নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে হওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হারুনুর রশীদ। তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচনের কোনো বিকল্প নাই। যারা আগামী নির্বাচন নিয়ে চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের মধ্যে আছে, তারা গণতন্ত্রের শত্রু, দেশের শত্রু। নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে হতেই হবে।’
আজ শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ কর্মজীবী দল এই সভার আয়োজন করে।
হারুনুর রশীদ বলেন, ‘আজকে দেশে বিনিয়োগ নাই। কর্মসংস্থান নাই। জনপ্রতিনিধি নাই। স্বাভাবিকভাবেই দেশের মানুষ নানা সংকটে আছে। যে শক্তিগুলো বিভিন্ন রকমের অছিলা করে নির্বাচনকে বানচাল ও শর্ত দিয়ে বিলম্ব করতে চায়, আমি মনে করি তারা দেশের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে আমরা লড়াই করেছি। গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছি। লাখ লাখ নেতা-কর্মী মামলায় বাড়িছাড়া হয়েছে।
‘বিএনপি শেখ হাসিনার দুঃশাসনের সময় যে জুলুম-নির্যাতন সহ্য করেছে, যে ত্যাগ স্বীকার করেছে, দেশের ইতিহাসে গত ৫০ বছরে কোনো রাজনৈতিক দল এমন ত্যাগ স্বীকার করে নাই। আজ যাঁরা বড় বড় কথা বলছেন, যাঁরা আজ গুপ্ত সংগঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাঁরা নতুন করে দেশে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করতে চান। জাতীয়তাবাদী দল কোনো গুপ্ত সংগঠন নয়; প্রকাশ্য সংগঠন। আমরা আওয়ামী লীগের সঙ্গে আপস করি নাই। আমরা আওয়ামী লীগের সঙ্গে গুপ্ত হয়ে মিলেমিশে কাজ করি নাই। আমরা লড়াই করেছি, সংগ্রাম করেছি—দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের জন্য, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। যারা গুপ্তভাবে থেকেছে, তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেছে। আজকে নির্বাচন নিয়ে এই শর্ত, ওই শর্ত, বিভিন্ন কথা বলে তারা ক্ষমতার শেয়ার চায়।’
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দলটির জেলা শহরের প্রোগ্রামে দেখা যাচ্ছে, তারা সার্কিট হাউস ব্যবহার করছে। আর্মি, পুলিশ, র্যাব তাদের সিকিউরিটি দিচ্ছে। আজকে তাদের চাঁদাবাজির যে রেকর্ড পরিমাণ অভিযোগ আসছে, এটা পরিবর্তনের রাজনীতির নমুনা হতে পারে না। নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এমন হতে পারে না। এদের ব্যাপারে আমাদের সজাগ হতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা দেশ ছেড়ে কোথাও যাব না। আমাদের দেশই হচ্ছে ঠিকানা। আমাদের বিদেশি কোনো প্রভু নাই। বিদেশে কোনো বাড়ি নাই। বিগত সময়ে যারা নিপীড়ন, জুলুম ও লুটপাট করেছে, তাদের বিচার চাই। শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রীরা যারা বিনা ভোটে ক্ষমতায় থেকেছে, তাদের আমরা বিচার করব।’
বাংলাদেশ কর্মজীবী দলের সভাপতি মো. আলী হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক; বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. মাইনুল ইসলাম।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে হওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হারুনুর রশীদ। তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচনের কোনো বিকল্প নাই। যারা আগামী নির্বাচন নিয়ে চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের মধ্যে আছে, তারা গণতন্ত্রের শত্রু, দেশের শত্রু। নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে হতেই হবে।’
আজ শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ কর্মজীবী দল এই সভার আয়োজন করে।
হারুনুর রশীদ বলেন, ‘আজকে দেশে বিনিয়োগ নাই। কর্মসংস্থান নাই। জনপ্রতিনিধি নাই। স্বাভাবিকভাবেই দেশের মানুষ নানা সংকটে আছে। যে শক্তিগুলো বিভিন্ন রকমের অছিলা করে নির্বাচনকে বানচাল ও শর্ত দিয়ে বিলম্ব করতে চায়, আমি মনে করি তারা দেশের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে আমরা লড়াই করেছি। গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছি। লাখ লাখ নেতা-কর্মী মামলায় বাড়িছাড়া হয়েছে।
‘বিএনপি শেখ হাসিনার দুঃশাসনের সময় যে জুলুম-নির্যাতন সহ্য করেছে, যে ত্যাগ স্বীকার করেছে, দেশের ইতিহাসে গত ৫০ বছরে কোনো রাজনৈতিক দল এমন ত্যাগ স্বীকার করে নাই। আজ যাঁরা বড় বড় কথা বলছেন, যাঁরা আজ গুপ্ত সংগঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাঁরা নতুন করে দেশে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করতে চান। জাতীয়তাবাদী দল কোনো গুপ্ত সংগঠন নয়; প্রকাশ্য সংগঠন। আমরা আওয়ামী লীগের সঙ্গে আপস করি নাই। আমরা আওয়ামী লীগের সঙ্গে গুপ্ত হয়ে মিলেমিশে কাজ করি নাই। আমরা লড়াই করেছি, সংগ্রাম করেছি—দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের জন্য, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। যারা গুপ্তভাবে থেকেছে, তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেছে। আজকে নির্বাচন নিয়ে এই শর্ত, ওই শর্ত, বিভিন্ন কথা বলে তারা ক্ষমতার শেয়ার চায়।’
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দলটির জেলা শহরের প্রোগ্রামে দেখা যাচ্ছে, তারা সার্কিট হাউস ব্যবহার করছে। আর্মি, পুলিশ, র্যাব তাদের সিকিউরিটি দিচ্ছে। আজকে তাদের চাঁদাবাজির যে রেকর্ড পরিমাণ অভিযোগ আসছে, এটা পরিবর্তনের রাজনীতির নমুনা হতে পারে না। নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এমন হতে পারে না। এদের ব্যাপারে আমাদের সজাগ হতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা দেশ ছেড়ে কোথাও যাব না। আমাদের দেশই হচ্ছে ঠিকানা। আমাদের বিদেশি কোনো প্রভু নাই। বিদেশে কোনো বাড়ি নাই। বিগত সময়ে যারা নিপীড়ন, জুলুম ও লুটপাট করেছে, তাদের বিচার চাই। শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রীরা যারা বিনা ভোটে ক্ষমতায় থেকেছে, তাদের আমরা বিচার করব।’
বাংলাদেশ কর্মজীবী দলের সভাপতি মো. আলী হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক; বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. মাইনুল ইসলাম।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
৯ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
১১ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
১২ ঘণ্টা আগে