ঢামেক প্রতিবেদক

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ১৪ দিন পেরিয়ে গেলেও হামলাকারীদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার কথা বলা হলেও তা করা হয়নি।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বাগান গেটে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন।
তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনী ও পুলিশের কতিপয় সদস্য গণঅধিকার পরিষদের সভাপতির ওপর হামলা করেছে, তা মিডিয়ার মাধ্যমে সারা দেশের মানুষ দেখেছে। কিন্তু আজকে দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে, হামলাকারীরা চিহ্নিত হওয়ার পরও তারা কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে একটা তদন্ত কমিশন গঠন করতে দেখেছি। কিন্তু সেটিরও দৃশ্যমান পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত লক্ষ করছি না।’
‘সরকারের যে টালবাহানা, এই টালবাহানা আমরা কোনোভাবেই মেনে নেব না। সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল, কী কারণে তা নিচ্ছে না, এই প্রশ্ন আজ দেশের মানুষ রাখছে। তার মানে কি সরকার সেনাবাহিনীকে ভয় পাচ্ছে? নাকি অন্য কোনো ষড়যন্ত্র এখানে আছে?’
গণঅধিকার পরিষদের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নুরুল হক নুর আজ ১৪ দিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, তাঁর সার্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে দেশের বাইরে নিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রেস সচিব শফিকুল ইসলাম আমাদের এমনটা জানিয়েছিলেন।
‘কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ আমরা দেখতে পাচ্ছি না। যদি সরকার কোনো পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে সরকার সেটি আমাদের জানিয়ে দিক। আমরা আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি, এখন পর্যন্ত সরকারের ঘোষণার পরেও তাঁকে বিদেশে নেওয়া হচ্ছে না। নুরুল হকের নাকের যে হাড় ভেঙেছে, তার জন্য দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। বাংলাদেশের চিকিৎসার ওপর আস্থা রেখে বলছি, তাঁকে দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া উচিত।’
তিনি বলেন, ‘সেনাপ্রধান বলেছিলেন, তিনি রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ চান। আওয়ামী লীগকে আবার তিনি ফেরাতে চান। কিন্তু তাঁর সে আশায় গুড়েবালি হয়েছে। পরবর্তী সময়ে আমরা দেখেছি, জাতীয় পার্টির মাধ্যমে রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ তিনি চেয়েছিলেন। তাঁর একটি নমুনা আমরা দেখেছি। রংপুরে মোস্তাফিজার রহমান (রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান) তাঁর বক্তব্যে বলেছেন, “আমরা স্বচ্ছ আওয়ামী লীগকে নিতে চাই এবং নমিনেশন দিতে চাই”।’
রাজধানীর কাকরাইলে গত ২৯ আগস্ট জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটায় নুরুল হক নুরসহ কয়েকজন আহত হন।

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ১৪ দিন পেরিয়ে গেলেও হামলাকারীদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার কথা বলা হলেও তা করা হয়নি।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বাগান গেটে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন।
তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনী ও পুলিশের কতিপয় সদস্য গণঅধিকার পরিষদের সভাপতির ওপর হামলা করেছে, তা মিডিয়ার মাধ্যমে সারা দেশের মানুষ দেখেছে। কিন্তু আজকে দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে, হামলাকারীরা চিহ্নিত হওয়ার পরও তারা কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে একটা তদন্ত কমিশন গঠন করতে দেখেছি। কিন্তু সেটিরও দৃশ্যমান পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত লক্ষ করছি না।’
‘সরকারের যে টালবাহানা, এই টালবাহানা আমরা কোনোভাবেই মেনে নেব না। সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল, কী কারণে তা নিচ্ছে না, এই প্রশ্ন আজ দেশের মানুষ রাখছে। তার মানে কি সরকার সেনাবাহিনীকে ভয় পাচ্ছে? নাকি অন্য কোনো ষড়যন্ত্র এখানে আছে?’
গণঅধিকার পরিষদের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নুরুল হক নুর আজ ১৪ দিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, তাঁর সার্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে দেশের বাইরে নিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রেস সচিব শফিকুল ইসলাম আমাদের এমনটা জানিয়েছিলেন।
‘কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ আমরা দেখতে পাচ্ছি না। যদি সরকার কোনো পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে সরকার সেটি আমাদের জানিয়ে দিক। আমরা আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি, এখন পর্যন্ত সরকারের ঘোষণার পরেও তাঁকে বিদেশে নেওয়া হচ্ছে না। নুরুল হকের নাকের যে হাড় ভেঙেছে, তার জন্য দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। বাংলাদেশের চিকিৎসার ওপর আস্থা রেখে বলছি, তাঁকে দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া উচিত।’
তিনি বলেন, ‘সেনাপ্রধান বলেছিলেন, তিনি রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ চান। আওয়ামী লীগকে আবার তিনি ফেরাতে চান। কিন্তু তাঁর সে আশায় গুড়েবালি হয়েছে। পরবর্তী সময়ে আমরা দেখেছি, জাতীয় পার্টির মাধ্যমে রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ তিনি চেয়েছিলেন। তাঁর একটি নমুনা আমরা দেখেছি। রংপুরে মোস্তাফিজার রহমান (রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান) তাঁর বক্তব্যে বলেছেন, “আমরা স্বচ্ছ আওয়ামী লীগকে নিতে চাই এবং নমিনেশন দিতে চাই”।’
রাজধানীর কাকরাইলে গত ২৯ আগস্ট জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটায় নুরুল হক নুরসহ কয়েকজন আহত হন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় ও মিত্র দলের প্রার্থীদের পক্ষে ভোটের মাঠে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে চায় বিএনপি। কিন্তু কোথাও কোথাও এই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলের মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা। দলের সমর্থন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের লড়াইয়ে থেকে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন তাঁরা।
১০ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্টেট সেক্রেটারি অ্যালবার্ট টি. গম্বিস। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক করেন তাঁরা।
১৪ ঘণ্টা আগে
‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনের জন্য ‘সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ’ আর শর্ত হিসেবে দেখছে না ইউরোপ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত শব্দ দুটির নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইইউ ইওএম) প্রধান ইভার্স ইয়াবস।
১৬ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁর আপিল মঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন। এতে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে