
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংবর্ধনা জানাতে রাজধানীর পূর্বাচলের তিনশো ফিটে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়েছেন যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর নেতারা।
মঞ্চে আছেন বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিক নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, জেএসডির সহসভাপতি তানিয়া রব, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, ভাসানী জনশক্তি পার্টির রফিকুল ইসলাম বাবলু, সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া রেদোয়ান আহমদ, ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ববি হাজ্জাজ প্রমুখ।
তারেক রহমান ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর এখন দেশের মাটিতে। আজ বৃহস্পতিবার ১১টায় ৫৪ মিনিটে তিনি ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেতরে প্রবেশ করেন। প্রথমেই তিনি বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জড়িয়ে ধরেন। পরে স্থায়ী কমিটির অন্য সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
ভিআইপি লাউঞ্জে তারেক রহমানকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানাবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচলের ৩০০ ফুটের সংবর্ধনা মঞ্চের দিকে যাচ্ছেন তারেক রহমান।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংস্কার প্রশ্নে অনড় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট। এ জন্য সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে গঠিত বিশেষ কমিটিকে তারা প্রত্যাখ্যান করেছে। এই কমিটিতে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল আছে তারা। দলগুলো বলছে, সংসদে দাবি উপেক্ষিত হলে আন্দোলন আরও বিস্তৃত করা হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৪ জুলাই আন্দোলন চলছিল। ওই দিন শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকার’ বলে কটূক্তি করেন। এর প্রতিবাদে প্রথমে রোকেয়া হলসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি হলের নারী শিক্ষার্থীরা হলের তালা ভেঙে বেরিয়ে আসেন। পরে সারা দেশে ছাত্র-ছাত্রীরা হল থেকে বের হয়ে বিক্ষোভে যোগ দেন।
৮ ঘণ্টা আগে
বিগত চার মাস ধরে নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে তাঁকে জাতীয় সংসদে আসতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর। তিনি বলেছেন, যারা ইনসাফের কথা বলে, তারা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে আমাকে জাতির কাছে ছোট করার চেষ্টা করেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় পার্টির (একাংশ) চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, আমরা ভুল করেছি। আমরা অর্থনৈতিক উন্নতির দিকে গিয়েছি। কিন্তু মানবাধিকারে উন্নতি করতে পারি নাই। আর ভুল নয়। আমাদের বৈষম্য দূর করতে হবে। দেশ ও জাতির কল্যাণে সকল প্রতিহিংসা, জিঘাংসা দূর করে অন্তর্ভুক্তিমূলক...
১২ ঘণ্টা আগে