ঢাবি প্রতিনিধি

ছাত্র রাজনীতির পাঠশালা খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে ছাত্রলীগের সম্মেলন প্রত্যাশীদের তোপের মুখে পড়েন কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।
আজ শনিবার দুপুরে মধুর ক্যানটিনে এলে তোপের মুখে পড়েন তাঁরা। মধুর ক্যানটিনে ওই সময়ে উপস্থিত থাকা ছাত্রলীগের ১২ জন কেন্দ্রীয় নেতা বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
সম্মেলন প্রত্যাশী ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহসভাপতি সোহান খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘চলতি মাসের ১০ তারিখ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের সম্মেলনের নির্দেশ দিয়েছেন। আজকে জয়-লেখক মধুর ক্যানটিনে রান্নাঘরের (মধুর ক্যানটিন) পাশের টেবিলে বসেন। সেখানে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের কাছে সম্মেলনের বিষয়ে জানতে চাইলে সভাপতি (জয়) কোনো কথা বলেননি। তবে সাধারণ সম্পাদক (লেখক) বলেন, ওবায়দুল কাদেরের ঘোষণাটা নেত্রীর নির্দেশনা কি না তা নিশ্চিত নই। এটা তাঁর (কাদের) মনগড়াও হতে পারে। তখন আমরা (সম্মেলন প্রত্যাশীরা) বললাম, তাহলে সংবাদ সম্মেলনে উনি (কাদের) এ রকম কেন কথা বললেন? তখন লেখক বলল, আমরাও ধোঁয়াশাতে আছি। নেত্রী (শেখ হাসিনা) এখনো ফাইনাল সিদ্ধান্ত দেয় নাই। নেত্রী সিদ্ধান্ত দিলেই আমরা তারিখ ঘোষণা করব।’
ছাত্রলীগের দুই কেন্দ্রীয় নেতা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে দোষারোপ করে নেত্রীর নাম ভাঙিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করা এবং আরও কিছু ‘পেইড কমিটি’ করার অপচেষ্টা করছেন বলেও উল্লেখ করেন সোহান খান।
এ বিষয়ে আল নাহিয়ান খান জয় ও লেখক ভট্টাচার্যের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁরা সাড়া দেননি।

ছাত্র রাজনীতির পাঠশালা খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে ছাত্রলীগের সম্মেলন প্রত্যাশীদের তোপের মুখে পড়েন কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।
আজ শনিবার দুপুরে মধুর ক্যানটিনে এলে তোপের মুখে পড়েন তাঁরা। মধুর ক্যানটিনে ওই সময়ে উপস্থিত থাকা ছাত্রলীগের ১২ জন কেন্দ্রীয় নেতা বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
সম্মেলন প্রত্যাশী ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহসভাপতি সোহান খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘চলতি মাসের ১০ তারিখ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের সম্মেলনের নির্দেশ দিয়েছেন। আজকে জয়-লেখক মধুর ক্যানটিনে রান্নাঘরের (মধুর ক্যানটিন) পাশের টেবিলে বসেন। সেখানে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের কাছে সম্মেলনের বিষয়ে জানতে চাইলে সভাপতি (জয়) কোনো কথা বলেননি। তবে সাধারণ সম্পাদক (লেখক) বলেন, ওবায়দুল কাদেরের ঘোষণাটা নেত্রীর নির্দেশনা কি না তা নিশ্চিত নই। এটা তাঁর (কাদের) মনগড়াও হতে পারে। তখন আমরা (সম্মেলন প্রত্যাশীরা) বললাম, তাহলে সংবাদ সম্মেলনে উনি (কাদের) এ রকম কেন কথা বললেন? তখন লেখক বলল, আমরাও ধোঁয়াশাতে আছি। নেত্রী (শেখ হাসিনা) এখনো ফাইনাল সিদ্ধান্ত দেয় নাই। নেত্রী সিদ্ধান্ত দিলেই আমরা তারিখ ঘোষণা করব।’
ছাত্রলীগের দুই কেন্দ্রীয় নেতা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে দোষারোপ করে নেত্রীর নাম ভাঙিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করা এবং আরও কিছু ‘পেইড কমিটি’ করার অপচেষ্টা করছেন বলেও উল্লেখ করেন সোহান খান।
এ বিষয়ে আল নাহিয়ান খান জয় ও লেখক ভট্টাচার্যের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁরা সাড়া দেননি।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘কৌশলের নামে গুপ্ত কিংবা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যে দলের কর্মীরা অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে আপসহীন ভূমিকা রাখতে পারে, সেই দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কিংবা অপপ্রচার চালিয়ে দমন করা যাবে না।’
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একটি দল নানা কৌশলে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ খুঁজছে। আমরা তাদের সেই সুযোগ দেব না। আজ শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থেকে দূরে থাকতে সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়েছেন ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) সভাপতি ও মাছরাঙা টিভির বার্তা সম্পাদক রেজওয়ানুল হক রাজা। তিনি বলেছেন, ‘সাংবাদিকেরা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা দূর করতে না পারলে আমরা এক হতে পারব না।’
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতির ইতিহাসে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে ‘বৃহত্তর ঐক্য’ বা ‘এক বাক্সে ভোট’ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা দীর্ঘদিনের। ২০২৬ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে সেই সম্ভাবনা তুঙ্গে উঠলেও শেষ পর্যন্ত তা চরম নাটকীয়তায় পর্যবসিত হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে