
ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া শারদীয় দুর্গাপূজায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বাঙালি হিন্দুদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসবে সজাগ থাকতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
আজ রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বার্তা দেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘শারদীয় উৎসবকে ঘিরে ফ্যাসিবাদী শাসনামলের মতো কেউ যাতে কোনো রকম সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি কিংবা নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার মতো কোনো অপচেষ্টা করতে না পারে, সে ব্যাপারে সতর্ক এবং সজাগ থাকার জন্য আমি দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানাই।’
তিনি বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ প্রতিটি গোষ্ঠী-গোত্র-সম্প্রদায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে যার যার ধর্ম পালন করবে, ধর্মীয় উৎসব পালন করছে, করবে—এটিই বাংলাদেশের আবহমানকালের ধর্মীয় সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য। একজন বাংলাদেশি হিসেবে এর ভেতর দিয়েই পরিস্ফুটিত হয়ে ওঠে আমাদের বিভিন্ন ধর্ম-গোত্র-সম্প্রদায়ের মধ্যকার পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি সৌহার্দ্য এবং ভ্রাতৃত্ব।
‘আমাদের রাষ্ট্র এবং সংবিধানে দলমত-ধর্মবর্ণ-নির্বিশেষে বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী-সংশয়বাদী প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা বিধানের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। সুতরাং, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা বিধান করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।’
তারেক রহমান বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে অপর নাগরিকের নিরাপত্তা এবং সম্মান রক্ষায় যথাযথ ভূমিকা রাখবে এবং নৈতিক দায়িত্ব পালন করবে—এটিই স্বাভাবিক রীতি। তবে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি আমার আহ্বান, আপনারা উৎসাহ-উদ্দীপনা সহকারে নিশ্চিন্তে-নিরাপদে সারা দেশে উৎসব-আনন্দ উদ্যাপন করুন। সৌহার্দ্য-সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিন।
‘আমি এবং আমার দল বিএনপি বিশ্বাস করে—ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার; ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। সবশেষে আমি আবারও আমার এবং আমাদের দল অর্থাৎ ধর্মবর্ণ-নির্বিশেষে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের দল বিএনপির পক্ষ থেকে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি আবারও শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানাই।’

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহে কর্নেল তাহের যে রাষ্ট্র পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করেছিলেন, তার মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের ক্ষমতায়ন এবং রাষ্ট্রের চরিত্রের রূপান্তর। ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকার বহনকারী প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কাঠামোর পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি গণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার...
৩ ঘণ্টা আগে
৭১-এর স্বাধীনতাযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর মতো রাজনৈতিক দল পবিত্র ইসলাম ও কোরআনের নামে যে সংগঠিত দর্শন এবং ইসলামের সংমিশ্রণ তৈরি করেছিল, স্বাধীনতাযুদ্ধে তাদের যুদ্ধবিরোধী ও দেশবিরোধী ভূমিকার কারণে বাংলাদেশে তারা দীর্ঘদিন নিষিদ্ধ থাকতে বাধ্য ছিল। সেই সময় জাসদের প্রতিক্রিয়াধর্মী উত্থান কিংবা...
৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমরা বর্তমানে সংসদে ছয়জন এমপি নিয়ে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছি। আগামী দিনে সেই সংখ্যা ১৬০-এ
৫ ঘণ্টা আগে
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এই প্রজন্ম হারিয়ে ফেললে জাতি বড় ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আজ অনেকে একাত্তরের সাথে অনেক কিছুকে গুলিয়ে ফেলেন। কিন্তু একাত্তর না হলে আর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যদি স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন-এই বাংলাদেশ আমরা পেতাম না...
৭ ঘণ্টা আগে