ঢামেক প্রতিনিধি

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মো. মোস্তাক আহমেদ।
আজ রোববার সকালে সাংবাদিকদের সামনে তিনি নুরের চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। ডা. মোস্তাক জানান, বর্তমানে নুরুল হকের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি চিকিৎসায় ভালো সাড়া দিচ্ছেন।
ডা. মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘নুরুল হক নুরের চারটি প্রধান সমস্যা ছিল, যা আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। এর মধ্যে রয়েছে: নাকের হাড় ভেঙে যাওয়া, চোয়ালের হাড় ভাঙা, চোখে গুরুতর ইনজুরি এবং মস্তিষ্কে সামান্য রক্তক্ষরণ।’
তিনি আরও জানান, মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ ধীরে ধীরে কমে আসছে, যা অত্যন্ত ইতিবাচক লক্ষণ। তাঁর চিকিৎসার জন্য ছয় সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে, যারা সার্বক্ষণিক তাঁর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছেন।
চিকিৎসক আরও জানান, নুরের শরীরে লবণের পরিমাণ কম ছিল, যা এখন স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে এসেছে। তিনি এখন মুখে স্বাভাবিক খাবার গ্রহণ করতে পারছেন এবং প্রস্রাবের জন্য ব্যবহৃত ক্যাথেটারও খুলে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাঁর সব শারীরিক প্যারামিটার স্বাভাবিক রয়েছে।
ডা. মোস্তাক আহমেদ বলেন, গত শুক্রবার রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে নুরুল হককে জরুরি বিভাগে আনা হয়েছিল। তখন তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় ছিলেন এবং তাঁর নাকের ভেতরে গজ ব্যান্ডেজ লাগানো ছিল। তাঁর আঘাতের গভীরতা বিবেচনা করে তাঁকে দ্রুত নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এরপর গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সামনে সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতির সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটায় নুরুল হক নুরসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এ ঘটনার পর নুরকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তার অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মো. মোস্তাক আহমেদ।
আজ রোববার সকালে সাংবাদিকদের সামনে তিনি নুরের চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। ডা. মোস্তাক জানান, বর্তমানে নুরুল হকের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি চিকিৎসায় ভালো সাড়া দিচ্ছেন।
ডা. মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘নুরুল হক নুরের চারটি প্রধান সমস্যা ছিল, যা আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। এর মধ্যে রয়েছে: নাকের হাড় ভেঙে যাওয়া, চোয়ালের হাড় ভাঙা, চোখে গুরুতর ইনজুরি এবং মস্তিষ্কে সামান্য রক্তক্ষরণ।’
তিনি আরও জানান, মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ ধীরে ধীরে কমে আসছে, যা অত্যন্ত ইতিবাচক লক্ষণ। তাঁর চিকিৎসার জন্য ছয় সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে, যারা সার্বক্ষণিক তাঁর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছেন।
চিকিৎসক আরও জানান, নুরের শরীরে লবণের পরিমাণ কম ছিল, যা এখন স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে এসেছে। তিনি এখন মুখে স্বাভাবিক খাবার গ্রহণ করতে পারছেন এবং প্রস্রাবের জন্য ব্যবহৃত ক্যাথেটারও খুলে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাঁর সব শারীরিক প্যারামিটার স্বাভাবিক রয়েছে।
ডা. মোস্তাক আহমেদ বলেন, গত শুক্রবার রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে নুরুল হককে জরুরি বিভাগে আনা হয়েছিল। তখন তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় ছিলেন এবং তাঁর নাকের ভেতরে গজ ব্যান্ডেজ লাগানো ছিল। তাঁর আঘাতের গভীরতা বিবেচনা করে তাঁকে দ্রুত নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এরপর গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সামনে সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতির সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটায় নুরুল হক নুরসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এ ঘটনার পর নুরকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তার অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্লিপ্ততা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টিতে বাধা সৃষ্টি করছে। এটা অনুচিত বলে আমরা মনে করি। আমরা আশা করি, তারা তাদের আচরণে পরিবর্তন আনবে।’
২৩ মিনিট আগে
জামায়াতের সঙ্গে জোট যে অপরিবর্তনীয় নয়, সেই ইঙ্গিত দিয়ে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘২০ তারিখ (২০ জানুয়ারি) হলো মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। নির্বাচন হলো ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ। তাই না? ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের আগপর্যন্ত যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।’
২ ঘণ্টা আগে
একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
৪ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
৪ ঘণ্টা আগে