নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বর্তমান সরকারের পতনের লক্ষ্যে চলমান যুগপৎ আন্দোলন ফলপ্রসূ ও বেগবান করতে একসঙ্গে মাঠে নামার তাগিদ দিয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। এ জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে নেতৃত্বদানকারী দল বিএনপির প্রতি আহ্বানও জানিয়েছে ১২ দলীয় জোটসহ ছোট ছোট কয়েকটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা।
আজ শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে গণঅধিকার পরিষদের (একাংশের) আয়োজনে ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও, রক্ষা করো গণতন্ত্র’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।
একসঙ্গে মাঠে থাকার বিষয়ে এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘আজকে এখানে যারা আছে, তাদেরকে জোর দিয়ে বলি, আলাদা আলাদা করে বাদ দেই ৷ আলাদা আলাদা করে কিছু হয় না।’
দেশ, গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হলে প্রথম নিজেদের ব্যক্তি-ইচ্ছাকে জাগ্রত করার তাগিদ দিয়ে এবি পার্টির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হলে তাদের দাবি নিয়ে কথা বলতে হবে। বাকি সব দাবি বন্ধ করে দিয়ে মানুষের অধিকারের জন্য আসতে হবে।
জি এম কাদেরের কাছে অনুরোধ করে বাংলাদেশ পুনর্গঠন আন্দোলনের চেয়ারম্যান মহসিন রশিদ বলেন, জাতীয় পার্টি একটি বড় দল। তাদের একটি ভালো সংগঠন আছে। দলটাকে নষ্ট না করে ৭ তারিখে নির্বাচন থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
গণঅধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব ফারুক হাসান বলেন, একসঙ্গে আন্দোলন করতে হবে। আর এক সেকেন্ডও অপেক্ষা করা যাবে না।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, এই আন্দোলন জনগণের আন্দোলন, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। এই নির্বাচন শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু হবে না, সে কারণে তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে এবং নিরপেক্ষ সরকার দিতে হবে।
১২ দলীয় জোটের প্রধান ও জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, ‘সীমান্তের পরপারের একটি বৃহৎ শক্তি দেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাচ্ছে, আন্দোলনে সাফল্য পেতে এই বৃহৎ শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের (বিরোধী দলগুলোকে) লড়তে হচ্ছে।’
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) মিয়া মশিউর রহমান। এতে আরও বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সদস্য আশরাফ আলী আকন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ঐক্য পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ মো. আব্দুর রহিম প্রমুখ।

নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বর্তমান সরকারের পতনের লক্ষ্যে চলমান যুগপৎ আন্দোলন ফলপ্রসূ ও বেগবান করতে একসঙ্গে মাঠে নামার তাগিদ দিয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। এ জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে নেতৃত্বদানকারী দল বিএনপির প্রতি আহ্বানও জানিয়েছে ১২ দলীয় জোটসহ ছোট ছোট কয়েকটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা।
আজ শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে গণঅধিকার পরিষদের (একাংশের) আয়োজনে ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও, রক্ষা করো গণতন্ত্র’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।
একসঙ্গে মাঠে থাকার বিষয়ে এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘আজকে এখানে যারা আছে, তাদেরকে জোর দিয়ে বলি, আলাদা আলাদা করে বাদ দেই ৷ আলাদা আলাদা করে কিছু হয় না।’
দেশ, গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হলে প্রথম নিজেদের ব্যক্তি-ইচ্ছাকে জাগ্রত করার তাগিদ দিয়ে এবি পার্টির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হলে তাদের দাবি নিয়ে কথা বলতে হবে। বাকি সব দাবি বন্ধ করে দিয়ে মানুষের অধিকারের জন্য আসতে হবে।
জি এম কাদেরের কাছে অনুরোধ করে বাংলাদেশ পুনর্গঠন আন্দোলনের চেয়ারম্যান মহসিন রশিদ বলেন, জাতীয় পার্টি একটি বড় দল। তাদের একটি ভালো সংগঠন আছে। দলটাকে নষ্ট না করে ৭ তারিখে নির্বাচন থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
গণঅধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব ফারুক হাসান বলেন, একসঙ্গে আন্দোলন করতে হবে। আর এক সেকেন্ডও অপেক্ষা করা যাবে না।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, এই আন্দোলন জনগণের আন্দোলন, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। এই নির্বাচন শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু হবে না, সে কারণে তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে এবং নিরপেক্ষ সরকার দিতে হবে।
১২ দলীয় জোটের প্রধান ও জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, ‘সীমান্তের পরপারের একটি বৃহৎ শক্তি দেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাচ্ছে, আন্দোলনে সাফল্য পেতে এই বৃহৎ শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের (বিরোধী দলগুলোকে) লড়তে হচ্ছে।’
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) মিয়া মশিউর রহমান। এতে আরও বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সদস্য আশরাফ আলী আকন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ঐক্য পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ মো. আব্দুর রহিম প্রমুখ।

শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
১৬ মিনিট আগে
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের অন্যতম দুটি দলের নেতা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. মামুনুল হক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বৈঠক করেছেন। আজ সোমবার বেলা ৩টায় মাওলানা মো. মামুনুল হকের বাসায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল বা পরশুর মধ্যে জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে ডা. শফিকুর রহমান ও ইভারস আইজাবস বাংলাদেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার ব্যাপারে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে