নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জুলাই আন্দোলনে নির্বিচারে হত্যাকাণ্ডের বিচার ও জুলাই সনদ না হলে জাতীয় নির্বাচন হবে না— এমন নীতিতে বিশ্বাস করেনা আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, ‘বিচার, জুলাই সনদ এগুলো সম্ভব; তবে এগুলো না হলে ভোট হতে দেওয়া যাবে না— এটাতে আমরা বিশ্বাসী না।’
আজ বুধবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাকিদের এ কথা বলেন দলটি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। বৈঠকে ৯ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরে এবি পার্টি।
এক প্রশ্নের জবাবে মঞ্জু বলেন, শুধু ভোট করার জন্য নয় ভোটারকে কেন্দ্রে আনাও ইসির দায়িত্ব। তাই ইসির কাছে তাদের আনতে প্রস্তাব করছি।
নির্বাচনি ব্যয় কমানোর বিষয়ে মঞ্জু বলেন, ‘নির্বাচনে প্রার্থীর ২৫ লাখ টাকা নির্বাচনী ব্যয় করা যায়। আমরা বলেছি কাটছাট করার জন্য। কিন্তু ইসি তা করছে না। পোস্টার নিষিদ্ধ করে ইসি নিজেই সব প্রার্থীর জন্য পোস্টার ছাপাতে পারে কি না। যত্রতত্র পোস্টার না রাখলে পরিবেশের ক্ষতি হবে না, ব্যয়ও কমবে। এ ছাড়া ভোটের দিন ভোটারদের কেন্দ্রে আনা, পোলিং এজেন্টদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রার্থীরা ব্যয় করেন। এগুলোর ব্যবস্থা যদি ইসি করে, প্রার্থীর খরচ কমে যাবে। তখন আর মিথ্যা তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না।’
দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচন করার সুযোগ দেওয়ার কথা উল্লেখ করে মঞ্জু বলেন, ‘প্রবাসীদের ভোটের ব্যবস্থা কথা বলেছি। একই সঙ্গে দ্বৈত নাগরিকরা যেন প্রার্থী হতে পারে সে দাবি করেছি। কেননা, দ্বৈত নাগরিকেরা বিচারক হচ্ছেন। আমাদের উপদেষ্টা পরিষদেও আছেন। দ্বৈত নাগরিকেরা প্রার্থী হলে আমরা ভালো সংসদ সদস্য পাব।’
উচ্চকক্ষে পিআর না হলে এবি পার্টি বিদ্যমান সংসদ ব্যবস্থা চায় জানিয়ে মঞ্জু বলেন, ‘আমরা একটা পার্লামেন্টই কার্যকর করতে পারিনি। তাই পার্লামেন্টের দুইটা হাউজের বিরোধীতা করেছি। এখন যেহেতু সবাই বলছে, তাই আমরা মত দিয়েছি। তবে আমরা আপার হাউজে পিআর চেয়েছি। এটা না হলে দুইটা হাউজের প্রস্তাবটার সমর্থন প্রত্যাহার করে নেব। এ ছাড়া পাশাপাশি আমরা ২০০ আসনে বর্তমান পদ্ধতি বাকি ১০০ আসনে পিআর হতে পারে এমন বলেছি।’
মঞ্জু বলেন, ‘ইসিকে বলেছি, ঢাল তলোয়ারহীন নিধিরাম সর্দার না হোন। কি কি ভাবে কারচুপি হয় তা আমরা তুলে ধরেছি। এজন্য কঠোর হতে বলেছি এবং প্রচারের জন্য বলেছি। তারা শক্ত অবস্থান নেবেন বলে জানিয়েছে।’
ভোট নিয়ে সংশয়ের বিষয়ে এই নেতা আরও বলেন, ‘সরকারপ্রধান বলেছে ভোট হবে, সিইসি বলেছেন ভোট হবে, দলগুলোর অনেকে বলছে ভোট হবে; এখন যারা বলছে ভোট হবে না, তাদের কনসার্ন একটু গুরুত্বপূর্ণ। যারা ভোট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছে তাদের কনসার্ন পূরণ করেই ভোট এই সময়ের করা সম্ভব। বিচার, জুলাই সনদ এগুলো সম্ভব; তবে এগুলো না হলে ভোট হতে দেওয়া যাবে না— এটাতে আমরা বিশ্বাসী না।’
মঞ্জু আরও বলেন, ‘আমরা সিইসিকে বলেছি, আপনারা যদি ট্রডিশনাল (গতানুগতিক) ইলেকশান করার চিন্তা করেন, তাহলে আপনারা ১৪০০ মানুষের (শহীদের) জীবন এবং হাজার হাজার মানুষের রক্তের জন্য দায়ী থাকবেন। আপনাদের একটি রেভ্যুলশনারী নির্বাচন করার প্লান করতে হবে। নতুন ধাচের নির্বাচনের চিন্তা করতে হবে। ট্র্যাডিশনাল জায়গায় যাবেন না, নতুন করে বিষয়গুলো ভাবেন। টেকনিক্যালি কি কি কিভাবে নির্বাচন ম্যানুপুলেট হয়, আমরা তা একদম রুট লেভেল পর্যন্ত বিষয়গুলো উনাদের কাছে তুলে ধরেছি।’
এ ছাড়াও বৈঠকে দলটির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ভাইস চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) দিদারুল আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসরীন সুলতানা মিলি, ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক, যুবপার্টির সদস্য সচিব হাদিউজ্জামান খোকন, মহানগর উত্তরের আহবায়ক সেলিম খান, সদস্যসচিব সামিউল ইসলাম সবুজ, সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) শাহজাহান ব্যাপারী, কেন্দ্রীয় নেতা আবু রাইয়ান রছি, যুবপার্টি ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব শাহিনুর আক্তার শীলা, দক্ষিণের সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান, নারী নেত্রী ইসরাত জাহান, সহকারী প্রচার সম্পাদক রিপন মাহমুদ, সহকারী অর্থ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক প্রমুখ।

জুলাই আন্দোলনে নির্বিচারে হত্যাকাণ্ডের বিচার ও জুলাই সনদ না হলে জাতীয় নির্বাচন হবে না— এমন নীতিতে বিশ্বাস করেনা আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, ‘বিচার, জুলাই সনদ এগুলো সম্ভব; তবে এগুলো না হলে ভোট হতে দেওয়া যাবে না— এটাতে আমরা বিশ্বাসী না।’
আজ বুধবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাকিদের এ কথা বলেন দলটি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। বৈঠকে ৯ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরে এবি পার্টি।
এক প্রশ্নের জবাবে মঞ্জু বলেন, শুধু ভোট করার জন্য নয় ভোটারকে কেন্দ্রে আনাও ইসির দায়িত্ব। তাই ইসির কাছে তাদের আনতে প্রস্তাব করছি।
নির্বাচনি ব্যয় কমানোর বিষয়ে মঞ্জু বলেন, ‘নির্বাচনে প্রার্থীর ২৫ লাখ টাকা নির্বাচনী ব্যয় করা যায়। আমরা বলেছি কাটছাট করার জন্য। কিন্তু ইসি তা করছে না। পোস্টার নিষিদ্ধ করে ইসি নিজেই সব প্রার্থীর জন্য পোস্টার ছাপাতে পারে কি না। যত্রতত্র পোস্টার না রাখলে পরিবেশের ক্ষতি হবে না, ব্যয়ও কমবে। এ ছাড়া ভোটের দিন ভোটারদের কেন্দ্রে আনা, পোলিং এজেন্টদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রার্থীরা ব্যয় করেন। এগুলোর ব্যবস্থা যদি ইসি করে, প্রার্থীর খরচ কমে যাবে। তখন আর মিথ্যা তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না।’
দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচন করার সুযোগ দেওয়ার কথা উল্লেখ করে মঞ্জু বলেন, ‘প্রবাসীদের ভোটের ব্যবস্থা কথা বলেছি। একই সঙ্গে দ্বৈত নাগরিকরা যেন প্রার্থী হতে পারে সে দাবি করেছি। কেননা, দ্বৈত নাগরিকেরা বিচারক হচ্ছেন। আমাদের উপদেষ্টা পরিষদেও আছেন। দ্বৈত নাগরিকেরা প্রার্থী হলে আমরা ভালো সংসদ সদস্য পাব।’
উচ্চকক্ষে পিআর না হলে এবি পার্টি বিদ্যমান সংসদ ব্যবস্থা চায় জানিয়ে মঞ্জু বলেন, ‘আমরা একটা পার্লামেন্টই কার্যকর করতে পারিনি। তাই পার্লামেন্টের দুইটা হাউজের বিরোধীতা করেছি। এখন যেহেতু সবাই বলছে, তাই আমরা মত দিয়েছি। তবে আমরা আপার হাউজে পিআর চেয়েছি। এটা না হলে দুইটা হাউজের প্রস্তাবটার সমর্থন প্রত্যাহার করে নেব। এ ছাড়া পাশাপাশি আমরা ২০০ আসনে বর্তমান পদ্ধতি বাকি ১০০ আসনে পিআর হতে পারে এমন বলেছি।’
মঞ্জু বলেন, ‘ইসিকে বলেছি, ঢাল তলোয়ারহীন নিধিরাম সর্দার না হোন। কি কি ভাবে কারচুপি হয় তা আমরা তুলে ধরেছি। এজন্য কঠোর হতে বলেছি এবং প্রচারের জন্য বলেছি। তারা শক্ত অবস্থান নেবেন বলে জানিয়েছে।’
ভোট নিয়ে সংশয়ের বিষয়ে এই নেতা আরও বলেন, ‘সরকারপ্রধান বলেছে ভোট হবে, সিইসি বলেছেন ভোট হবে, দলগুলোর অনেকে বলছে ভোট হবে; এখন যারা বলছে ভোট হবে না, তাদের কনসার্ন একটু গুরুত্বপূর্ণ। যারা ভোট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছে তাদের কনসার্ন পূরণ করেই ভোট এই সময়ের করা সম্ভব। বিচার, জুলাই সনদ এগুলো সম্ভব; তবে এগুলো না হলে ভোট হতে দেওয়া যাবে না— এটাতে আমরা বিশ্বাসী না।’
মঞ্জু আরও বলেন, ‘আমরা সিইসিকে বলেছি, আপনারা যদি ট্রডিশনাল (গতানুগতিক) ইলেকশান করার চিন্তা করেন, তাহলে আপনারা ১৪০০ মানুষের (শহীদের) জীবন এবং হাজার হাজার মানুষের রক্তের জন্য দায়ী থাকবেন। আপনাদের একটি রেভ্যুলশনারী নির্বাচন করার প্লান করতে হবে। নতুন ধাচের নির্বাচনের চিন্তা করতে হবে। ট্র্যাডিশনাল জায়গায় যাবেন না, নতুন করে বিষয়গুলো ভাবেন। টেকনিক্যালি কি কি কিভাবে নির্বাচন ম্যানুপুলেট হয়, আমরা তা একদম রুট লেভেল পর্যন্ত বিষয়গুলো উনাদের কাছে তুলে ধরেছি।’
এ ছাড়াও বৈঠকে দলটির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ভাইস চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) দিদারুল আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসরীন সুলতানা মিলি, ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক, যুবপার্টির সদস্য সচিব হাদিউজ্জামান খোকন, মহানগর উত্তরের আহবায়ক সেলিম খান, সদস্যসচিব সামিউল ইসলাম সবুজ, সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) শাহজাহান ব্যাপারী, কেন্দ্রীয় নেতা আবু রাইয়ান রছি, যুবপার্টি ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব শাহিনুর আক্তার শীলা, দক্ষিণের সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান, নারী নেত্রী ইসরাত জাহান, সহকারী প্রচার সম্পাদক রিপন মাহমুদ, সহকারী অর্থ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক প্রমুখ।

আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এই অবস্থায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৫৩ আসনে জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ঝুলে থাকল ৪৭টি আসন। তিনটি দলের আসনের ভাগ জানানো হয়নি।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। দল দুটি আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে এই অভিযোগ জানিয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে জোটের একটি সূত্র এই তিন দলের আসন বণ্টন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫৩টিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবার।
১৩ ঘণ্টা আগে