তাড়াতে গিয়ে নিজে যেন ফ্যাসিস্ট হয়ে না যাই। অনেকের কথাবার্তা ও ভাবভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছে, দেশে নতুন আরেকটা ফ্যাসিজম পয়দা হয়েছে। এটার জন্য তো দেশ-জাতি আন্দোলন করেনি। এখন বাক্স্বাধীনতা আছে, কথা বলতেই পারে। কিন্তু আমার চিন্তা-চেতনা, মতামত আরেকজনের ঘাড়ে জোর করে চাপিয়ে দেব, এটা হতে পারে না। তবে কিছু লোক ইদানীং...আমি বাচ্চাদের কথা বলছি না, তারা কথাবার্তা বলছে, তাতে ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারী মনোভাব স্পষ্ট হচ্ছে। এটা ঠিক হচ্ছে না।’

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
১ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
১ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৩ ঘণ্টা আগে