নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে পরাজয়কে রাজনৈতিক জীবনের প্রথম পরাজয় বলে উল্লেখ করেছেন ছাত্রদল সমর্থিত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামীম। আজ বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি। এই পরাজয়কে নিছক সময়ের কাছে হার বলে বিবেচনা করেন হামীম।
পোস্টে হামীম বলেন, ‘আমি খুব সাধারণ একজন মানুষ। হাসি-খুশি, তবে সংগ্রামী। জনাব তারেক রহমান ও ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ আমাকে সম্মানিত করেছেন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ছাত্রদল থেকে জিএস প্রার্থী করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমাকে যেভাবে প্রকাশ্যে গ্রহণ করেছিলেন, আমার ওপর আস্থা রেখেছেন সেটিও ফলাফলে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়নি। আমি দুঃখ প্রকাশ করছি জনাব তারেক রহমান ও ঢাবি শিক্ষার্থীদের কাছে।’
হামীম আরও বলেন, ‘ব্যক্তিগত জীবনে অনেক হেরেছি, রাজনৈতিক জীবনে এটাই প্রথম পরাজয়। যদিও এ পরাজয় ভাগ্যের কাছে, পরিবেশ ও পরিস্থিতির কাছে এবং নিছক সময়ের কাছে। সারা দেশের মানুষের কত দোয়া। নিশ্চয়ই সে দোয়া ব্যর্থ হবে না।’
ছাত্রদলের এই নেতা আরও বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার মনের খবর জানতেন, এতটা সহীহ চিন্তা-ভাবনা থাকার পরেও কেন তাকদিরে এই পরাজয় রেখেছিলেন জানি না। আমি চির কৃতজ্ঞ এই দলের প্রত্যেকটা নেতা–কর্মীর কাছে, আমার বিশ্ববিদ্যালয় আদর্শিক অগ্রজদের নিকট আমার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ করে, জনাব তারেক রহমান সাহেবের কাছে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেসব শিক্ষার্থীর কাছে, যারা আমার জয় নিশ্চিত ভেবেছিলেন এবং বিশেষ করে, সেসব শিক্ষার্থীর কাছে, যারা মনে করেননি আমি তাদের জন্য যোগ্য!’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে পরাজয়কে রাজনৈতিক জীবনের প্রথম পরাজয় বলে উল্লেখ করেছেন ছাত্রদল সমর্থিত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামীম। আজ বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি। এই পরাজয়কে নিছক সময়ের কাছে হার বলে বিবেচনা করেন হামীম।
পোস্টে হামীম বলেন, ‘আমি খুব সাধারণ একজন মানুষ। হাসি-খুশি, তবে সংগ্রামী। জনাব তারেক রহমান ও ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ আমাকে সম্মানিত করেছেন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ছাত্রদল থেকে জিএস প্রার্থী করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমাকে যেভাবে প্রকাশ্যে গ্রহণ করেছিলেন, আমার ওপর আস্থা রেখেছেন সেটিও ফলাফলে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়নি। আমি দুঃখ প্রকাশ করছি জনাব তারেক রহমান ও ঢাবি শিক্ষার্থীদের কাছে।’
হামীম আরও বলেন, ‘ব্যক্তিগত জীবনে অনেক হেরেছি, রাজনৈতিক জীবনে এটাই প্রথম পরাজয়। যদিও এ পরাজয় ভাগ্যের কাছে, পরিবেশ ও পরিস্থিতির কাছে এবং নিছক সময়ের কাছে। সারা দেশের মানুষের কত দোয়া। নিশ্চয়ই সে দোয়া ব্যর্থ হবে না।’
ছাত্রদলের এই নেতা আরও বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার মনের খবর জানতেন, এতটা সহীহ চিন্তা-ভাবনা থাকার পরেও কেন তাকদিরে এই পরাজয় রেখেছিলেন জানি না। আমি চির কৃতজ্ঞ এই দলের প্রত্যেকটা নেতা–কর্মীর কাছে, আমার বিশ্ববিদ্যালয় আদর্শিক অগ্রজদের নিকট আমার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ করে, জনাব তারেক রহমান সাহেবের কাছে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেসব শিক্ষার্থীর কাছে, যারা আমার জয় নিশ্চিত ভেবেছিলেন এবং বিশেষ করে, সেসব শিক্ষার্থীর কাছে, যারা মনে করেননি আমি তাদের জন্য যোগ্য!’

তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হই, তাহলে আগামী দিনে এভাবেই শোকসভা ও শোকগাথা চলতেই থাকবে। সুতরাং আর শোকগাথা বা শোক সমাবেশ নয়। আসুন...গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামীর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয় গাথা রচনা করবে।’
৩৯ মিনিট আগে
জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের ‘মুক্তিযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছিলেন, এ দেশের স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকদের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
১৩ ঘণ্টা আগে