নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

২০২২–২৩ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে লক্ষ্যপূরণ হবে না বলে মনে করেন বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, ‘এই বাজেট স্বজনতোষী বাজেট। এই বাজেট ধনীকে আরও ধনী এবং সাধারণ মানুষকে আরও বেশি নাজুক করার বাজেট।’ বৃহস্পতিবার প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্ত করতে গিয়ে জাতীয় সংসদে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এমন সময় আমরা বাজেট দিচ্ছি, যখন মাত্র করোনার ধাক্কা কাটিয়ে ওঠা শুরু করেছি। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধে পুরো অর্থনীতি, পুরো বিশ্ব বিপর্যস্ত। আমরা আশা করেছিলাম, গতানুগতিক বাজেটের বাইরে গিয়ে এই বাজেটে কিছু পাব। যে বাজেট সাধারণ মানুষের কথা বলবে, সাধারণ মানুষের জীবনে যে নিত্য নৈমিত্তিক সমস্যাগুলোকে অ্যাড্রেস করবে। আনফরচুনেটলি আমরা সে রকম বাজেট পাইনি।’
বিএনপির এই নেত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন যে—আমাদের আমদানি ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে, রপ্তানি আয় সেই তুলনায় কম। মূল্যস্ফীতি আকাশচুম্বী, ডলারের দাম টাকার তুলনায় অনেক বেশি বেড়ে গেছে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। জব লেস গ্রোথ হচ্ছে, নানা সমস্যার মধ্যে দিয়ে এই বাজেট দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম, বাজেটে এই বিষয়গুলো বিবেচনা করা হবে। কিন্তু না, আমরা দেখলাম সেই একই গতানুগতিক বাজেট। উচ্চাভিলাষী বাজেট।’
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ‘বাজেটে ২ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি থাকবে। এই ঘাটতি আপনি কীভাবে পূর্ণ করবেন? এই ঘাটতি পূরণে কর বাড়াতে হবে, কিন্তু করের আওতা বাড়ছে না। অথচ দেখতে পাচ্ছি, কর জিডিপির অনুপাতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ সর্বনিম্ন।’

২০২২–২৩ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে লক্ষ্যপূরণ হবে না বলে মনে করেন বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, ‘এই বাজেট স্বজনতোষী বাজেট। এই বাজেট ধনীকে আরও ধনী এবং সাধারণ মানুষকে আরও বেশি নাজুক করার বাজেট।’ বৃহস্পতিবার প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্ত করতে গিয়ে জাতীয় সংসদে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এমন সময় আমরা বাজেট দিচ্ছি, যখন মাত্র করোনার ধাক্কা কাটিয়ে ওঠা শুরু করেছি। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধে পুরো অর্থনীতি, পুরো বিশ্ব বিপর্যস্ত। আমরা আশা করেছিলাম, গতানুগতিক বাজেটের বাইরে গিয়ে এই বাজেটে কিছু পাব। যে বাজেট সাধারণ মানুষের কথা বলবে, সাধারণ মানুষের জীবনে যে নিত্য নৈমিত্তিক সমস্যাগুলোকে অ্যাড্রেস করবে। আনফরচুনেটলি আমরা সে রকম বাজেট পাইনি।’
বিএনপির এই নেত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন যে—আমাদের আমদানি ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে, রপ্তানি আয় সেই তুলনায় কম। মূল্যস্ফীতি আকাশচুম্বী, ডলারের দাম টাকার তুলনায় অনেক বেশি বেড়ে গেছে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। জব লেস গ্রোথ হচ্ছে, নানা সমস্যার মধ্যে দিয়ে এই বাজেট দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম, বাজেটে এই বিষয়গুলো বিবেচনা করা হবে। কিন্তু না, আমরা দেখলাম সেই একই গতানুগতিক বাজেট। উচ্চাভিলাষী বাজেট।’
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ‘বাজেটে ২ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি থাকবে। এই ঘাটতি আপনি কীভাবে পূর্ণ করবেন? এই ঘাটতি পূরণে কর বাড়াতে হবে, কিন্তু করের আওতা বাড়ছে না। অথচ দেখতে পাচ্ছি, কর জিডিপির অনুপাতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ সর্বনিম্ন।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে চারটি সংস্থার সম্মিলিত এক জরিপে। নতুন এই জরিপ দাবি করছে, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। জনসমর্থনে বিএনপি মাত্র ১ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে আছে।
১ ঘণ্টা আগে
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের অন্যতম দুটি দলের নেতা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. মামুনুল হক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বৈঠক করেছেন। আজ সোমবার বেলা ৩টায় মাওলানা মো. মামুনুল হকের বাসায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
২ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল বা পরশুর মধ্যে জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে